বান্দরবানে সাবেক কাউন্সিলরকে ‘অপরহরণ’, আ. লীগের বিক্ষোভ

অনলাইন ডেস্কঃ
বান্দরবান সদর উপজেলায় সাবেক এক পৌর কাউন্সিলরকে বাড়ি থেকে ধরে নেওয়ার অভিযোগ করেছে তার পরিবার।

এ ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার রাতে বান্দরবান শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা।

পৌনে ৯টার দিকে শহর থেকে ১০ কিলোমটিার দূরে কুহালং ইউনিয়নের উজিমুখ হেডম্যানপাড়া এলাকার বাড়ি থেকে চথোয়াইমং মারমাকে (৫৪) ধরে নেওয়া হয় বলে তার স্ত্রী মিসাচিং মারমার অভিযোগ।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “সাত-আট জনের অপরিচিত একদল লোক বাড়িতে আসে। এ সময় চথোয়াইমং মূল ঘর লাগোয়া মাচাং ঘরে শুয়েছিল। তাকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। চিৎকার শুনে বাইরে এসে দেখি তাকে জোর করে বেঁধে নিয়ে যাচ্ছে “

স্বামীকে কেন নিয়ে যাচ্ছে জানতে চাইলে চুপ থাকতে বলে তাকে চড়-থাপ্পর দেওয়া হয় জানিয়ে মিসাচিং বলেন, পরে তার চোখ বেঁধে ঘরের পাশে একটি পাহাড়ের দিকে নিয়ে যাওয়া সয়।

চথোয়াইমংকে ধরে নেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা মারমার নেতৃত্বে রাতে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করে জেলা আওয়ামী লীগ। পরে বঙ্গবন্ধু মুক্ত মঞ্চে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধরাণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র ইসলাম বেবী এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লক্ষীপদ দাশ। এ ঘটনার জনসংহতি সমিতিকে (জেএসএস) দায়ী করেন তারা।

চথোয়াইমংকে উদ্ধারের দাবিতে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় সাত উপজেলায় একযোগে বিক্ষোভ করা হবে বলে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি একেএম জাহাঙ্গীর জানিয়েছেন।

তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “১২ ঘণ্টার মধ্যে চথোয়াইমং মারমা যদি অক্ষত অবস্থায় ফেরত না আসে দলের পক্ষ থেকে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।”

তাকে অপহরণের অভিযোগ অস্বীকার করে জেএসএস-এর জেলা সাধরাণ সম্পাদক ক্যবামং বলেছেন, “সাম্প্রতিক সময়ে জেএসএস-এর কর্মী-সমর্থকরাই একের পর এক খুন ও অপহরণের শিকার হচ্ছে। এ ঘটনায় জেএসএস জড়িত থাকার প্রশ্নই আসে না।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সুপার জাকির হোসেন মজুমদার বলেন, “অপহরণের ঘটনা শুনেছি। ওই এলাকায় পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে।”

সূত্রঃ বিডিনিউজ