টেকনাফে অবৈধ উচ্ছেদে মাইকিং: আতঙ্কে ভাসমান ব্যবসায়ীরা

গিয়াস উদ্দিন ভুলু , টেকনাফ:
টেকনাফ পৌরসভায় দীর্ঘ বছরে পর বছর ধরে অলিতে গলিতে রাস্তার দু-পাশে যত্রতত্র অবৈধ দখল ও দোকানপাট। এতে পৌর শহরে প্রতিনিয়ত সৃষ্টি হচ্ছে যানজট ও রাস্তা পারাপারে পথচারিদের চরম দুর্ভোগ।

এদিকে পৌর শহরকে যানজট মুক্ত, অবৈধ দখল, ও স্থাপনা উচ্ছেদ করে টেকনাফ পৌরসভাকে সুন্দর পর্যটন নগরী হিসাবে গড়ে তুলার জন্য পৌর শহরে গড়ে উঠা অবৈদ দখল ও স্থাপনা উচ্ছেদের ব্যাপারে পৌর মেয়র হাজী মো.ইসলাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু অবৈধ দখল বাজরা কিছু অসাধু ব্যক্তিদের ছত্র ছায়ায় প্রতিনিয়ত গড়ে তুলছে অবৈধ স্থাপনা।

মাইকিং করে বেশ কয়েকবার পৌর কতৃপক্ষ উচ্ছেদ অভিযান চালায়। অথচ দুই এক দিন যেতে না যেতেই স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যক্তিদের ইশারায় পুনরায় অবৈধ স্থাপনা গড়ে তুলছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৮ জুলাই টেকনাফ উপজেলা মাসিক আইন শৃংখালা মিটিংয়ে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করতে জোর দাবি জানানো হয়।

এর পর টেকনাফ উপজেলার আওয়াতাধীন যে সমস্ত অবৈধ দখল ও অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে। সেই সমস্ত দখল ও স্থাপনা উচ্ছেদের ব্যাপারে কঠোর সিদ্ধান্ত নেয় উপজেলা প্রশাসন। তাই ৩ আগস্ট পৌর মেয়র হাজী মো: ইসলাম পৌর শহরে গড়ে উঠা অবৈধ দখল ও স্থাপনা গুলো আগামী ৭ আগস্ট বিকাল ৫ টার মধ্যে নিজ নিজ দায়িত্বে সরিয়ে নেওয়ার জন্য মাইকিং করে ঘোষনা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে পৌর শহরে অবৈধ উচ্ছেদের মাইকিং ঘোষনার পর পর অবৈধ দখলদার ও অবৈধ স্থাপনা মালিকদের মাঝে বিরাজ করছে চরম আতস্ক। রাস্তার দু-পাশের বেশ কয়েকজন তরকারি দোকানদার দু:খ প্রকাশ করে বলেন, পৌর কর্তৃপক্ষ আমাদেরকে ব্যবসা করার জন্য একটি নির্দিষ্ট জায়গা ঠিক করে দিলে আমরা কোন দিনও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তার পাশে দোকান নিয়ে বসতাম না। তাই পৌর কর্তৃপক্ষ খুব সহসা কোন ব্যবস্থা করে দিলে আমরা উপকৃত হব। তা না হলে বৌ-বাচ্চা নিয়ে না খেয়ে মরতে হবে।

এব্যাপারে টেকনাফ পৌরসভার মেয়র হাজী মো: ইসলাম আমাদের রামু ডটকমকে জানান, পৌর শহরকে নতুন রূপে সাজাতে রাস্তার দুই পাশে যত্রতত্র ভাবে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা গুলো আগামী ৭ আগষ্ট- এর মধ্যে যার যার দায়িত্বে সরিয়ে নেওয়ার জন্য মাইকিং করা হয়েছে। অন্যতায় ৮ আগস্ট মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অবৈধ উচ্ছেদের ব্যাপারে অভিযান চালানো হবে। কেউ যদি নিজের ইচ্ছায় অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে না নেয় তাদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।