সর্বশেষ সংবাদঃ

ছড়া ও কবিতা

নঈম আল ইস্পাহানের কবিতা

তোমার জন্য ভালোবাসা: তোমায় ভেবে হাজারো নিদ্রা নির্ঘুম থাকতে পারি, বিশ্রামগ্রহণ করবোনা কখনো,তবুও চোখের পলক নাড়ি। মনের সাথে মন মিলিয়ে মাইলফলক ছোতে পারি, ভালোবাসি খুব,সহজ,সরল তুমি রূপসী সুন্দরি নারী! তুমি আমার,শুধুই আমার বুকের অন্তরালে যার বাস, তোমাকে হারালে বাঁচবনা তা নই,হবে বিরাট সর্বনাশ। যেভাবেই হোক তোমায় পাবো,মানবোনা সামাজিক কোন বাধা, মৃত্যু আসুক বা ধবংস করে দিক যদিও কাফনের রঙ হবে ...

বিস্তারিত »

তৌহিদুল ইসলাম রবিনের কবিতা

সৌভাগ্য কড়া নাড়েনা দরজায়: দূর্ভাগার দুয়ারে সৌভাগ্যের কড়া নাড়ানো হয়নি কখনো! একবার তো একটা সাদা কবুতর বন্ধুকের গুলির আঘাতে রক্তাক্ত হয়ে আমার দরজায় এসে পড়েছিলো। আমি কড়া নাড়ার শব্দ ভেবে দৌঁড়ে গিয়ে দরজা খুললাম। তাজা লাল রক্ত দেখে নিজের বাকশক্তি হারিয়ে ফেললাম। এখন শব্দ পেলেই আতংকে কেঁপে উঠি। দূর্ভাগার দুয়ারে সৌভাগ্যের কড়া নাড়ানো হয়নি কখনো! এরপর অনেকবার দরজা খুলে বুক ...

বিস্তারিত »

মুহাম্মাদ আমানুল্লাহ-এর কবিতাগুচ্ছ

যমজআঁধার তোমার কোমল হাত ছুঁয়ে গেছে ভোরের বাতাস, দুপুরের রোদ―সন্তর্পণে একা, তোমার অলকদাম ছড়িয়েছে বৈধব্য বিষাদ গান, বেহালা বিজনসুর; বিপন্নবৈষ্ণব এক গেরুয়া আঁচল তার খুঁজে ফিরে মৃত্তিকার মুখ―সায়াহ্নে নদীর তীর দূর অরণ্যের বাঁয়ে দুই চোখ তার। কী মধুর সুরে যাদুর ছোঁয়ায় এঁকে গেছো তুমি দিন ও রাতের মুখ, কেউ কি দেখেছে এই রুপোর চাঁদোয়া―বনপোড়া হরিণীর আদিমঅভিসার! আমিও মানুষ―ইচ্ছের ফানুসে উড়ে ...

বিস্তারিত »

শহিদ রাসেলের কবিতা

জনপ্রিয়তা! ভাড়া করা দলবলে করতালি জোর পদক-সম্মাননায় হয়ে থাকে ঘোর রাতভর নির্ঘুমে, দুর্নীতির খসড়া কষে বেলা করেই শুরু হয় জনদরদি নেতার(!) ভোর হাতের দু’পাশে তার ভক্ত-তোষামুদে চলার পথে-রথে, ঠিক করা লোক থাকে তারা দেয় ফুল, ধরে স্লোগান, বলে ‘ভাইকে দিয়েই কেবল হবে’ দখলে-টেন্ডারে, গুলাগুলির হিড়িক পড়ে ভাইয়ের জন্য প্রাণ দিতে তৈরি প্লাটুন ন্যুনতম ক্ষমতার অনন্য প্রয়োগে সাধারণের সর্বস্ব লুটে একধাপ ...

বিস্তারিত »

জয়ন্ত জিল্লু’র গুচ্ছ কবিতা

স্বীকারোক্তি তেপান্ন পৃষ্ঠার গল্পকে সেদিন আমি উপন্যাস বলেছি, কবির কথাকে বলেছি কবিতা। আজ দেহের নদীকে বলেছি চোখ। ছিয়াশি সালের শিশুটিকে এখন জিল্লুই ভাবি। বাল্যবিবাহের শিকার শিরিন আক্তারকে বলি মা। যা কিছু দিয়ে হাঁটি তাকে গতকালও তো পা বলেছি। দেহের কালো রঙের পাহাড়কে বলেছি চুল। নিতান্ত বেঁচে থাকাকেই জীবন বলেছি, বাকিটুকু হয়তো মৃত্যু। যা খেয়ে এসেছি তাকে খাদ্য বলেছি, ছেড়ে দেওয়াটাকে ...

বিস্তারিত »

কালাম আজাদ’র কবিতাগুচ্ছ

  মনোনগর: নদী ও নারী এক হতে দেখি না আর, নগর ও নারী গেড়েছে ঐকিক সভ্যতা। নগরে ঘ্রাণ নেই, থাকবে কী আর নারীর মনোনগর হতে ওই দু’নিয়ামককে তালাক দিয়েছি বহু আগেই তাই, এক বাক্যে বলতে পারি বিষাদীয় শূণ্যতার মাঝেও আছি বেশ এভাবে কাটাবো চিরায়ত সময়-মহাকাল একদিন নারী ও নগরীর নগ্নতা নস্যাৎ করে ঠিকই বিনির্মাণ করবো সুন্দর প্রাণময় বিশ্বায়ন বিশ্ববুকে এঁকে ...

বিস্তারিত »

খালেদ মাহবুব মোর্শেদের কবিতা

অখ্যাত গ্রাম নয় মেরংলোয়া: বিধাতার নামে বিক্রি হয় মূলাবাদী অষুধের মিহি শিশি তারই উছিলায় ঠগবাজ-প্রতারক-পীর-সাধু মিশামিশি বিধাতার নাম করে পুড়ে তারই ঘর বেশুমার গুড়ো হয় মনুষ্য-অন্তর মানবিকতার খরাদীর্ণ রোদে বিধা তাই কাঁদে ঝরঝর পুণ্যভূমি মেরংলোয়া ভস্ম-গ্রামে বাংলাদেশ কাঁদছে অঝোর পোড়া প্যাগোডার থামে মাথা ঠেকিয়েছে বিধা বড়ুয়ার বয়েসী শ্বশুর বিধাতা বেদম নয়, অধম দমের শিশু বোধহীন, মানুষই অসুর দানবিক দোপেয়ের দায়ী ...

বিস্তারিত »

নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-এর কবিতা

তরঙ্গিনী: যেদিন কেউ সমুদ্রে গিয়েছিলো অনেকদিন আগে- একটা ঢেউয়ের সাথে লাফিয়ে এসে সমুদ্রটা কেমন করে যেনো তার বুকের ভিতর ঢুকে গিয়েছিলো। সেই সমুদ্র চিরদিন কান্না হয়ে উথালপাথাল- আর ছাড়ে না। যখন একটা শঙ্খও ছিলো না, পিতলের গ্লাস কানে চেপে ধরে শুনতো শোঁ শোঁ সমুদ্রের স্বর, কানের ভিতর। এখন বুকের ভিতর সমুদ্র নিয়ে- গলায় আটকে থাকা ঢেউ নিয়ে- কেমন করে কবিতা ...

বিস্তারিত »

মানবতাই হউক আমাদের ধর্ম

তৌহিদুল ইসলাম রবিন: ‌আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী ‘পরে, সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে মোরা পরের তরে’। কামিনী রায়ের লেখার মতো আসলেই কি আমরা প্রত্যেকে পরের তরে? না, আসলে মনুষ্যত্ব হারিয়ে যাচ্ছে সৃষ্টির সেরা মানুষের মন থেকে; নিদারুণ নিষ্ঠুরতায়! এখন কেউ শুনেও শুনতে পায় না কান্নার আহাজারি। সবাই যেনো নীরব দর্শকের মতো দাঁড়িয়ে দেখা ছাড়া আর কিছুই ...

বিস্তারিত »

প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষুর কবিতা

কিছু প্রশ্ন: জীবনে তুমি যারে করেছ অপমান, মরণে তারে তুমি দিতে চাও কেন সম্মান? জীবনে তুমি যারে দিয়েছ শুধুই জ্বালা, মরণে তারে তুমি দিতে যাও কেন মালা? জীবনে তুমি যারে করেছ পথভ্রষ্ট, মরণে তার দেখাও কেন বুকের কষ্ট? জীবনে যার প্রতি ছিলে তুমি পাষাণ, মরণে তার কাঁদে কেন তোমার পরাণ? জীবনে তুমি করেছ যার বদনাম, মরণে তার গাও কেন জয়গান? ...

বিস্তারিত »