রামুতে আস্থা প্রকল্পের সভায় ‘নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের কাজ করার অঙ্গীকার

সোয়েব সাঈদঃ
“মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা সর্বস্থানে উচ্চারিত হবে নির্যাতন বিরোধী বাণি, এ-অবক্ষয় রুখতে আমাদেরই হতে হবে অগ্রগামী” এই চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সত্রিয় ভুমিকা রাখবার অঙ্গিকার করলেন ধর্মীয় নেতাগন। ‘নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ২০২০’ উদযাপন উপলক্ষে আস্থা প্রকল্পের উদ্যোগে কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলায় প্রতিটি ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয় এ ব্যতিক্রমী আয়োজন। আস্থা প্রকল্পটি নেদারল্যান্ডস এম্বাসির অর্থায়নে, ইউএনএফপিএ ও আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সহযোগিতায় কক্সবাজার জেলায় মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নে কাজ করছে ইপসা।
সোমবার (৩০ নভেম্বর) বেলা ২ টায় রামু উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যন জনাব সোহেল সরওয়ার কাজল। রামু উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) সরওয়ার উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন-ইপসা কক্সবাজারের ফোকাল পার্সন মোহাম্মদ হারুন। আস্থা প্রকল্পের সমন্বয়ক মো. জসিম উদ্দিন নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ-২০২০ এর থিম সহ প্রকল্পের বিভিন্ন কর্মসূচী তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে উপজেলা জামে মসজিদের খতিব মাওলানা নুরুল হাকিম, রামু উপজেলা ওলামালীগের সাধারণ সম্পাদক মৌলানা জামাল উদ্দিন আনছারী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মডেল কেয়ারটেকার আবু বক্কর ছিদ্দিক, রামু উপজেলা সার্বজনীয় কেন্দ্রীয় কালী মন্দিরের পুরোহিত সজল ব্রাক্ষ্মন চৌধুরী, বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরু প্রজ্ঞাদর্শী ভিক্ষু প্রমূখ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন-আস্থা প্রকল্পের রামু উপজেলা সমন্বয়ক রেজওয়ানুর রহমান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা চেয়ারম্যান সোহেল সরওয়ার কাজল বলেন- ধর্মীয় নেতাদের সবাই শ্রদ্ধা করেন। তাই বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির, ধর্মীয় মাহফিল-অনুষ্ঠানে নারী নির্যাতন ও জঙ্গীবাদ রোধ ও করোনা সচেতনতা সৃষ্টিতে ধর্মীয় নেতারা সবচেয়ে অগ্রনী ভূমিকা পালন করতে পারেন। এ জন্যই এ আলোচনা সভার আয়োজন। প্রত্যেকে নিজ দায়িত্ব পালন করলে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে।