কক্সবাজার জেলা পরিষদ নির্বাচন: চেয়ারম্যান পদে দু’জন, সংরক্ষিত ও সাধারণ পদে ৯১জনের মনোনয়ন দাখিল

হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী :
আসন্ন কক্সবাজার জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য ৯৩জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে দু’জন, সংরক্ষিত ২০ ও সাধারণ সদস্য পদে ৭১জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে জেলা প্রশাসক ও জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন প্রার্থীরা।

চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান জেলা পরিষদ প্রশাসক মোস্তাক আহমদ চৌধুরী ও জাতীয় পাটি (জে-পি)’র কেন্দ্রীয় নেতা এ.এইচ সালাউদ্দিন মাহমুদ ছাড়া আর কেউ প্রার্থী হননি। মোস্তাক আহমদ চৌধুরী জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোজাম্মেলন হোছাইনকে নিজের মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এসময় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এড.সিরাজুল মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান, সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, আবদুর রহমান বদি ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এড.ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

১ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মশরফা জান্নাত, শিরীন ফরজানা ও প্রীতি কণা শর্মা।
২ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মোছাম্মদ উম্মে কুলসুম, আসমা উল হোসনা, সৈয়দা নিঘাত আমিন, মর্জিনা বেগম ও জাহানারা পারভীন। ৩ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডে শাহানা বেগম, রেহেনা খানম, ফিরোজা বেগম, লুৎফুন্নাহার ও আনোয়ারা বেগম।
৪ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডে হামিদা তাহের, রোমেনা আক্তার, শাহেনা আকতার ও তাহমিনা চৌধুরী লুনা।
৫ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডে সনজিদা বেগম, আশরাফ জাহান কাজল ও আশরাফুন নেছা রিপা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার লক্ষে নিজেদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

অন্যদিকে

১ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ডে মো: জাহেদুল ইসলাম ফরহাদ, মনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী (মুকুল), আহামদ উল্লাহ ও মিজানুর রহমান।
২ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ডে মুঃ কামাল উদ্দীন, মোহাম্মদ ইকবাল চৌধুরী, মোঃ রুহুল আমিন, লুৎফুর রহমান ও জাফর আলম।
৩ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ডে মোস্তফা আনোয়ার, আনোয়ার পাশা চৌধুরী, সিরাজ মিয়া, মুহাম্মদ আইয়ুবুর রহমান, শহিদুল ইসলাম মুন্না ও আজিজুল হক (আজিজ)।
৪ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ডে রিয়াজ খান রাজু, জাহাংঙ্গীর আলম, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, এস.এম.গিয়াস উদ্দিন, এ.টি.এম জায়েদ মোর্শেদ, মোঃ ইকবাল, আবুল কাশেম, মোঃ তারেক ছিদ্দিকী, মেহেদী হাসান ও আবু হেনা মোস্তফা কামাল।
৫ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ডে জহির হোছাইন, কমরুউদ্দিন আহমদ চৌধুরী, মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা, এ.টি.এম.জিয়াউদ্দীন চৌধুরী জিয়া, ফিরোজ আহমদ চৌধুরী, এস.এম. জাহাঙ্গীর আলম বুলবুল ও মাহবুব রহমান।
৬ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ডে এম আজিজুর রহিম, মোঃ আবু তৈয়ব, আকতার আহমদ ও নুরুল আমিন চৌং।
৭ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ডে জাহেদুল ইসলাম, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, আবদুর রহিম, মোজাফ্ফর হোসেন পটু, খলিলুর রহমান ও মোহাম্মদ ওয়ালিদ।
৮ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ডে মোঃ শাহনেওয়াজ তালুকদার, মোক্তার আহাম্মদ চৌধুরী, আ.ন.ম. আমিনুল এহেছান, মোহাম্মদ ওমর ফারুক ও সোলতান আহামদ।
৯ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ডে মোঃ আরিফুল ইসলাম, মোঃ জুনায়েদ কবির, সোহেল জাহান চৌধুরী, মিজানুল হক, আজিজুর রহমান ও মঞ্জুরুল হক চৌধুরী।
১০ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ডে মোঃ নুরুজ্জামান, উজ্জল কর, শামসুল আলম, রফিক উদ্দীন, মাহমুদুল করিম ও মোঃ রুহুল আমিন।
১১ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ডে শামশুল আলম মন্ডল ও পলক বড়ুয়া আপ্পু।
১২ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ডে মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহ ও শামসুল আলম।
১৩ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ডে নুরুল হক, আবদুর রহিম ও রহামত উল্লাহ।
১৪ নম্বর ওয়ার্ডে হুমায়ুন কবির চৌধুরী, মোঃ খাইরুল আমিন ও খোরশিদা বেগম।
১৫ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ডে মোহাম্মদ শফিক মিয়া ও জহির হোসেন নিজেদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোজাম্মেল হোছাইন এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আগামী শনিবার ও রবিবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১১ ডিসেম্বর এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ১২ ডিসেম্বর।

জেলা পরিষদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি (জেপি) ছাড়া অন্য কোন দল নির্বাচনে অংশ নেয়নি। তবে, মঙ্গল পার্টির চেয়ারম্যান জগদীশ বড়ুয়া পার্থ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার কথা ঘোষণা দিলেও শেষ মুহুর্তে এসে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি। এ ব্যাপারে মঙ্গল পার্টির চেয়ারম্যান জগদীশ বড়ুয়া পার্থ অভিযোগে বলেন, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময়ের কিছু আগে আমি জেলা নির্বাচন অফিসে গেলেও অজ্ঞাত কারণে আমার মনোনয়নপত্র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা গ্রহন করেননি। একই অভিযোগ একজন সংরক্ষিত নারী সদস্যদের মনোনয়ন প্রত্যাশী মরিয়ম বেগম ও সাধারণ ১১নং ওয়ার্ডে সদস্য পদ প্রত্যাশী মোঃ রাসেলের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

তাঁদের এ অভিযোগ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোজাম্মেল হোছাইন অস্বীকার করে বলেন, নির্ধারিত সময়ের বাইরে আমরা কারো কাছ থেকে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করিনি।