বিএনপির সংবাদ সম্মেলনে চকরিয়া পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি নেতা-কর্মীদের ঘরে পুলিশের হানা ও প্রচার কাজে বাঁধা সৃষ্ঠির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি, চকরিয়া।
কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীর নেতা-কর্মীর ঘরে পুলিশের হানা ও প্রচারকাজে বাঁধা সৃষ্ঠির অভিযোগ উঠেছে।

রোববার দুপুরে চকরিয়া উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ করেন উপজেলা বিএনপির নেতারা।

লিখিত বক্তব্যে চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, শনিবার দিবাগত রাতে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নাজেম উদ্দিন, ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান ও জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি কাউন্সিলর প্রার্থী মো. সেলিম উদ্দিনের বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। এ সময় বিএনপি নেতা আবদুর রহমানের বাড়ির দরজা ভেঙ্গে দিয়েছে পুলিশ সদস্যরা। নির্বাচন থেকে দূরে সরে যেতে নেতাদের হুমকি-ধমকি দেখানো হয়েছে।

মিজানুর রহমান চৌধুরী আরও বলেন, বিএনপি প্রার্থী নুরুল ইসলাম হায়দারের স্ত্রী রিফাত সাবরিনা রোববার সকালে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় আওয়ামীলীগের প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকেরা শারিরীকভাবে লাঞ্চিত ও গালাগালি করেন। এ সময় তাঁর হাতে থাকা ধানের শীষ প্রতীকটি ছুঁড়ে ফেলে দেন তাঁরা। এবিষয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মনোনীত মেয়র প্রার্থী নুরুল ইসলাম হায়দার, কক্সবাজার জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এনামুল হক, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোবারক আলী, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম আবুল হাসেম, বিএনপি নেতা নুরুল আবছার প্রমুখ।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নুরুল ইসলাম হায়দার বলেন, ‘আমরা আচরণবিধি মেনেই নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু সরকারি দলের প্রার্থী প্রতিনিয়ত নির্বাচন আচরণবিধি ভঙ্গ করছেন। রাত ১২ টা পর্যন্ত মোটর সাইকেল শোভাযাত্রার মাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছেন।’

তবে আওয়ামীলীগের মনোনীত মেয়রপ্রার্থী আলমগীর চৌধুরী বিএনপির সংবাদ সম্মেলনে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে বিএনপির প্রার্থী পাগলের প্রলাপ বকছেন। এসব ষড়যন্ত্র না করে ভোটের মাঠে লড়তে তিনি বিএনপি প্রার্থীর প্রতি আহ্বানও জানান।

জানতে চাইলে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম খাঁন আমাদের রামুকে বলেন, ‘পুলিশ ওয়ারেন্ট তামিল করতে গেছে। সেটি বিএনপির নেতা-কর্মীর বাড়ি হোক, আর অন্য কারও বাড়ি হোক পুলিশ অভিযান চালাবেই। যতই অভিযোগ করুক, সন্ত্রাসী-নাশকতাকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।’