কক্সবাজার হানাদারমুক্ত দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা: ৭১এর গৌরবময় স্মৃতি ধরে রাখতে কক্সবাজারে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণ করতে হবে

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় স্মৃতি ধরে রাখতে কক্সবাজারে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণ করতে হবে। ৭১ এর চেতনার ভিত্তিতে দেশ গড়তে হলে পাঠ্যপুস্তকসহ সমাজের সকল স্তর থেকে সাম্প্রদায়িকতা দূর করতে হবে। প্রণয়ন করতে হবে একই ধারার বিজ্ঞান ভিত্তিক শিক্ষানীতি।

মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে কক্সবাজার পাবলিক লাইব্রেরির শহীদ দৌলত ময়দানে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কক্সবাজার জেলা সংসদ আয়োজিত ‘‘কক্সবাজার হানাদারমুক্ত দিবস’’ এর আলোচনা সভায় বক্তারা এ কথা বলেন।

বক্তারা বলেন, দেশে প্রশ্নপত্র ফাঁসের হিড়িক পড়েছে। পরীক্ষার আগেই সব স্তরের সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে করে দেওয়া হচ্ছে। নানা তালবাহানায় ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিকল্পিত ভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে এই প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যত।

কক্সবাজার জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি অর্পন বড়ুয়ার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক পাভেল দাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ‘‘কক্সবাজার হানাদারমুক্ত দিবস’’ এর আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন একাত্তরের জয় বাংলা বাহিনী কক্সবাজারের প্রধান বীর মুক্তিযোদ্ধা কামাল হোসেন চৌধুরী, আর্ন্তজাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের সরকার পক্ষের অন্যতম রাজসাক্ষী সাবেক ছাত্র ইউনিয়ন নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী নুরুল আবছার, সাবেক ছাত্র ইউনিয়ন নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা রাখাল চক্রবর্তী।

এতে বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক শয়ন কান্তি বিশ্বাস, শহর ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি শুভজিৎ রুদ্র, সাধারণ সম্পাদক তনয় দাশ, রামু উপজেলা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি জয় বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক আবদুল মান্নান প্রমূখ। অনুষ্ঠানে ছাত্র ইউনিয়ন নেতা ইকরামুল হক বাবু, সিপ্ত বড়ুয়া, আরিফুল ইসলাম নয়ন, মোস্তাক আহাম্মদ, আপন, নোমানসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ‘‘কক্সবাজার হানাদারমুক্ত দিবস’’ এর কর্মসূচি। পরে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা কক্সবাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় কক্সবাজার পাবলিক লাইব্রেরির শহীদ দৌলত ময়দানে এসে শেষ হয়।

আলোচনা সভা শেষে ছাত্র ইউনিয়নের সাংস্কৃতিক বিভাগ জেলা সাংস্কৃতিক ইউনিয়ন, জেলা উদীচী’র শিল্পীরা মুক্তিযুদ্ধের কালজয়ী গণসংগীত পরিবেশন করেন। আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তি অঙ্গন ‘শ্রুতি’।