আজ ৪৭তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস

১৯৭১ সালে আজ থেকে ৪৬ বছর আগে এই দিনে আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটেছিল বাঙালির সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের। হানাদার বাহিনীর কবল থেকে মাতৃভূমিকে মুক্ত করতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন।

জাতির পিতার ডাকে সাড়া দিয়ে পাকিস্তানি শোষকের হাত থেকে প্রিয় মাতৃভূমিকে মুক্ত করতে রণাঙ্গনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন বাংলার জনগণ। শুরু হয়েছিল সর্বাত্মক জনযুদ্ধ। দীর্ঘ নয় মাসের সেই রক্তক্ষয়ী জনযুদ্ধের সফল পরিণতিতে বিশ্বের বুকে জন্ম নিয়েছিল একটি নতুন রাষ্ট্র, আমরা পেয়েছিলাম স্বাধীন-সার্বভৌম প্রিয় বাংলাদেশ।

আজ সারাদেশে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হচ্ছে। যে জাতি স্বাধীনতার জন্য এত রক্ত, এত জীবন দান করতে জানে স্বাধীনতা উদযাপন কেবল তাদেরই মানায়।

স্বাধীনতা অর্জন না করলে আজকে ধর্ম-কর্ম, সুষ্ঠু জীবন যাপন, স্বাধীন জীবিকা নির্বাহ, স্বাভাবিক জীবন যাপন এবং আত্মপরিচয় লাভ কিছুই সম্ভব হত না।

সবার আগে দেশ বড়। আমরা যেন এই সত্যকে ভুলে না যাই। অসীম আত্মত্যাগের বিনিময়ে যে স্বাধীনতা অর্জন আমরা যাতে সেই স্বাধীনতার মান রাখতে পারি।

মহান এই স্বাধীনতা অর্জনে যাঁরা শহীদ হয়েছেন সকল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই এবং তাঁদের পারলৌকিক সদগতি কামনা করছি।

বেঁচে থাকা আহত সকল মুক্তিযোদ্ধাদের সুস্থতা কামনা করছি।

বেঁচে থাকা সুস্থ সকল মুক্তিযোদ্ধাদের নিরোগ দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

বেঁচে থাকা অবহেলিত মানবেতর জীবন যাপনকারী সকল মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি আমাদের অক্ষমতার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

কোন অবস্থাতেই মুক্তিযোদ্ধা নন অথচ মিথ্যাচার এবং প্রতারনার আশ্রয়ে মুক্তিযোদ্ধা সেজে আছেন কিংবা স্বাধীনতা যুদ্ধে বিতর্কিত ভূমিকা রেখেও বিবেককে ফাকি দিয়ে দিব্যি সুবিধা ভোগ করছেন সেই নির্লজ্জদের প্রতি শুধু লজ্জাই রইল।

জয়তু বাংলাদেশ

বাংলাদেশ চিরজীবি হউক।

প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু

আমাদের রামু ডটকমের সম্পাদক