দুর্যোগে আ.লীগ অতীতেও মানুষের পাশে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে

অনলাইন ডেস্কঃ
মহামারি করোনাভাইরাস বিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী প্রশিক্ষণ দিচ্ছে আওয়ামী লীগ। এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আওতায় সোমবার ৩টি বিভাগীয় শহর পর্যায়ে অনলাইন কর্মশালার মাধ্যমে আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপ-কমিটি স্বেচ্ছাসেবী প্রশিক্ষণ দিয়েছে। সোমবার রাজশাহী, চট্টগ্রাম এবং খুলনা বিভাগের ১০০ জনকে এই প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সচিবালয়ে নিজ দফতর থেকে এই কর্মশালা উদ্বোধন করেন।

এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. হোসেন মনসুর। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক এবং উপ-কমিটির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কথা স্মরণ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ জনগণের মধ্য থেকে গড়ে ওঠা একটি দল। দুর্যোগ-দুর্বিপাকে সর্বদা আমাদের দল মানুষের পাশে ছিল, আছে এবং থাকবে। আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা মৃত্যুঞ্জয়ী নেত্রী। তিনি সবসময় মৃত্যুকে হাতের মুঠোয় নিয়ে জনগণের সেবা করে গেছেন, সেবা করে যাচ্ছেন, জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়ে আজ বিশ্বের বুকে মর্যাদার আসনে আসীন করেছেন’।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় দলীয় নেতাকর্মীদের জনগণের পাশে থাকার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন। আপনারা দেখেছেন আমাদের দলের বহুনেতা আজকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। কিন্তু তারপরও আমাদের দল মানুষের পাশে আছে এবং থাকবে। আজকে সেজন্যই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করেছে এবং তারা এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অব্যাহত রাখবে’।

এর আগে ঢাকায় ১০০ জনকে অনলাইনের মাধ্যমে এই ট্রেনিং করানো হয়। স্বাগত বক্তব্যে আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আবদুস সবুর বলেন, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যেকোনো উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবেন স্বেচ্ছাসেবীরা। এছাড়া স্বেচ্ছাসেবীরা মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে অন্যদের ট্রেনিং দিতে পারবেন। ভাবিষ্যতে দেশের অন্যস্থানে এই ধরনের প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হবে।

তিনি বলেন, বিজ্ঞান প্রযুক্তি উপ-কমিটির উদ্যোগে যে ‘জয় বাংলা’ অ্যাপ তৈরি করা হয়েছিল তা আরও উন্নত করে দেশের প্রান্তিক জনগণের কাছে এই অ্যাপের মাধ্যমে টেলিমেডিসিন সেবা পৌঁছে দেয়ার জন্য তৈরি করা হচ্ছে। যা কিছু দিনের মধ্যেই উদ্বোধন করা হবে। এই অ্যাপের মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক জনগণ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের দ্বারা অডিও-ভিডিও কলের মাধ্যমে সেবা নিতে পারবেন।

সূত্রঃ জাগোনিউজ