টেকনাফে ট্যুরিজম পার্ক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী আজ

সংবাদদাতা:

বহু-জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে কক্সবাজার জেলার দক্ষিণাঞ্চলের সাবরাং খুরের মুখ এলাকার ১১৬৫একর জমিতে প্রস্তাবিত ট্যুরিজম পার্ক। আজ সকালে ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তজার্তিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ উপলক্ষে কক্সবাজার জেলার প্রশাসন ও টেকনাফ উপজেলা প্রশাসন অক্লান্ত পরিশ্রম করে সাবরাং ট্যুরিজম পার্কের অপরূপ সাজে সাজিয়েছেন। জেলা প্রশাসক মোঃ আলী হোসেন স্বাক্ষরিত উক্ত এলাকার জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, নারী উদ্যোক্তা, দেশী/বিদেশেী বিনোগকারী, বেসরকারী পিপিপি, অর্থনৈতিক অঞ্চলের উদ্যোক্তারা ও সাবংবাদিক সহ বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিদেরকে আমন্ত্রণ পত্র প্রেরণ করেছে।

এ পার্ক হবে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) কর্তৃক কক্সবাজর জেলায় প্রথম প্রতিষ্ঠিত কোন বিশেষ পর্যটন অঞ্চল। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে সীমান্তবর্তী এ উপজেলার আমূল পরিবর্তন হবে। কক্সবাজার কেন্দ্রিক পর্যটন খাতের উন্নয়নে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে সচেতন মহল জানায়।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক কর্তৃপক্ষ সূত্র জানিয়েছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ১১৬৫একর জমি চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮৮২.২৬খাস জমি, ইতিমধ্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছে জেলা প্রশাসন। চিহ্নিত জমির মধ্যে মালিকানাধিন জমি রয়েছে ৯১.৬৮একর। খাস জমি রয়েছে ৯৩৭.৪৬একর এবং সৈকত এলাকায় জমির পরিমাণ ১৩৫.৭১একর।

প্রস্তাবিত এ পর্যটন অঞ্চলে প্রাথমিক বিবেচনায় একাধিক পাচঁ তারাকা মানের হোটেল, কটেজ, বিচ ভিলা, নাইট ক্লাব, কনভেনশন হল, অ্যামিউজমেন্ট পার্ক ইত্যাদি পর্যটন সুবিধা রাখা হবে।

জেলা প্রশাসক মোঃ আলী হোসেন বলেন, টেকনাফের বিশেষ পর্যটন অঞ্চল স্থাপনার জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত ট্যুরিজম পার্ক এ পুরো কাজ বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)। এখানে জেলা প্রশাসনের কোন সম্পৃক্ত নেই। তবে জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যে বেজার অনুকূলে ৮৮২.২৬একর খাস জমি হস্তান্তর করেছে। এছাড়ার আরও প্রায় ৭৮একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। আরও কিছু জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর প্রকল্পটি প্রত্যাশিত গতি পাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। গত কয়েকদিন ধরে প্রধানমন্ত্রী সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক উদ্বোধন করবেন এ খবরে টেকনাফ উপজেলার শত শত লোক অধীর অপেক্ষায় আছেন। কবে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন, কখন বাস্তাবায়ন হবে এ প্রত্যাশার প্রহর গুনছেন এলাকার জনগণ।