জাতীয়করণ কলেজে নিজস্ব তহবিল থেকে বেতন-ভাতা

অনলাইন ডেস্কঃ
সম্প্রতি জাতীয়করণ হওয়া যেসকল কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীরা রাজস্বভুক্ত হয়নি, তাদের কলেজের স্থায়ী-অস্থায়ী তহবিল থেকে বেসিক হারে বেতন-ভাতা দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। চার শর্তে এসব কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি মন্ত্রণালয় থেকে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, চলমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতি অব্যাহত থাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এ সময় শিক্ষার্থীদের কাছে টিউশন ফি আদায় করা যাচ্ছে না বিধায় নতুন সরকারিকৃত কলেজগুলোর এনএমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। পর্যাপ্ত তহবিল না থাকায় কারণে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব এফডিআর নগদায়ন করে এমন কিছু কলেজ শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধের আবেদনের প্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালকের আবেদের প্রেক্ষিতে কলেজ তহবিল থেকে জরুরি প্রয়োজনে মূল বেতন পরিশোধের জন্য এফডিআর নগদায়নের অনুমতি প্রদান করা হয়।

এ প্রেক্ষিতে উল্লেখিত শর্তে নতুন সরকারি কলেজগুলোতে ননএমপিও শিক্ষসক-কর্মচারীদের বেতন প্রদানের সুবিধার্থে সাধারণ তহবিল ব্যবহার ও প্রয়োজনে এফডিআর নগদায়নের অনুমিত নির্দেশক্রমে অনুমিত প্রদান করা হয়েছে।

এসব শর্তের মধ্যে রয়েছে-
১। সরকারি হওয়া কলেজগুলোর সাধারণ তহবিল থেকে এ বাবদ অর্থ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যদি সাধারণ হতবিলে অর্থ সংকুলান না হয়, তবেই কেবল স্থায়ী তহবিল থেকে অর্থ তোলা যাবে।

২। যেসকল ননএমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের বর্তমানে কলেজ থেকে তহবিল স্বল্পতার কারণে বেতন পাচ্ছেন না তাদেরকে বিগত ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে নভেম্বর মোট ছয় মাসের শুধু মূল বেতন প্রদানের জন্য এ অর্থ ব্যবহার করা যাবে।

৩। নিয়োগ নিষেধাজ্ঞা জারির অনতিপূর্বে গৃহীত কলেজ গভর্নিং বডির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতন নির্ধারিত হবে।

৪। প্রাপ্যতার অধিক অর্থ উত্তোলন করা হলে সেক্ষেত্রে ভবিষ্যতে শিক্ষক-কর্মচারীদের চূড়ান্ত সরকারিকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে প্রদত্ত অর্থ সমন্বয় করতে হবে, এজন্য কলেজ কর্তৃপক্ষকে একটি লিখিত প্রত্যায়ন দিতে হবে।

সূত্র: জাগোনিউজ