রামুতে উপজেলা পরিষদের সৌন্দর্য্য নষ্ট করে দোকান বরাদ্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
কক্সবাজারের রামু উপজেলা পরিষদ ভবনকে পেছনে ফেলে সামনের সৌন্দর্য্য নষ্ট করে দোকান বরাদ্ধের প্রতিবাদে রামু চৌমুহনী চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নাগরিক কমিটি রামু উপজেলার আয়োজনে শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫ টায় অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন প্রবীন আওয়ামী লীগ নেতা, মুক্তিযোদ্ধা গোলাম কবির।


বিক্ষোভ সমাবেশে মোবাইল ফোনে সংযুক্ত হয়ে কক্সবাজার-৩(সদর-রামু-ঈদগাঁও) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল বলেছেন- রামুতে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, প্রেসক্লাব, শিল্পকলা একাডেমী, ক্রীড়া ভবন, অফিসার্স ক্লাবসহ এলাকার ইতিবাচক উন্নয়নে ভূমিকা রাখে এরকম প্রতিষ্ঠানের অফিস নাই। দৃষ্টিনন্দন ভাবে এরকম প্রতিষ্ঠানগুলোই উপজেলা পরিষদের পাশে থাকা উচিত। কিন্তু ইতিবাচক চিন্তার বাইরে এসে মার্কেট নির্মাণের সিদ্ধান্তের বিষয়টি আমার কাছে দুরভিসন্ধিমূলক আচরণ বলে মনে হচ্ছে। এ কথা জেনে আমি অবাক হয়েছি। কোন অবস্থাতেই উপজেলা পরিষদের সৌন্দর্য্য নষ্ট করে দোকান বরাদ্ধ দিতে দেয়া হবেনা বলে এমপি কমল রামুবাসিকে আশ্বস্থ করেন।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন রামু উপজেলার স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক তপন মল্লিক, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নীতিশ বড়ুয়া, তাঁতীলীগের সভাপতি নুরুল আলম জিকু, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আহমদ, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সভাপতি মিজানুল হক রাজা, জাতীয় শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন, ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম হোসেন, মোহাম্মদ নোমান, এনামুল হাসান রিয়াদ। ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও বনিক সমিতির সদস্য আজিজুল হক আজিজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রবীন আওয়ামী লীগ নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাষ্টার ফরিদ আহমদ, আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল হক, মোহাম্মদ আলম, রামু স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সম্পাদক আবু বক্কর ছিদ্দিক, রামু উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা তসলিম উদ্দিন সোহেল, বঙ্গবন্ধু ছাত্রপরিষদ রামুর সভাপতি একরামুল হাসান ইয়াছিন, সাধারণ সম্পাদক মো. শাকিল বিন হোছাইন, ছাত্রলীগ নেতা রিয়াজ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।

সভায় বক্তারা বলেন, রামু উপজেলা পরিষদের সামনে মার্কেট নির্মাণ করে দোকান বরাদ্ধ দিলে ঐতিহ্যবাহি ও দৃষ্টিনন্দন রামু উপজেলা পরিষদ ভবন এর সৌন্দর্য ভূলুন্ঠিত হওয়ার পাশাপাশি এলাকাটি হাটবাজারে পরিনত হবে। এতে উপজেলায় সেবা নিতে আসা লোকজনকে ভোগান্তি পোহাতে হবে। তারা বলেন, উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসন সরকারের প্রশাসনিক প্রাণকেন্দ্র। সম্পুর্ন সরকারী অর্থায়নেই এগুলো পরিচালিত হচ্ছে। সরকারের গুরুত্বপুর্ণ রামু উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসন এমন কোন অর্থ সংকটে পড়েনি যেখানে পুরো ভবনকে আড়াল করে সামনে মার্কেট নিমার্ণ করে দিতে হবে। আমরা ধারনা করছি, সরকারকে বিভ্রান্ত করতে দায়িত্বশীলরা আর্থিক ফায়দালুটার জন্য এ রকম সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। দোকান বরাদ্ধ বা সরকারি জমি বিক্রি বন্ধ না হলে অবরোধ, অনশনের মতো আরো বৃহত্তর কর্মসূচী ঘোষনা করার কথা সভায় বক্তারা ঘোষনা দেন। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে রামু উপজেলা পরিষদের সামনে সৌন্দর্য্য নষ্ট করে মার্কেট বা দোকান র্নিমাণ বন্ধের জন্য স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসক এর কাছে জোর দাবী জানান।