মোসাদ্দেকের সেঞ্চুরিতে হংকংকে হারাল বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্কঃ
আগের ম্যাচে শূন্য রানে ফেরা মোসাদ্দেক হোসেন এবার দলকে পথ দেখালেন। দারুণ সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশকে এনে দিলেন লড়াই করার মতো সংগ্রহ। বাকিটা সারলেন বোলাররা। হংকংকে হারিয়ে ইমার্জিং টিমস এশিয়া কাপে নিজেদের প্রথম জয় পেল নুরুল হাসান সোহানের দল।

‘বি’ গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে ৯৭ রানে হারা বাংলাদেশ জিতল ২৮ রানে। ২৮৭ রানের লক্ষ্য তাড়ায় হংকং করে ২৫৮ রান।

করাচির সাউথএন্ড ক্লাব ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুক্রবার টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ৮ রান করে ফিরে যান মিজানুর রহমান।

দ্বিতীয় উইকেটে দুই তরুণ বাঁহাতি ব্যাটসম্যান জাকির হাসান ও নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাটে প্রতিরোধ গড়ে বাংলাদেশ। ৩৬ রান করে শান্তর বিদায়ে ভাঙে ৮০ রানের জুটি। চার বাউন্ডারিতে ৪৯ রান করে ফিরে যান জাকিরও।

২৩ ওভার শেষে ৯৯ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া বাংলাদেশের ত্রাতা মোসাদ্দেক। ব্যাট হাতে বাজে সময় কাটানো তরুণ এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে দলকে নিয়ে যান তিনশ রানের কাছে।

চতুর্থ উইকেটে ইয়াসির আলীর সঙ্গে ৯০ ও পঞ্চম উইকেটে আফিফ হোসেনের সঙ্গে ৫৫ রানের দুটি ভালো জুটি উপহার দেন মোসাদ্দেক। তিন অঙ্ক ছোয়ার পর বিদায় নেওয়া এই তরুণ ৮৬ বলে ৮ চার ও তিন ছক্কায় করেন ১০০ রান।

রান তাড়ায় হংকংকে পথ দেখান নিজাকাত খান ও বাবর হায়াত। তৃতীয় উইকেটে ১০১ রানের জুটিতে দলকে ২ উইকেটে ১৭৭ রানের দৃঢ় ভিতের ওপর দাঁড় করান তারা।

৯৫ বলে ৯ চার ও তিন ছক্কায় ৯২ রান করা নিজাকাতকে বোল্ড করে বিপজ্জনক হয়ে উঠা জুটি ভাঙেন নাঈম হাসান। অন্য কারোর কাছ থেকে খুব একটা সঙ্গ পাননি বাবর। ৯৫ বলে ৫ চার ও তিন ছক্কায় ৯১ রান করা মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানকে থামান সৈয়দ খালেদ আহমেদ।

শেষের দিকে এহসান খানের ব্যাটে পরাজয়ের ব্যবধান কমায় হংকং।

আগামী রোববার গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ মুখোমুখি হবে টানা দুই জয় পাওয়া পাকিস্তানের।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ:
৫০ ওভারে ২৮৬/৮ (মিজানুর ৮, জাকির ৪৯, শান্ত ৩৬, মোসাদ্দেক ১০০, ইয়াসির ৪৫, আফিফ ২০, সোহান ১৭, শরিফুল ৫, নাঈম ০*, তানভীর ২*; আফজাল ০/৩৩, নওয়াজ ২/৪৮, এহসান ১/৫৯, তানভির ১/২০, গাজানফার ১/৬৪, এজাজ ৩/৬২)

হংকং:
৫০ ওভারে ২৫৮/৭ (নিজাকাত ৯২, এজাজ ১৫, কাপুর ১৫, বাবর ৯১, ওয়াকাস ২, ওয়াসিফ ৩, আফজাল ৭, এহসান ১৪*, নওয়াজ ১*; তানভীর ১/৩৮, খালেদ ২/৬৯, শরিফুল ১/৫১, নাঈম ১/৪০, আফিফ ০/৩৭, মোসাদ্দেক ২/২৩)