সর্বশেষ সংবাদঃ

গল্প

জোছনার নিঃসঙ্গতা

গাজী সাইফুল: বেশ গোলগাল চেহারার, ড্যাব ড্যাবে টানা টানা চোখ, পরনে নীল শাড়ি, ফুল হাতা ব্লাউজ আর কপালের মাঝ সিঁথি জুড়ে লাল গাঢ় সিঁদুর, মেয়েলি একটি অবয়ব বেশ কিছুক্ষণ হল বেডরুমের বিশাল আয়নাটির সামনে দাঁড়িয়ে আছে।কৌতুহল নিয়ে আয়নার সেই স্বচ্ছ প্রতিচ্ছবিতে নিজেকে ইনিয়ে বিনিয়ে দেখছে। আয়নায় নিজেকে তার দেখার ধরণ দেখে মনে হচ্ছে এর আগে এ নারী কোনদিন নিজেকে দেখেনি। ...

বিস্তারিত »

ভালোবাসার বেলকনিতে

নঈম আল ইস্পাহান: আমি তাকে প্রথমবার দেখেছিলাম এক কাক ডাকা গ্রীষ্মের দুপুরে।স্কুল ড্রেস পরা এক শান্তশিষ্ট,কোমল চেহারার মেয়ে।প্রথম দেখাতে তাকে আমার তেমন একটা ভালো লাগেনি।মনে হয়েছিল,ইশ!আরেকটু সুন্দরী হলে কি এমন হত?আরেকটু হ্যাংলা হলে কি ভালো হতনা?আমার মনে হয়েছিল এই মেয়েকে ভালোবাসা যাবেনা।আমার মনের সাথে একটু ও মিল নেই। কিন্তু,দিন যত যায় আমার বুকের ভেতর তার জন্য এক ধরণের হাহাকার বাড়তে ...

বিস্তারিত »

শুভ জন্মদিন “বন্ধু”

নঈম আল ইস্পাহান: আমি আর ইমু।কখনো আমাদের তৃতীয় কাউকে প্রয়োজন হয়নি।স্কুল ছুটি হলেই দুজন টু,টু করতে বের হয়ে যেতাম।কখনো সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত বাড়ি ফিরতাম না।সারাক্ষণ গলায়,গলায় হাত থাকত দুজনের।দস্যিপনা,ক্রিকেট খেলা,পাহাড়ে ঘুরতে যাওয়া,বিভিন্ন বলিউড নায়িকার রুপের গুণকীর্তন করা একটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল।ক্যাটরিনা সুন্দর,প্রিয়াঙ্কা সুইট,কারিনা ফর্সা এসবই বেশি অালোচনা হত।মাঝে,মাঝে ক্যাটরিনাকে বিশ্রি বললে ইমু রেগে যেত।সেসময় ক্যাটরিনার তুমুল জনপ্রিয়তা ছিল।ইমু ক্যাটরিনাকে মনে ...

বিস্তারিত »

সেলিব্রেটি হওয়ার গল্প

নঈম আল ইস্পাহান: বেশ কিছুদিন ধরে রাকিবা খেয়াল করল একটি ছেলে তাকে বিভিন্নভাবে ফলো করছে।কলেজ যাওয়ার পথে ছেলেটি পিছু,পিছু যায়।ক্যাম্পাসে বন্ধুদের সাথে আড্ডাকালে একটু দূরত্ব বজায় রেখে ছেলেটিকে বসে থাকতে দেখা যায়।শুধু মুচকি হেসে তাকায়।সেদিন রাকিবা শপিং করতে গিয়ে ও ছেলেটিকে আবিষ্কার করে তার পাশের শো-রুমে।দূর থেকে খেয়াল করছে রাকিবা কি করছে,না করছে সব।রাকিবা খুব বিরক্ত হলো।এভাবে কারো পিছু নেয়ার ...

বিস্তারিত »

গ্রীন ক্যাফের ভালবাসা

নঈম আল ইস্পাহান: ফেসবুক আগমনের অনেক আগে।রং নাম্বারের পরিচয়ে মিরা ও কবিরের দীর্ঘদিন মোবাইলে কথা হয়েছে।ভাল বন্ধুত্ব হয়েছে।বন্ধুত্ব থেকে প্রেম।কিন্তু,কেউ কাউকে দেখেনি।না দেখেই দুজন,দুজনকে প্রচন্ড ভালবাসে।কবির দেখা করার জন্য অনেকবার চেষ্টা করেছে।মিরা,রাজি হয়নি।না দেখে প্রেম ভয়ংকর হয়।মনের মানুষটি যদি দেখতে মনের মত না হয় তাহলে সমস্যার শুরু!হয়তো ছেলেটির মেয়েটিকে পছন্দ হয়না।নতুবা মেয়েটির ছেলেটিকে পছন্দ হয়না।পছন্দ না হওয়ার পর ও প্রেম ...

বিস্তারিত »

চলো হারিয়ে যাই

নঈম আল ইস্পাহান: কক্সবাজার মঙ স্যারের কাছে প্রাইভেট পড়তে না গিয়ে রিমি ঠিক করলো আদিবের সাথে দেখা করবে।তাই,আদিবকে আগে থেকে কিছু না জানিয়ে রিমি সরাসরি আদিবদের বাড়ির খুব কাছাকাছি যাত্রী ছাউনিতে এসে আদিবকে ফোন করলো। :হ্যালো!তুমি কোথায়? :-আমি বাড়িতে। :জাষ্ট,ফাইভ মিনিট দিলাম।তাড়াতাড়ি আসো। :-পাঁচ মিনিটে হবেনা।অন্তত,দশ মিনিট লাগবে। :দশ মিনিট কি আমি একা,একা দাঁড়িয়ে থাকব? :-একা কেন হবে।আমি আছি তো।কথা ...

বিস্তারিত »

আদর্শ ফেসবুকারের বৈশিষ্ট্য

নঈম আল ইস্পাহান: *একজন আদর্শ ফেসবুকার দিনে আঠারো ঘন্টা ফেসবুকে এ্যাক্টিভ থাকে।তবে এসময়ে খাওয়া,দাওয়া,স্কুল,কলেজ,ভার্সিটি সব চলে! *একজন আদর্শ ফেসবুকার একসাথে অনেকের সাথে চ্যাট করে।কাউকেই বিমুখ করেনা।তবে মেয়েদের মেসেজের রিপ্লে আগে দেয়,ছেলেদের পরে! *একজন আদর্শ ফেসবুকার হাজার,হাজার লাইক,কমেন্ট পায়।বিনিময়ে তিনি সুন্দরী মেয়েদের ছাড়া কাউকে লাইক,কমেন্টস করেননা! *একজন আদর্শ ফেসবুকার খুব স্টাইলিশ হয়।দিনে অন্তত দুই তিনটে ছবি আপলোড করে।সব মিলিয়ে বছর শেষে ...

বিস্তারিত »

মীর নিশাত তাসনিম তানিয়ার গল্প: দংশন

আগের জন্মে বিষধর একটা কাল নাগিনী ছিলাম আমি। আমার এক ছোবলে প্রাণ হারাতো জীব আর ঈশ্বরেরাও। আমার আশপাশে ঘেঁষতে পারতোনা কোন নরসর্প। গ্রামের পর গ্রাম উজাড় করে দিতাম এক ফোঁটা বিষ ঢেলেই। মৃত্যু নেশায় মাতাল হতাম। সে জন্মে তুমি কৃষাণ ছিলে। তোমার ভালবাসার মানুষ ছিল। তোমাদের চখাচখির এত আদর আর সঙ্গম আমার গায়ে আগুন ধরিয়ে দিত। এক পূর্ণিমার রাতে আমি ...

বিস্তারিত »

এক লক্ষ টাকার প্রেম

নঈম আল ইস্পাহান: বাংলা সিনেমার গরিব নায়ককে কোটিপতি নায়িকার বাবা তার মেয়ের পিছু ছাড়ার জন্য এক লক্ষ টাকার একটি বান্ডিল দিয়ে বলল,এই টাকাটা নাও।আমার মেয়ের পিছু ছাড়ো।কখনো আমার মেয়ের চোখের সামনে আসবেনা।সামনে আসলে আমার মেয়েকে আটকানো যাবেনা।নায়কের টাকাটা খুব দরকার ছিল।সে এতটা গরিব ছিল যে,নায়িকার বাবাকে না করতে পারলনা।নায়িকার ভালবাসার কোন মূল্যই থাকলনা এক লক্ষ টাকার সামনে। এই টাকা দিয়ে ...

বিস্তারিত »

ছুটি

নঈম আল ইস্পাহান: আবিদের সাথে দেখা করতে তার রুমে গেলাম।বিছানায় মানিব্যাগ পড়ে থাকতে দেখে মানিব্যাগ চ্যাক করে দেখলাম ছয়শ ষাট টাকা আছে।আমি ষাট টাকা নিজের পকেটে নিয়ে ভদ্র ছেলের মত বসে রইলাম।আবিদ আসল।এসেই আমার দিকে সন্দেহের চোখে তাকিয়ে তার মানিব্যাগ চ্যাক করে বলল,এখন দিয়ে দে?আমি বললাম,কী দিব?সে বলল,দশ টাকার একটা নোট ছিল।সেটা দিয়ে দে।আমি বললাম,কী?আমি চুরি করেছি?ছি!তাও আবার দশ টাকা? ...

বিস্তারিত »