যে কারণে কপালে ব্রণ হয়

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ
কপাল খারাপ হলে নয়, বিভিন্ন কারণে কপালে ব্রণ হয়। আর কপালের ফের যাই হোক, ব্রণ নিরাময় করাও যায়।

ত্বকে জমে থাকা ময়লা, তেল ও ব্যবহৃত প্রসাধনীর অংশ বিশেষ থেকে ব্রণ সৃষ্টি হয়ে থাকে। এছাড়া মানসিক চাপ, হরমোনের সমস্যা, বয়ঃসন্ধীর সময় কিংবা ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকেও ব্রণ হতে পারে।

ব্রণ কমাতে ত্বক পরিষ্কার রাখার কোনো বিকল্প নেই।

ফেমিনা ডট ইন’য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে ব্রণ কমাতে উপকারী কিছু পন্থা সম্পর্কে জানান হল।

মুখ পরিষ্কার রাখা: মুখ পরিষ্কার করতে ভালো মতো ত্বকে উপযোগী ফেইস ওয়াশ দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। এতে ত্বকের ময়লা, তেল ও অন্যান্য প্রসাধনী দূর করতে সহায়তা করে।

নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার: মুখ পরিষ্কার করার পরে ত্বকে আলতোভাবে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। লোমকূপ আবদ্ধ হওয়া এড়াতে তেল বিহীন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উপকারী।

ত্বক পরিচর্যার ধাপ নিয়মিত মেনে চলা: ত্বকের ধরন বুঝে ফেইস ওয়াশ, টোনার, ময়েশ্চারাইজার, সানস্ক্রিন ও সিরাম এবং এসেনশল তেল ব্যবহার করতে হবে। এই ধাপগুলো ত্বকের ময়লা, ব্যাক্টেরিয়া দূর করতে ও ব্রণ এবং দাগ ছোপ কমাতে সহায়তা করে।

ওষুধ ব্যবহার: ব্রণরোধী উপাদান যেমন- স্যালিসাইলিক অ্যাসিড, রেটিনল, বেনজয়েল পারঅক্সাইড বা রেসরসিনল সমৃদ্ধ অয়েনমেন্ট বা মলম ব্যবহার করা ভালো।

ত্বকে খুব বেশি ব্রণের সম থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো কিছু ব্যবহার করা ঠিক নয়।

এমন সমস্যায় সবচেয়ে ভালো কাজে দেয় ঘরোয়া প্রতিকারসমূহ। এগুলো সহজলভ্য, সাশ্রয়ী এবং নিরাপদ।

ঘরোয়া উপাদানের মধ্যে অ্যালো ভেরার জেল, গ্রিন টির ব্যাগ ও টি ট্রি তেল বেশ কার্যকর।

খাদ্যাভ্যাস: মুখে ব্রণ হওয়া ও খাদ্যাভ্যাসের মধ্য সম্পর্ক রয়েছে। কিছু খাবার যেমন- দুধের তৈরি খাবার, কার্বোহাইড্রেইট, কড়া ভাজা খাবার, মোড়কজাত খাবার, পরিশোধিত শস্য ও চিনি এবং তৈলাক্ত খাবার ইত্যাদি ব্রণ সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে।

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া

অধিকাংশ মানুষেরই ব্রণের সমস্যা সাময়িক এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা ভালো হয়ে যায়। তবে যদি ব্রণের মাত্রা গুরুতর ও দীর্ঘস্থায়ী হয় তাহলে ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

সূত্রঃ বিডিনিউজ