রামুর বাঁকখালী নদীতে নিখোঁজ স্কুলছাত্র ইমনের মৃতদেহ পাঁচ ঘন্টা পর উদ্ধার

খালেদ শহীদ, রামুঃ
রামুতে নদীর পাড়ে খেলতে গিয়ে বাঁকখালীর পানিতে পড়ে মারা গেছে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র ইমন। রোববার (১২ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে রামুতে নির্মাণাধীন চাকমারকুল-রাজারকুল ওসমান সরওয়ার আলম চৌধুরী সেতুর পাশে বাঁকখালী নদীতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইমন (১৩) রামু উপজেলার চাকমারকুল ইউনিয়নের দক্ষিণ চাকমারকুল মিয়াজী পাড়ার জসিম উদ্দিনের ছেলে, বাংলাবাজার আইডিয়্যাল স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র। পাঁচ ঘন্টা পর বিকাল সাড়ে ৫টায় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি নাজিম উদ্দিন বাঁকখালী নদী থেকে স্কুল ছাত্র ইমনের মৃতদেহ উদ্ধার করে।

বাঁকখালী নদীতে এক স্কুল ছাত্র ডুবে যাওয়ার খবর পেয়ে ছুটে যান রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রণয় চাকমা, চাকমারকুল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সিকদার সহ রামু থানার এসআই মিল্টন, এএসআই অশোক চন্দ্র হালদার, এনএসআই আবু হানিফ ও রামু ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। ছুটে আসেন, কক্সবাজার জেলা পরিষদ সদস্য নুরুল হক কোম্পানি, রামু উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন, চাকমারকুল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুফিদুল আলম সহ পরিবারের সদস্যরা।

চট্টগ্রাম থেকে ফায়ার সাভির্সের ডুবুরি এসে রামু ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সহযোগিতায় সাড়ে চার ঘন্টা পর মৃত ইমনকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় নদীর দুই তীরে উৎসুক মানুষ ভীড় করলে, ইউএনও প্রণয় চাকমা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে উপস্থিত জনতাকে হোম কোয়ারেন্টাইনে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন।

জানা গেছে, বন্ধুদের সাথে নদীর পাড়ে খেলতে যায় স্কুল ছাত্র ইমন। খেলতে খেলতে হঠাৎ পা ফসকে বাঁকখালী নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয় সে। সাথে স্থানীয় জনতা উদ্ধার তৎপরতা চালালেও ইমনকে খোঁজে যাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে ইউএনও, ইউপি চেয়ারম্যান, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ছুটে আসে। চার ঘন্টা উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে স্কুল ছাত্র ইমনের মৃতদেহ খোঁজে যাওয়া যায়।

                                              নদীতে ডুবে নিহত স্কুল ছাত্র ইমন

উদ্ধার কার্যক্রম তদারকি করেন, রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রণয় চাকমা।

তিনি আমাদের রামু ডটকম কে জানান, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সহায়তায় ছাত্রটিকে উদ্ধার করা হয়েছে।