সাম্প্রদায়িক হামলার মূলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য: হানিফ

অনলাইন ডেস্কঃ
ভারতীয় উপমহাদেশে সব সাম্প্রদায়িক হামলার মূলে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্য’ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ।

তিনি বলেন, ‘অনেকেই আছেন যারা ধর্মীয় শিক্ষাকে এসকল সাম্প্রদায়িক ঘটনার মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন। তবে ইতিহাস কিন্তু তা বলে না। আমাদের দেশ তথা উপমহাদেশের এ ধরনের যত ইস্যু আছে, সবকিছুর মূলেই রয়েছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য। এমনকি ৭১ সালের পরাজিত পাক বাহিনীও বাঙ্গালির স্বাধীনতা হরণ করতে শেষ অস্ত্র হিসেবে ধর্মকেই ব্যবহার করেছিল।’

বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন মাহবুব-উল- আলম হানিফ। ‘গৌরব ৭১’ এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

এস এম মনিরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি ড. মুহাম্মদ সামাদ, সাবেক আইজিপি শহীদুল হক, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সহ-সভাপতি কাজল দেবনাথ, শহীদ বুদ্ধিজীবী সন্ত্মান ডা. নুজহাত চৌধুরী, আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন।

বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, ‘এরশাদ, খুনী জিয়া রাজনীতিতে ধর্মকে ব্যবহার করেছে। এরা একাত্তরের পরাজিত অপশক্তি। তারা ও তাদের দোসরা কেউ কোনোদিন স্বাধীন বাংলাদেশ চায়নি।’

প্রো-ভিসি ড. মুহাম্মদ সামাদ বলেন, ‘সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর পেছনে বৃহৎ রাজনৈতিক দল আছে আর না হলে তারা এসব করতে পারতো না। আর এজন্য অপরাজনীতি দায়ী।’

ডা. নুজহাত চৌধুরী বলেন, ‘বাঙালিরা শত বছর ধরে একসাথে বসবাস করছে। বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ অসাম্প্রদায়িক। আমি বাঙালির উদারতায় প্রচণ্ডভাবে বিশ্বাস করি। অথচ দেশে বাঙালিত্বকে ধর্মীয় পরিচয়ের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়া হয়েছে।’

সূত্রঃ সমকাল