কুয়েত নৃত্যের তালে দর্শক মাতিয়ে চলেছেন ক্ষুদে শিল্পী মেঘা বড়ুয়া

সুমন রাজ:
বাংলাদেশ চট্রগ্রাম রাউজান গহিরা গ্রামের বর্তমান কুয়েত প্রবাসী বিশিষ্ট সংগঠক বাবু অশোক বড়য়া,ও উর্মি বড়ুয়া,র একমাত্র মেয়ে মেঘা।বয়স টা আট ছুয়েছে।ক্লাস থ্রী তে পড়ে। আদর পাগল মেঘা ঘুঙুরের রিনি ঝিনিতে ইন্দ্রজাল তৈরী করে কুয়েত অনুষ্টিত বাংলাদেশী সাংস্কৃতিক অঙ্গনে দর্শক মাতিয়ে চলছে নিয়ত।

দেশত্ববোধক,বাংলার ঐতিহ্য সংস্কৃতিতে ক্ষুদে শিল্পী মেঘা বড়ুয়ার নৃত্য করতে ভালো লাগে বলে জানান।ভারতের বিখ্যাত নৃত্য শিল্পী তানিমা দাস গুপ্তার কাছে মেঘা বড়ুয়া নিয়মিত শিখছে নৃত্যর নিত্য নতুন কলা কৌশল।বাংলাদেশ দূতাবাস কুয়েত আয়োজিত ও কুয়েত প্রবাসে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের ব্যানারে মেঘা বড়ুয়ার নিয়মিত পরিবেশনা মুগ্ধ করছে প্রবাসীদের।

সম্প্রতি ২৫ শে নভেম্বর ২০১৬ বিজয়া উদযাপন পরিষদ কুয়েত আয়োজিত খাইতানস্হ “কারমেল স্কুলের”অডিটোরিয়ামে কুয়েত নিয়োজিত বাংলাদেশের মান্যবর রাষ্টদৃত “আবুল কালামের উপস্হিতিতে মেঘা বড়ুয়ার একক ও দলীয় নৃত্য পরিবেশনা উপস্হিত হাজার দর্শকের করতালীতে মুখরিত হয়ে ওঠে স্কুলের অডিটোরিয়াম।বাবা পাগল মেয়ে, চঞ্চলা মেঘার কাছে জানতে চাইলাম এতো মানুষের ভীরে নাচতে ভয় লাগে না – মুচকি হেঁসে বললো – প্রথমে ভয় লাগে, পরে সবাই যখন করতালি দে খুব ভালো লাগে।

প্রবাসের মাটিতে দেশীয় সংস্কৃতিক মেঘার নান্দনিক নৃত্য দেশপ্রেমের বার্তা সকল প্রবাসীদের জাগ্রত করে দে।
কবির ভাষায় –
“যুগে,যুগে কালে, কালে সুরে, সুরে-
তালে, তালে ওমরু বাজাও জলদমন্দ্র হে
নমো, নমো, নমো – তোমার নৃত্য অমিত বিও
ভরুক চিও মম।