‘ভেরিফিকেশন’ শেষ না করেই ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত

অনলাইন ডেস্কঃ
একদিকে চলবে পুলিশ ভেরিফিকেশন (প্রশাসনিক যাচাই), অপরদিকে শিক্ষক নিয়োগে দেওয়া হবে সুপারিশপত্র। এভাবেই নিয়োগ হবে ৩২ হাজার শিক্ষক। তবে নিয়োগের পর যদি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে আপত্তিকর কিছু আসে তাহলে তা বাতিল হবে।

সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। সোমবার (১৭ জানুয়ারি) এ তথ্য নিশ্চিত করেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক-২) ফৌজিয়া জাফরীন।

তিনি বলেন, নিয়োগের পর যদি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে পুলিশ ভেরিফিকেশনে আপত্তিকর কিছু আসে তবে তার নিয়োগ বাতিল হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষকে (এনটিআরসিএ) দেওয়া হবে নির্দেশনা।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগে প্রাথমিক সুপারিশ পাওয়া শিক্ষকদের পুলিশ ভেরিফিকেশন কার্যক্রম চলছে। শিক্ষকদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় সময় লাগছে ভেরিফিকেশনে। এ কারণে নেওয়া হয়েছে এ সিদ্ধান্ত।

অর্থাৎ ভেরিফিকেশন কার্যক্রম চলমান থাকবে। একই সঙ্গে নিয়োগে সুপারিশপত্রও দেবে এনটিআরসিএ। শিগগির এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি হবে।

জানা যায়, গত বছরের ৩০ মার্চ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫৪ হাজারের বেশি শিক্ষক নিয়োগের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনটিআরসিএ। বিভিন্ন নিবন্ধনের রিটকারীদের জন্য দুই হাজার ২০০টি পদ সংরক্ষণ করে বাকি পদগুলোতে নিয়োগের উদ্যোগ নেয় সরকার।

আবেদন না পাওয়া এবং নারী কোটায় যোগ্য প্রার্থী না থাকায় ১৫ হাজার ৩২৫টি পদ বাদ রেখে ৩৮ হাজার ২৮৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। সুপারিশ প্রাপ্তদের মধ্যে ভেরিফিকেশন ফরম পূরণ করেননি ছয় হাজার প্রার্থী। ফলে ৩২ হাজার ২৮৩ জনের পুলিশ ভেরিফিকেশন করা হচ্ছে।

গণবিজ্ঞপ্তি প্রত্যাশী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি শান্ত আহমেদ বলেন, শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা সচিবের প্রতি অশেষ ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, ৩৮ হাজার শিক্ষিত বেকারের কষ্ট অনুধাবন করার জন্য। সেই সঙ্গে আমাদের অন্যতম অভিভাবক এনটিআরসিএর কাছেও কৃতজ্ঞ। নিয়োগের পরবর্তী ধাপ যেন সুষ্ঠু ও সুন্দর হয় সেই প্রত্যাশা করি।

সূত্রঃ জাগোনিউজ