সর্বশেষ সংবাদঃ

ছড়া ও কবিতা

তাপস মল্লিকের কবিতা

কেবল মানুষ: মানুষ ভাঙ্গার স্বপ্ন শুনি, পাথর ভাঙ্গার শব্দে ভাঙছে সমাজ, অক্সিজেন ঋণগ্রস্থ মানুষের, বিবেকের প্রেম ও প্রতিদানে লজ্জিত বৃক্ষ, মেকি আলোয় ঝলমল সভ্যতা, মদের গেলাসে আটক সমাজ বাস্তবতা, মূলত বাস্তবতার কোন যাদু থাকেনা, খড়ের ঘরের বয়েসি চালায় পাকা লউ, সাজ বেলায় গরুর হাম্বা-হাম্বা ডাক, ভোর মোরগের চিৎকার, আজো গ্রামের প্রতীক। সংখ্যায় লক্ষ-কোটি-একটি শব্দে নামকরণ মানুষ, মানুষ দেশ বানায় রাষ্ট্র ...

বিস্তারিত »

তাপস মল্লিকের কবিতা

লও শপথ মাথার উপরে অর্ধেক চাঁদ অপেক্ষা করুন, একদিন চাঁদ পুরোটা হবে, রাষ্ট্র বুঝবে জনতার ভাষা, অপেক্ষা করুন রাষ্ট্র একদিন জনতার হবে। মানুষ মিলবে মানুষের সাথে ঝড় বাদল-শ্লোগান মিছিল মালিক কাঁপবে, দীপ্ত কন্ঠে দিনমজুর ভাঙবে বাঁধা রাষ্ট্রযন্ত্র এই মিছিল। হাসি আর গান ক্ষুধামুক্ত প্রাণ মানুষের জয় হবে নিশ্চয় সাম্যের গান-মুখরিত প্রাণ- লও শপথ লও শপথ লও শপথ লও শপথ। সামনে ...

বিস্তারিত »

শিপ্ত বড়ুয়ার কবিতা

মৃত্যু আমাকে,তোদেরকে,তোমাদেরকে,আপনাদেরকে মৃত্যুর স্পর্শগুলো চরম স্পর্ধা দেখালো। ন্যানো সেকেন্ড মিনিট হয়ে উঠবে না, শব্দ, বাক্যগুলো লাইন হয়ে আর আসবে না। নেই নেই করা গল্পের আগেই আমি লাশ, শত্রুর বুলেট অথবা ধারালো চাপাতির আঘাত। সবার মোবাইল আর্তনাদধ্বনিতে বেজে উঠছে, একে অপরকে জানাচ্ছে, আমার বেঁচে যাওয়া। মানুষের মুখে মুখে আমার ভালো-খারাপের অক্ষরগুলো চরিত্র হয়ে উঠবে। হয়ত কেউ গল্প রটাবে, কিন্তু আমি শুধুই ...

বিস্তারিত »

মোঃ দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়ার কবিতা

মৃত্যুর পর শূন্য হাত দুনিয়ার বুকে স্থাপিত সকল কিছুর দাবিদার, মৃত্যুর পর কোন কিছু থাকবেনা যে তার ৷ অাছে যত ধন-দৌলত অট্টালিকা রাজ প্রাসাদ, পরকালে শূন্য হাত থাকবেনা কিছু তার ৷ মৃত্যুর অাগে বলে মানুষ সকল কিছুই তার, অাখিরাতে অামল ছাড়া থাকবেনা কোন কিছু অার ৷ মিছে এই দুনিয়া মিছে মায়া কোথায় পাবো শান্তির ছায়া, এতো শক্তি সম্পদ অট্টালিকা খাড়া ...

বিস্তারিত »

নঈম আল ইস্পাহানের কবিতা

ফিরে এসো তুমি কি কখনো ভেবেছিলে? একদিন আমাকে তোমার পথ চেয়ে থাকতে হবে! তুমি কি বুঝোনা কতোটা নিষ্ঠুর হয়েছো, আগের মত নেই একটু ও বদলেছে তোমার পথচলা। সখী,আমি আগের মতই তো আছি। অশ্রুজলের সাথে মিলেমিশে কষ্টে বাঁচি! বিশ্বাস করো একটুও ভালো নেই সকালগুলো, বিশ্বাস করো নিঃশ্বাসে হাহাকার সন্ধ্যে ঘুড়ি। তুমি আসোনা ফিরে,তুমি আসোনা ফিরে; আমার সবটুকু মায়া শুধু তোমায় ঘিরে!

বিস্তারিত »

ভাগ্যধন বড়ুয়ার কবিতা

পটাচারা সুখপর্ব সুখের লাগিয়া ঘর ছেড়েছি আষাঢ়ে শ্রাবস্তী নগর ফেলে কুঠিরে বাসর অজানা চুম্বক টানে প্রণয়ের পথে হেসে খেলে রোদে-শীতে মধুকাল পার শোকপর্ব অবশেষে শূন্য হাত চোখে শূন্য ঘর পটাচারা খরস্রোতে বানে ভাসা খড় শোকের প্রাবল্য বুকে, বাজপাখির টোকা বাকিটা কেড়েছে নদী; পাঁজরের পাড়

বিস্তারিত »

রুবেল সরকারের কবিতা

সমীকরণ তোমাকে তোমার কাছে রেখে সাঁতরে গিয়েছে ব্যথা-সময় অকারণ ডুবের খেয়ালে, কথা ঘুম-কথা জেগে রয়। কী এক শ্বাসের তরবারি হাওয়ার মিনতি কাটে রোজ! আমাকে আমার মাঝে রেখে ক’রে যাই দ্বিঘাতের খোঁজ। এবার ঝুমুর হ’য়ে বাজো আর’বার উড়ে যেও রাধা; তোমাকে আমার কাছে রেখে পাবে দেখো ঘাটে নদী বাধা।

বিস্তারিত »

প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষুর কবিতা

মার্চ ও বঙ্গবন্ধু আকাশে-বাতাসে ভেসে বেড়ায় আজো তোমার সেই বজ্রধ্বনি, আমরা খোঁজে পাই প্রতিবাদের ভাষা তুমি আজো আমাদের চলার পথের দিশারী। লোকে তোমায় বলতে শুনি তুমি জাতির পিতা তুমি বঙ্গবন্ধু, আমি শুধু একটা কথাই বুঝি বাংলাদেশের অপর নাম শেখ মুজিবুর রহমান। উত্তাল মার্চ অগ্নিঝরা মার্চ বিশ্ববিবেক নাড়ানো গণহত্যার একটি মাস, মার্চ শেখায় আজো যদি লড়তে পার সকল অন্যায়-অবিচার শোষণ-বঞ্চনার হবেই ...

বিস্তারিত »

লিটন বড়ুয়ার দু’টি কবিতা

মৃত্যু মানুষের গর্ভে জন্ম নিয়ে বুঝেছি কতখানি মৃত্যু বিলাসী আমি। বিস্তৃত পৃথিবী জুড়ে মৃত্যুর বিস্তৃত দুর্গ। দুর্গম পাহাড়ের খাঁদে দাঁড়িয়ে কোন প্রাণী টের পাই না মৃত্যুর পূর্ব-পশ্চিম কিংবা উত্তর-দক্ষিণ । অথচ জল-পোঁকার মতন আমি হেঁটে বেড়াই মৃত্যু-নদীর জলে অথচ নিঃসঙ্গ শৈবালের মতন আমি ডুবে থাকি মৃত্যুর তলদেশে। একদিন ঘরে ফিরে দেখি- প্রিয়তমার পাশে শুয়ে আছে মৃত্যু ঘুমন্ত সন্তানের পাশে শুয়ে ...

বিস্তারিত »

প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষুর কবিতা

স্বাধীনতা কারে বলে? এখনও কেউ সত্য বললে তাকে গলা টিপে মারতে চায় সত্য লিখলে হাতের কব্জি কেটে নিতে উদ্যত হয়। এ কেমন স্বাধীনতা ? এখনও অনেকের নুন আনতে পান্তা ফুরায় হাসপাতালে দালালী থানায় দালালী আদালতে দালালী শিক্ষালয়ে দালালী সবখানে দালালের উৎপাত এ কেমন স্বাধীনতা ? এখনও শিক্ষাঙ্গনে লাশ পড়ে রাজপথ রক্তে রঞ্জিত হয় দিবানিশি কাটে প্রাণ সংকটে এ কেমন স্বাধীনতা ...

বিস্তারিত »