চাকমা উপন্যাস তো মিলল, কিন্তু ‘চাকমা বাল্যশিক্ষা’র খবর কী

প্রশান্ত ত্রিপুরাঃ

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ‘চাকমা উপন্যাস চাই’ শিরোনামে একটা প্রবন্ধ লিখেছিলেন ১৯৯৩ সালে। যে বছর তাঁর মৃত্যু হয়, সেই ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর, সই হয় পার্বত্য চট্টগ্রাম ‘শান্তি’ চুক্তি, এখনও যেটির পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়নি। অবশ্য বেশ কিছু ক্ষেত্রে নূতন আইন হয়েছে, নূতন প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো হয়েছে, কিন্তু কাগুজে অনেক ঘোষণাই বাস্তব রূপ পায়নি এখনও। যেমন, তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের জন্য ১৯৯৮ সালে প্রণীত আইনগুলিতে বলা হয়েছে, এই প্রতিষ্ঠানসমূহের বিভিন্ন কাজের একটি হবে প্রাথমিক স্তরে ‘মাতৃভাষার মাধ্যমে শিক্ষা’র ব্যবস্থা করা। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো জেলা পরিষদই এ ব্যাপারে যথাযথ উদ্যোগ নেয়নি।

অন্যদিকে, ২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতিতে আদিবাসী শিশুদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থার ঘোষণা থাকলেও সেটি এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। কথা ছিল ২০১২ বা ২০১৩ সালের মধ্যে সরকারিভাবে চাকমাসহ মোট ছয়টি আদিবাসী ভাষায় প্রাক-প্রাথমিক স্তরে শিক্ষাকার্যক্রম শুরু হবে এবং পর্যায়ক্রমে অন্য ভাষাগুলিকেও একই কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে, কিন্তু ২০১৬ সাল পর্যন্ত একটি ভাষাতেও এটি শুরু হয়নি। এমতাবস্থায় কেউ যদি বলে বসেন, ‘চাকমা উপন্যাসের কথা এখন থাক, আগে চাকমা বাল্যশিক্ষার বই হোক’, তাহলে খুব একটা দোষ দেওয়া যাবে না তাদের।

অবশ্য সরকারি পর্যায়ের স্থবিরতা সত্ত্বেও ব্যক্তিগত উদ্যোগে বেশ আগেই, ২০০৪ সালে, প্রকাশিত হয়ে গেছে চাকমা ভাষা ও হরফে দেবপ্রিয় চাকমার লেখা ‘ফেবো’ নামের একটি উপন্যাস। প্রকাশিত খবর অনুসারে এই উপন্যাসের পটভূমি হল ১৯৮৬ সালে খাগড়াছড়ি জেলার লোগাংএ সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ড, আর শিরোনামে ব্যবহৃত শব্দটির দ্বিবিধ অর্থ হল ‘ভয়ার্ত মুহূর্ত’ ও ‘ভয়ঙ্কর প্রাণি’।

‘চাকমা ভাষায় লিখিত প্রথম উপন্যাস’ হিসেবে ‘ফেবো’ নামটি ইতোমধ্যে বিসিএস গাইড ধরনের কিছু পরিসরে জায়গা পেলেও উপন্যাসের বিষয়বস্তু বা অন্য কোনো প্রাসঙ্গিক তথ্য এসব জায়গায় নেই। আর সাধারণভাবে উপন্যাসটি কত জন পড়েছেন, পাঠকেরা এটি কীভাবে গ্রহণ করেছেন, এসব ব্যাপারেও বিশদ কোনো তথ্য কোথাও, অন্তত ইন্টারনেটে, খুঁজে পাওয়া যায় না।

‘প্রথম চাকমা উপন্যাস’ হিসেবে একে স্বাগত জানিয়ে যাঁরা মতামত প্রকাশ করেছেন, বা দু’একজন যাঁরা এটি নিয়ে তীর্যক মন্তব্য করেছেন, তাদের কেউ এটি সত্যি পড়ে দেখেছেন, এমন প্রমাণ মেলে না। যেমন মুক্তি চাকমা নামের একজন ব্লগার ২০১১ সালে প্রকাশিত তাঁর একটি লেখায় ‘ফেবো’-কে আখ্যায়িত করেছেন ‘অপন্যাস’ হিসেবে, কিন্তু এ জন্য বিশেষ কোনো কারণ তিনি উল্লেখ করেননি এবং বইটি তিনি পড়ে দেখেছেন কিনা, বা আদৌ তিনি চাকমা হরফে পড়তে অভ্যস্ত কিনা, তা উল্লেখ করেননি। তিনি অবশ্য নিজস্ব ভাষা ও হরফে ‘প্রথম চাকমা উপন্যাস’ লেখার প্রচেষ্টা ‘দুঃসাহস’ হিসেবে উল্লেখ করে এর জন্য লেখকের তারিফও করেছেন একটু।

তবে তাঁর মূল বক্তব্য যত না ‘ফেবো’ উপন্যাসের সমালোচনা, তার চাইতেও আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ‘একটি চাকমা উপন্যাস চাই’ কথাটির একটা উত্তর, যার ইঙ্গিত তিনি দিয়েছেন তাঁর ব্লগ পোস্টের শিরোনামে, যা হল, ‘একজন বাঙালি লেনিন চাই’। অনুমান করা যায়, তিনি লেনিন প্রতিষ্ঠিত সোভিয়েত ইউনিয়নকে একটা আদর্শ হিসেবে মানেন, যেখানে ‘জাতিসমূহের স্বীকৃতির প্রশ্ন’ নিষ্পত্তির চেষ্টা একভাবে হয়েছিল।

Chakma-people-1

সেটা ঐতিহাসিকভাবে কতটুকু সফল হয়েছিল, তা ভিন্ন আলোচনা, তবে বাংলাদেশের বেলায় আরও মৌলিক একটা প্রশ্ন তোলা যায় যা নিয়ে সংশ্লিষ্ট সকলের ভাবা দরকার: এদেশে যেখানে বাংলা ভিন্ন অন্য কোনো দেশি ভাষার সাংবিধানিক স্বীকৃতি নেই, সেখানে এসব ভাষায় সাহিত্য সৃজনের সুযোগ বা সম্ভাবনা কতটুকুই-বা আছে?

উল্লেখ্য, ‘ফেবো’ প্রকাশের পর এক দশক না পেরুতেই ২০১৩ সালে কে ভি দেবাশীষ চাকমা নামের আরেক জন লেখকেরও চাকমা ভাষায় একটি উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে, যেটির শিরোনাম ‘মুই মত্যেই’ (‘আমি আমার’)। উপন্যাস দুটির কোনোটি সাহিত্য হিসেবে চাকমা সমাজে খুব একটা সাড়া ফেলেছে, এমন আলামত মেলে না। আসলে এই মুহূর্তে কেউ যদি খুব উঁচু মানের উপন্যাসও চাকমা ভাষায় লিখে ফেলেন, নানা কারণে সেটির পাঠক খুঁজে পাওয়া মুশকিল হবে।

এগুলির মধ্যে একটা বড় কারণ হল, নিজেদের ভাষা লিখিত আকারে চর্চার রেওয়াজ না থাকা। বহুজনের চর্চা ও প্রতিষ্ঠিত কোনো বানানরীতির অনুপস্থিতিতে স্রেফ ব্যক্তিগত উদ্যোগে লেখা কোনো দীর্ঘ দলিল একজন সহভাষীর জন্য বোধগম্য আকারে তুলে ধরা কতটা দুরুহ কাজ, তা এমন চেষ্টা যাঁরা করেছেন, তাঁরা ছাড়া অন্যরা অনেকে কল্পনাও করতে পারবেন না হয়তো-বা। আর লেখার কাজটা যদি করা হয় স্বল্প-ব্যবহৃত, পুনরুদ্ধারকৃত বা নব-উদ্ভাবিত কোনো লিপিতে, তাহলে তো কথাই নেই।

উল্লেখ্য, প্রকাশিত খবর অনুসারে দেবাশীষ চাকমার ‘ফেবো’ ছাপানো হয়েছিল চাকমা হরফে হাতে লেখা টেক্সটের ছবির ভিত্তিতে। অন্যদিকে কে ভি দেবাশীষ চাকমার ‘মুই মত্যেই’ ছাপানো হয়েছে বাংলা হরফে। তবে হরফের বিষয়টা আসলে গৌণ; কারণ স্রেফ কারিগরি দৃষ্টিকোণ থেকে পৃথিবীর যে কোনো ভাষা যে কোনো হরফের মাধ্যমে লিখিত রূপ দেওয়া সম্ভব। কিন্তু ব্যাপক পরিসরে কোনো ভাষার লিখিতরূপে চর্চিত হওয়ার জন্য বেশ কিছু পূর্বশর্ত রয়েছে; যেমন সামাজিক চাহিদা, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা এবং কারিগরি বিভিন্ন বিষয়সহ একাধিক ক্ষেত্রে দক্ষ ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ব্যক্তিদের সময়োপযোগী নেতৃত্ব। বাংলাদেশে চাকমা বা অন্য কোনো প্রান্তিক জাতির বেলায় এসব শর্ত পূরণ হয়েছে, তা বলা যায় না।

বাস্তবতা হচ্ছে, বাংলাদেশে ‘আদিবাসী’ (সরকারি ভাষায় ‘উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা বা নৃ-গোষ্ঠী’) হিসেবে অভিহিত সকল জাতির ভাষাই প্রধানত কথ্য আকারে চর্চিত হয়ে আসছে। এসব ভাষার লিখিত আকারে চর্চার যেমন খুব একটা চাহিদা বা রেওয়াজ নেই, তেমনি নেই এ কাজের জন্য প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, পর্যাপ্ত পৃষ্ঠপোষকতা ও দিকনির্দেশনা।

এমতাবস্থায় লিখিত আকারে নিজেদের ভাষা চর্চার কাজ যাঁরা করছেন, তাঁরা তা করছেন মূলত ব্যক্তিগত উদ্যোগে বা বিভিন্ন স্থানীয় সংগঠনের মাধ্যমে। সীমিত আকারের যে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা রয়েছে, যা মূলত বিভিন্ন ‘ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান’এর মাধ্যমে পরিবাহিত হয়ে আসছে, তা প্রয়োজনের তুলনায় নগণ্য এবং তার পেছনে যথাযথ বিশ্লেষণ ও সুচিন্তিত পরিকল্পনা নেই।

অবশ্য অনুদান-নির্ভর ও এনজিও-বাস্তবায়িত বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমেও কিছু কাজ চলছে বেশ অনেক বছর হল, বিশেষ করে ‘মাতৃভাষায় শিক্ষা’র ক্ষেত্রে। কিন্তু মাঠ পর্যায়ে এ রকম বহু খণ্ডিত উদ্যোগ থাকলেও সেগুলিকে বেগবান করার, পথ দেখানোর, পরিপুষ্ট করার বিশেষ কোনো দিকনির্দেশনা জাতীয় পর্যায়ে নেই, সেটা বুদ্ধিবৃত্তিকভাবেই হোক, আর রাষ্ট্রীয় নীতিমালাতেই হোক। সংবিধানে তো আদিবাসীদের কোনো স্বীকৃতিই নেই সে অর্থে, বিশেষ করে তাদের ভাষাসমূহের উল্লেখ কোনো আকারে নেই সেখানে। তথাপি এই অবস্থাতেই ২০১০ সালে প্রণীত জাতীয় শিক্ষানীতিতে বলা হয়েছিল, আদিবাসী শিশুরা যেন বিদ্যালয়ের প্রাথমিক স্তরে ‘মাতৃভাষা শিখতে’ পারে, তার ব্যবস্থা করা হবে।

Chakma-people-২

কথাটা আবার পড়ুন, আদিবাসী শিশুদের ‘মাতৃভাষা’ শেখানোর কথা বলা হয়েছে, ‘মাতৃভাষায়’ শেখানো নয়! অনেকেই বিষয়টি ছাপার ভুল বলেই গণ্য করে কাজ করে আসছেন, কিন্তু এটি যে ঠিক ছাপার ভুল ছিল না, তা ভাবার যথেষ্ট কারণ আছে।

যাই হোক, জাতীয় শিক্ষানীতিতে অস্পষ্ট বা দায়সারাভাবে অন্তর্ভুক্ত নির্দেশনার আলোকে ২০১১ সালের দিকে সরকারিভাবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, অচিরেই আদিবাসী শিশুদের জন্য মাতৃভাষা-ভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে প্রাক-প্রাথমিক স্তরে এবং এ লক্ষ্যে প্রাথমিকভাবে মোট ছয়টি ভাষায় কাজ শুরুর কথা বলা হয়, যেগুলি ছিল চাকমা, মারমা, ককবরক (ত্রিপুরা), গারো, সাদ্রি ও সাঁওতালি। তবে মাঝপথে লিপি বিতর্কের কারণে তালিকা থেকে সাঁওতালি ভাষা বাদ দেওয়া হয়।

এ ধরনের কোনো সমস্যা না থাকলেও বাকি পাঁচটি ভাষার কোনোটিতে পরিকল্পনা অনুযায়ী বিদ্যালয় পর্যায়ে কার্যক্রম শুরু হয়নি এখন পর্যন্ত। এমন অবস্থার পেছনে অনেক গভীর কারণ রয়েছে, ‘লিপি বিতর্ক’ যেগুলির অংশ নয়। আগেই যেমনটা উল্লেখ করা হয়েছে, প্রয়োজনে যে কোনো ভাষা যে কোনো লিপিতে লিখিত রূপ দেওয়া সম্ভব, কিন্তু সেই ‘প্রয়োজন’ কখন কেন কারা কতটুকু অনুভব করছেন, কীভাবে তা মেটানোর কথা ভাবা হচ্ছে, সেগুলি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এসব বিষয়ে সম্যক ধারণাপ্রসূত অভিন্ন চিন্তাভাবনা না থাকার কারণে লিপি বিতর্কের মতো গৌণ সমস্যার ফাঁদে পড়ে অযথা সময় ও সামাজিক শক্তির অপচয় করে চলছেন অনেকে।

এখানে উল্লেখ্য, শতাধিক বছর হল সাঁওতালদের সামনে লিপি নির্বাচনের প্রশ্ন ঘুরেফিরে এসেছে বারবার, যাদের জন্য ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে সব মিলিয়ে এ যাবত অন্তত ৬টি ভিন্ন লিপি চালু করার চেষ্টা করা হয়েছে বিভিন্ন সময়ে। এই সমস্যা আসলে সাঁওতালদের বহুমুখী প্রান্তিকতার একটি লক্ষণ মাত্র।

বাংলাদেশের প্রান্তিক জাতিসমূহের মধ্যে সাক্ষরতার হার (রাষ্ট্রীয় মানদণ্ডে), জনসংখ্যা, ক্ষমতার অংশীদারিত্ব, রাজনৈতিক সচেতনতা, ভাষিক ও সাংস্কৃতিক সমরূপতা ইত্যাদির বিচারে চাকমারা সবার চেয়ে এগিয়ে থাকলেও লিখিত আকারে নিজেদের ভাষায় সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্রে তাদের কোনো উল্লেখযোগ্য অবস্থান নেই। আর এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন মানদণ্ডে আরও ‘পিছিয়ে থাকা’ জাতিসমূহের অবস্থা কী হতে পারে, তা সহজেই অনুমেয়।

সার্বিকভাবে প্রান্তিক জাতিসমূহের মধ্যে লিখিত সাহিত্যের ধারা অবিকশিত বা ম্রিয়মান অবস্থায় থাকার মূল কারণ নিহিত রয়েছে তাদের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক-সাংস্কৃতিক অধস্তনতার মধ্যে, যে অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে তাদের ভূমির অধিকার হরণ করে সাংস্কৃতিকভাবে তাদেরকে ‘ক্ষুদ্র’, ‘নিচু’ ও ‘পশ্চাৎপদ’ হিসেবে গণ্য করাসহ তাদের ইতিহাস ও স্বকীয়তা মুছে ফেলার বিবিধ প্রয়াসের মাধ্যমে। আমরা যদি চাই তাদের সবার ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি স্বমহিমায় বিকশিত হোক, তবে গোড়ায় জল দিতে হবে, যথাযথ স্বীকৃতি দিতে হবে তাদের ভাষা ও সংস্কৃতির, মেনে নিতে হবে তাদের ‘আদিবাসী’ অধিকার। এই অধিকার অগ্রাহ্য করে বাহ্যিক বিভিন্ন প্রলেপ দিয়ে তাদের ভাষা, সংস্কৃতি ইত্যাদির প্রদর্শনীমূলক রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা হবে, আর সব বঞ্চনা-অবমাননা-অস্বীকৃতির আদিবাসীরা সাহিত্যিক সৃজনের মাধ্যমে কাটিয়ে উঠবে, তা আশা করা যায় না।

যেখানে আদিবাসী শিশুরা এখনও প্রাক-প্রাথমিক স্তরেও সরকারিভাবে নিজেদের ভাষায় শিক্ষালাভের সুযোগ পায়নি এবং আদিবাসী জনগণ দেশের সর্বত্র ভূমি-জীবন-সম্ভ্রম রক্ষার সংগ্রামে ব্যতিব্যস্ত, সেখানে তাদের কাছ থেকে নিজেদের ভাষায় লেখা ‘দুর্গেশনন্দিনী’ বা ‘চিলেকোঠার সেপাই’ মানের উপন্যাস খুঁজতে যাওয়ায় যদি কেউ নির্বোধ আশাবাদ বা নিষ্ঠুর রসিকতা হিসেবে দেখেন, তাহলে কি খুব ভুল হবে?

 

( বিডিনিউজ থেকে নেয়া )