ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনকারীর তালিকায় সৌদি-পাকিস্তান-মিয়ানমার

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপকারী দেশের তালিকায় পাকিস্তানকে অন্তর্ভুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গত সোমবার তালিকাটি ঘোষণা করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও।

যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিতে ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনকারীর তালিকায় পাকিস্তান ছাড়া বাকি দেশগুলো হচ্ছে- চীন, ইরান, সৌদি আরব, তাজিকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান, নাইজেরিয়া, উত্তর কোরিয়া, মিয়ানমার ও ইরিত্রিয়া।

তালিকাভুক্ত দেশগুলো নিয়মতান্ত্রিক, চলমান ও গুরুতর ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনে জড়িত বলে অভিযোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

এছাড়া কিউবা, নিকারাগুয়া, কমোরোস এবং রাশিয়ার সরকারগুলো ধর্মীয় স্বাধীনতার মারাত্মক লঙ্ঘন বা এ ধরনের ঘটনা সহ্য করায় জড়িত থাকার দাবিতে দেশগুলোকে বিশেষ নজরদারি তালিকায় রাখারও ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।

যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা সম্পর্কিত কমিশনের (ইউএসসিআইআরএফ) সবশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানজুড়ে ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘন এখনও চলমান।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত (ব্লাসফেমি) এবং আহমদিয়াবিরোধী আইনগুলোর নিয়মতান্ত্রিক প্রয়োগ এবং হিন্দু, খ্রিষ্টান, শিখসহ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জোরপূবর্ক ধর্মান্তর প্রতিরোধে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ ব্যর্থ বলে দাবি করা হয়েছে।

ইউএসসিআইআরএফ’র তথ্যমতে, পাকিস্তানে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের মামলায় বর্তমানে প্রায় ৮০ জন বন্দি রয়েছেন। এদের মধ্যে অন্তত অর্ধেকেরই যাবজ্জীবন কারাদণ্ড না হয় মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

গত বছর এ ধরনের মামলায় পাকিস্তানে বেশ কয়েকজন হাইপ্রোফাইল ব্যক্তি খালাস পাওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।

গত এক বছরে ‘অসাধারণ ও সুদৃঢ় উন্নতি’ হওয়ায় বিশেষ নজরদারি তালিকা থেকে সুদান ও উজবেকিস্তানের নাম বাদ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

এছাড়া গত বছরের তালিকায় ‘দ্বিতীয় স্তরের দেশ’ হিসেবে ভারতের নাম থাকলেও এ বছর আর তাদের অন্তর্ভুক্ত করেনি মার্কিন প্রশাসন।

সূত্রঃ জাগোনিউজ