উপবৃত্তির তথ্য প্রদানের সময় আবার বাড়ল

অনলাইন ডেস্কঃ
প্রাথমিকের উপবৃত্তি পেতে ‘নগদে’ তথ্য প্রদানে চার দফায় সময় বাড়ানো হয়েছে। শেষ দফায় শিক্ষার্থীদের তথ্য দেয়ার সময়সীমা আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এরপর আর সময় বাড়ানো হবে না বলেও জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২৫ জানুয়ারি) তৃতীয় দফা তথ্য প্রদানের শেষ দিন ছিল। তিন দফায় সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সারাদেশে ৬৫ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫৪ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠান তথ্য এন্ট্রি করেছে। বাকি প্রতিষ্ঠানগুলো নানা জটিলতায় তথ্য দিতে পারছেনা বলে আবারও সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সর্বশেষ তথ্য নিয়ে সোমবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব গোলাম মো. হাসিবুলের সঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম, উপবৃত্তি প্রকল্প (তৃতীয় পর্যায়) পরিচালক মো. ইউসুফ আলীসহ সংশ্লিষ্টদের বৈঠক হয়। সেখানে সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে চর্তুথবারের মতো সময় বাড়ানো এবং উপবৃত্তি বিতরণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

জানতে চাইলে প্রকল্প পরিচালক মো. ইউসুফ আলী বলেন, ‘সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় ৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থীর তথ্য এন্ট্রি হয়েছে। বাকিদের তথ্য এন্ট্রির সময় আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে এরপরে আর কোনো সময় বাড়বে না।’

গত ১৩ ডিসেম্বর উপবৃত্তি বিতরণের দশমিক ৭৫ পয়সা সার্ভিস চার্জ ধরে ‘নগদ’-এর সঙ্গে চুক্তি করে প্রাথমিক উপবৃত্তি প্রকল্প। চুক্তি অনুযায়ী, জিটুপি (সরকার টু পাবলিক) পদ্ধতিতে উপবৃত্তির টাকা বিতরণ করবে নগদ। উপবৃত্তির জন্য শিক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধন এবং মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে ডাটা এন্ট্রি বাধ্যতামূলক করা হয়।

এদিকে, ২৮ ডিসেম্বর থেকে ডাটা এন্ট্রির কাজ শুরুর করে নানা জটিলতায় পড়তে হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষকরা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- স্কুলে শিক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি না থাকা। অনেক ক্ষেত্রে অভিভাবকদের কাছেও সন্তানের জন্ম নিবন্ধন সনদ থাকে না, সেক্ষেত্র সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে যেতে হয়। সেখানে সার্ভারে ত্রুটির কারণে সনদ পেতে সমস্যা হয়।

পাশাপাশি, নগদের সার্ভারে সমস্যা, মফস্বল এলাকায় ইন্টারনেটের ধীরগতি, মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকা এবং প্রদত্ত ঠিকানায় গিয়ে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের খুঁজে না পাওয়ার কারণে ডাটা এন্ট্রির কাজ চলে কচ্ছপ গতিতে।

উপবৃত্তির জন্য শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রির হার কাঙ্ক্ষিত না হওয়ায় এ পর্যন্ত চার দফা সময় বাড়ানো হলো। সর্বশেষ ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য সার্ভারে ইনপুট দেয়ার সময় ছিল।

সূত্রঃ জাগোনিউজ