খরুলিয়ায় বাঁকখালীতে নিখোঁজ রামুর দুই জনের মৃতদেহ উদ্ধারঃ জানাযা সম্পন্ন

খালেদ হোসেন টাপু,রামুঃ
ককক্সবাজরের রামু উপজেলার মিঠাছড়িঘাট এলাকায় বাঁকখালী নদীতে গরু নিয়ে পারাপার সময় নিখোঁজ রামুর স্কুল ছাত্র ও প্রবাসী দুইজনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (২৯ মে) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে বাঁকখারী নদী পারাপার কালে এ ঘটনা ঘটে।নিখোঁজ হওয়া প্রবাসীর নাম আমির হোসাইন (২৫)। ছাত্রের নাম মোঃ সাহেদ(১৫)। সে মিঠাছড়ি স্কুলের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। তাদের বাড়ি রামু মিঠাছড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ পাড়া গ্রামে।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আবুল মনসুর বাঁকখালী নদীতে নিখোঁজ দুজনের লাশ উদ্ধারের বিষয় নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, বুধবার (২৯ মে) দুপুরের দিকে বাঁকখালী নদীর মিঠাছড়িঘাট পয়েন্ট দিয়ে গরু পারাপার করতে নেমে নিখোঁজ হন মিঠাছড়ি দক্ষিণপাড়ার গুরা মিয়ার পুত্র প্রবাসীর নাম আমির হোসাইন (২৫) এবং একই এলাকার সুলতান আহমদের পুত্র স্কুলছাত্র মোঃ সাহেদ(১৫)। সে মিঠাছড়ি স্কুলের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী।

স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ সায়েদ বলেন, গরু পার করতে গিয়ে নদীর অধিকাংশ পার হওয়ার পর পরেই দুজন ডুবে যেতে থাকে। এ সময় গরু নদীর পার হয়ে গেলেও তারা পানিতে ডুবে যায়। নিখোঁজের পর দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল ও স্থানীয়রা উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেন। এর মধ্যে বেলা ২টার দিকে আমির হোসাইন ও ৪টার দিকে মোঃ সাহেদের মৃতদেহ নিখোঁজের নদীর ওই পয়েন্ট থেকে উদ্ধার করেন ডুবুরীরা।

কক্সবাজার দমকল বাহিনীর টিম লিডার ওবাইদুল জানান, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে দক্ষিণ মিঠাছড়ির ওপার থেকে গরু নিয়ে বাঁকখালী নদী পার হয়ে খরুলিয়া ঘাঠে আসছিলেন আমির হোছাইন ও সাহেদ। এ সময় গরু নদীর পার হয়ে গেলেও তারা পানিতে ডুবে যায়। অনেক খোঁজাখুজির পর দুপুর সাড়ে ১২ দিকে আমির হোসাইনের এবং বিকেল ৪টার দিকে স্কুলছাত্র সাহেদের মরদেহ উদ্ধার করে হয়।

দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুছ ভুট্টো বলেন, উদ্ধারের পর মৃতদেহ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রণয় চাকমা ও রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল মনছুর, দক্ষিণ মিঠাছড়ি চেয়ারম্যান ইউনুচ ভূট্টো।

এদিকে রাত ৯ টায় দক্ষিণ মিঠাছড়ি ষ্টেশন জামে মসজিদ মাঠ প্রাঙ্গনে নিহত ২ জনের নামাজা অনুষ্ঠিত হয়।