রামুর বঙ্গবন্ধু উৎসবে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি : বিএনপিকেই প্রথম করোনার ভ্যাকসিন দিতে হবে

খালেদ শহীদ, রামুঃ
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেছেন, বঙ্গবন্ধু মুজিব বাংলাদেশকে একটি স্বপ্নের সোনার বাংলায় রূপান্তরের স্বপ্ন দেখে ছিলেন। সেই স্বপ্ন তিনি বাস্তবায়ন করে যেতে পারেননি। কারণ সাড়ে তিন বছরের মাথায় তাকে হত্যা করা হয়েছিলো। আজকে যার ধমনিতে, শিরায় বঙ্গবন্ধু রক্তস্রোত প্রবাহমান, যার কন্ঠে বঙ্গবন্ধুর কন্ঠ প্রতিধ্বনিত হয়, তিনি আমাদের প্রাণ প্রিয় নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পুরণের পথে বাংলাদেশকে অদম্য গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আর সেই কারণে তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বদলে গেছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বদলে গেছে বাংলাদেশ। বদলে গেছে কক্সবাজার, বদলে গেছে কক্সবাজারের রামু। এই রামু বদলে যাওয়ার নায়ক সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি। শয়নে স্বপনে সবসময় তার মাথায় থাকে রামু কক্সবাজারের মানুষের উন্নয়ন। আমি বহু বছর আগে থেকে কক্সবাজার আসছি। এই কক্সবাজার সড়ক এ রকম ছিলো না। এগুলো সাইমুম সরওয়ার কমলের নেতৃত্বে হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) মধ্যরাতে রামু স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু উৎসবের চতুর্থ দিনের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন এমপি সম্মানিত অতিথি হিসেবে বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু উৎসবের আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন। এ উৎসবে কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সালাহ উদ্দিন আহমদ সিআইপি প্রধান আলোচকের বক্তৃতা করেন। বঙ্গবন্ধু জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন পরিষদ, রামুর আয়োজনে অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু উৎসবের চতুর্থ দিনের আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, রামু উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমন্ডার মুক্তিযোদ্ধা নুরুল হক চেয়ারম্যান।
প্রধান অতিথি তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেন, দেড়শত বছর আগে সমীক্ষা করা হয় ঘুমধুম পর্যন্ত রেললাইন হবে। বৃটিশ ভেঙ্গে পাকিস্তান হলো, পাকিস্তান ভেঙ্গে বাংলাদেশ হলো, কিন্তু রেললাইন হয় নাই। সবাই শুধু আশ^াস দিয়েছে, ফিতা দিয়ে মাপঝোঁক করেছে, কোন কাজ হয় নাই। আমাদের নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কক্সবাজার এসে ঘোষনা দিয়েছিলেন, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন, রেলপথ চট্টগ্রাম হয়ে দোহাজারি থেকে ঘুমধুম পর্যন্ত হবে। কক্সবাজার যাবে রেলপথ। সেই রেলপথ এখন নির্মিত হচ্ছে। আগামী বছরে ট্রেনে করে ঢাকা থেকে কক্সবাজারে আসবে মানুষ। আগে সবাই শুধু স্বপ্ন দেখিয়েছে, বাস্তবায়ন করেনি। এখন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে রেলপথ মন্ত্রী কক্সবাজার এসে রেলস্টেশন বিল্ডিং এর ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেছেন।

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেন, শুধু রেলপথ নয়, এই রামুতে ক্যান্টনমেন্ট হয়েছে, ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল হয়েছে। সেই পাবলিক স্কুলে শুধুমাত্র সেনাবাহিনীর নয়, রামুর ছেলেমেয়েরাও পড়ে। রামুতে বোটানিক্যাল গার্ডেন হয়েছে। কক্সবাজারের মাতারবাড়িতে দেশের সমুদ্র বন্দর হচ্ছে। ইতিমধ্যেই জাহাজ ভিড়েছে। সেখানে বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে। এখন কক্সবাজার থেকে, বিদ্যুৎ সারা দেশে যাবে। আগে কক্সবাজারে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ আসতো। বিদ্যুৎ এখন কক্সবাজার থেকে সারা দেশে যাবে। তিনি বলেন, আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা চালু করেছে, বয়স্ক ভাতা, বিধ্বা ভাতা, স্বামী পরিত্যক্ত ভাতা, মাতৃত্বকালী ভাতা। সেটা শেখ হাসিনা দিচ্ছে, নৌকা মার্কার সরকারে দিচ্ছে। এটা সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি’র সরকারে দিচ্ছে। ইউরোপেও এই ভাতার প্রচলন নাই।

বিদেশ থেকে চাল আমদানীর বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশ আগে খাদ্য ঘাটত্তির দেশ ছিলো। এখন খাদ্যের উৎবৃত্তের দেশ। এখন খাদ্য উপচেপড়ার দেশ। কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা স্টক করে, চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে, সেই কারণে সরকারে চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু খাদ্য কম আছে বলে, অনুমতি দিয়েছে তা নয়। তিনি বলেন, আমাদের দেশে যদি যখন বন্যা, জলোৎচ্ছাস কিংবা ঘুর্ণিঝড় হতো, তখন বিদেশ থেকে খাদ্য সহায়তা আমরা নিয়ে আসতাম। এখন বদলে গেছে। নেপালে যখন ভুমিকম্প হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে ত্রিশ হাজার মেট্রিকটন চাল পাঠিয়েছি। আগে বিদেশ থেকে পুরোনো কাপড় এনে বিক্রি করা হতো। এখন আমাদের দেশ থেকেই তৈরি কাপড় রপ্তানী করছি। এখন ছেঁড়া কাপড় পরা কোন মানুষকে দেখা যায় না। এখন কুড়ে ঘরও নেই। এইযে বদলে গেছে, এই বদলে যাওয়া কোন যাদুর কারণে হয়নি। এই বদলে যাওয়া শেখ হাসিনার যাদুকরী নেতৃত্বের কারণে হয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেন, মুজিব বর্ষ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান না হলে, আমরা এই বাংলাদেশ পেতাম না। আমাদের এই বাঙালী জাতি সত্তার সৃষ্টি হওয়ার, হাজার হাজার বছরের মধ্যে বাঙালী কখনও স্বাধীন ছিলো না। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই প্রথম বাঙালীকে শ্লোগান শিখিয়েছেন। ‘বীর বাঙালী অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো, তোমার আমার ঠিকানা পদ্মা মেঘনা যমুনা’ এই শ্লোগানে উজ্জীবিত করে, হাজার বছরের ঘুমন্ত বাঙালীকে বঙ্গবন্ধু মুজিব বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য, তার নেতৃত্বে বাঙালী স্বাধীনতা অর্জন করেছে। তিনি বলেন, মানুষের কাছে সবচেয়ে প্রিয় হচ্ছে তার প্রাণ। বঙ্গবন্ধু মুজিব বাঙালীকে এমন ভাবে উদ্দীপ্ত করে ছিলেন, বাঙালীরা জীবন হাতের মুঠোয় নিয়ে রণাঙ্গনে গিয়ে যুদ্ধ করেছে। হাজারে হাজারে লাখে লাখে জীবন দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে ছিনিয়ে এনেছে। তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাঙালীর ইতিহাসে আরও বহু নেতা চেষ্টা করেছে, বাঙালীকে উদ্দীপ্ত করার জন্য, তারা উদ্দীপ্ত করতে পারেনি। বাঙালীরা তাদের ডাকে জীবন দেয়নি, স্বাধীনতাও আসেনি। সেই কারণেই বঙ্গবন্ধু মুজিব শুধু বাঙালীর জাতির পিতা নয়, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী। বিশ্ব ইতিহাসে এমন নেতা বিরল। বিশ্ব ইতিহাসে তিনি একজন অনন্য নেতা।

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেন, করোনা যখন আসলো, তখন অনেকে মনে করেছিলো বাংলাদেশে হাজার হাজার মানুষ অনাহারে মৃত্যুবরণ করবে। আল্লাহর রহমতে শেখ হাসিনার বলিষ্ট নেতৃত্বের কারণে গত দশ-এগার মাসে একজন মানুষও অনাহারে মৃত্যুবরণ করে নাই। করোনা মোকাবেলায় এই উপমহাদেশে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অবস্থান সবার উপরে। তিনি বলেন, ওরা আশা করেছিলো আমাদের দেশে করোনায় বহু মানুষ মারা যাবে। তারা তারপর আন্দোলন করবে। সরকারের পতন ঘটাবে। কিন্তু কিচ্ছুই হয়নি। এখন কিছুই যখন হয়নি, এখন তারা শুরু করেছে ভ্যাকসিন নিয়ে। ভ্যাকসিন ঠিক মতো আসবে না। ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট বিবৃতিতে, ভারতের স্বাস্থ্য সচিব সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, বাংলাদেশ সঠিক সময়ে ভ্যাকসিন পাবে। এখন বলছে ভ্যাকসিনের দাম বেশী। আমি মাননীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে অনুরোধ জানাবো, বিএনপিকেই প্রথমে ভ্যাকসিন দেয়ার জন্য। তাহলে তাদের এই অপপ্রচার বন্ধ হবে।

তথ্যমন্ত্রী রামুবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, সামনে ইউপি নির্বাচন আসবে। ইউপি নির্বাচনে আমাদের প্রার্থীরা থাকবে। তখন বলতে হবে যারা বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা সহ নানা ধরণের সুবিধা পাচ্ছে, এই রাস্তার ওপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছে, এটি শেখ হাসিনার কারণে হয়েছে। আওয়ামীলীগের কারণে হয়েছে। নৌকা মার্কার কারণে হয়েছে। সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি শয়নে স্বপনে রামু কক্সবাজারের উন্নয়নের কথা ভাবেন। তিনি পরিবারের চেয়েও বেশী আপন মনে করেন এই এলাকার জনগণকে। তাই সাইমুম সরওয়ার কমলের নেতৃত্ব অব্যাহত থাকতে হবে। তার নেতৃত্ব অব্যাহত রাখার মাধ্যমে নৌকার বিজয় কেতন কক্সবাজারে বারংবার এখানে উড়ানোর আহবান জানান তিনি।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে ‘তোমার জন্ম হয়েছে বলেই আমরা পেয়েছি বাংলাদেশ’ এ শ্লোগানে সোমবার থেকে সাত দিনব্যাপী ‘বঙ্গবন্ধু উৎসব’ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার আলোচনা অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন, ‘বঙ্গবন্ধু জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন পরিষদ, রামুর চেয়ারম্যান কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল।

বঙ্গবন্ধু উৎসবের সম্মানিত অতিথি রেলপথ মন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন এমপি বলেন, কক্সবাজারের মাটি ও মানুষের নেতা প্রাণের নেতা যিনি এই এলাকার মানুষের প্রয়োজনে, এলাকার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য, তাদের অর্থনৈকি মুক্তির জন্য, এলাকার উন্নয়নের জন্য যিনি সমস্ত পার্লামেন্টে যিনি জাগ্রত রেখেছে, সেই নেতা সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাকে আদর করে কমল বলে ডাকেন। তাঁর অন্যতম দাবী চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে এই কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারিত করতে হবে। তার ডাকে সাড়া দিয়েই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই অঞ্চলের মানুষের দাবীতে রেলপথ সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

রেলপথ মন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন এমপি বলেন, আগামী ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকা থেকে রেলগাড়ি এই কক্সবাজারে পৌঁছাবো। কক্সবাজারের আইকনিক ষ্টেশনবিল্ডিং হচ্ছে, এটি দক্ষিণ এশিয়ায় এত সুন্দর ষ্টেশনবিল্ডিং এখন পর্যন্ত গড়ে উঠে নাই। কক্সবাজার পর্যটন নগরী। এই পর্যটনের কথা চিন্তা করেই, ঝিনুক আকৃতির ডিজাইনে অত্যাধুনিক ছয়তলা ষ্টেশনবিল্ডিং ভবনে ভিত্তিপ্রস্তর ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেছি। আগামী বাইশ সালের মধ্যে রেল যোগাযোগ কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রাসরণ হবে।

রেলপথ মন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে আমুল পরিবর্তন হবে। বিমান বন্দর, রেলষ্টেশন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে মাতারাবড়ি এলাকাটিকে সিংগাপুরের অবয়ব আদলে গড়ে তোলা হচ্ছে। মানীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সমুদ্র বিজয় হয়েছে। এই সমুদ্রে অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে, বাংলাদেশের মানুষের উন্নয়নের জন্য আমরা সিড়ি ব্যবহার করতে পারি। সেই পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে।

‘বঙ্গবন্ধু জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন পরিষদ, রামুর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি বলেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একশত বছর জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে রামুতে সাত দিনব্যাপী ‘বঙ্গবন্ধু উৎসব’ আয়োজন করা হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে অর্জিত বাংলাদেশে ইতিহাস বিকৃতি যেন না হয়, প্রজন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস উপস্থাপনেই রামুর এই ‘বঙ্গবন্ধু উৎসব’।

রামু উপজেলা যুবলীগ সভাপতি রিয়াজ উল আলম ও সাধারণ সম্পাদক নীতিশ বড়–য়ার সঞ্চালনায় বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু উৎসবের চতুর্থ দিনের আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন, কক্সবাজার সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আবু তালেব, জেলা কৃষকলীগ সভাপতি রশিদ আহমদ, জেলা তাঁতীলীগ সভাপতি আরিফুল মওলা, কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জাহেদ সরওয়ার সোহেল, চট্টগ্রামস্থ রামু সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক হামিদ উল্লাহ, কক্সবাজার সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক রেজা, খুনিয়াপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল মাবুদ, কক্সবাজার পৌরসভার কাউন্সিলার দিদারুল ইসলাম রুবেল, রামু উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি ওসমান সরওয়ার মামুন, কক্সবাজার জেলা বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট সভাপতি নীলিমা আকতার চৌধুরী, জেলা তাঁতীলীগের সহ-সভাপতি আনছারুল হক ভূট্টো, রামু উপজেলা তাঁতীলীগ সভাপতি নুরুল আলম জিকু, রামু উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ নোমান ও এনামুল হোসাইন রিয়াদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা, আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী সহ উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভার পরে নাট্যকর্মী তাপস মল্লিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি করেন, আদিত্য সিকদার প্রিন্স, অর্পিতা শর্মা সুরেখা, নিরুপমা বড়ুয়া বেবী, সুশান্ত পাল বাচ্চু। একক সংগীত পরিবেশন করেন, উৎপলা বড়ুয়া, মিজানুল হক, আন্নাপাল, নাসির উদ্দীন বিপু, আলম শাহ, মো. সেলিম, গোলাম মোস্তফা বাবুল, তালেব মাহমুদ। দলীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেয়, কক্সবাজারের ধ্রুবতারা শিল্পী গোষ্ঠী, রামুর প্রত্যাশা শিল্পী গোষ্ঠী ও ব্যান্ড ‘রিভ্যুলেশন ৫২’। এ ছাড়াও রাতে বঙ্গবন্ধু উৎসব মঞ্চের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন, স্থানীয়শিল্পীরা।