সর্বশেষ সংবাদঃ

কবিতা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংখ্যালঘুদের উপর আক্রমণের প্রতিক্রিয়ায় কুমার চক্রবর্তীর কবিতা

হোলি গ্রেল: আমি সংখ্যালঘু, কোয়ারান্টিন, মনে রেখো— বিলোপন ছাড়া কিছুই নেই আমার, দেখো শরীর আমার এক কলোসিয়াম: ফাঁকা ফাঁকা আর আক্রমণীয়, প্রত্ন যেখানে রচনা করেছে এক মর্মন্তুদ মুখবন্ধ; কাসান্দ্রা আমাকে সাবধান করেছিল বলেছিল: ওই দর্পণাশ্রিত মুখগুলো তোমাকে একদিন বায়ুকোণে একা রেখে ঠিক ঠিক চলে যাবে তুমি নির্জন হবে, হবে অন্তরিত। সময়কে মোকাবিলা করতে গিয়ে আমি হারিয়েছি আমার স্মৃতিগুলো —যারা একদিন ...

বিস্তারিত »

ভাগ্যধন বড়ুয়ার কবিতা

মায়াপাশ তবু কেন ফিরে চাও? পথে পথে প্রাণের জোয়ার নবীন জরায়ু ছাড়ে সুখের অতল থেকে গাঢ় অন্ধকারে নীরবে প্রতিমা গড়ে দিগন্তরেখায় মানব-প্রচ্ছদে কায়া ভেতরে বিবর্ণ পৃষ্ঠার অনুভূতি বাসের বিষাক্ত ধোঁয়া আচরিত মন কেবল জীবন টানে মরণের ভেলা বেদনার পাড়ে পাড়ে….. মৃত্যুদূত আসে, হাসে দৃষ্টি বিনিময়ে যায় ফিরে এই বেলা বড়ো দেরি পদচিহ্ন আঁকে হাঁটি হাঁটি সাত পা…….. সাতটি পদ্মের বুকে ...

বিস্তারিত »

নঈম আল ইস্পাহানের কবিতা

তোমায় নিয়ে প্রেম কাব্য লিখবোনা: ভেবেছিলাম তোমায় নিয়ে প্রেম কাব্য লিখবোনা, বুকের দগ্ধ দহন কাউকে আমি আর দেখাবোনা। একলা রবো,শান্ত পথিকের মতো বিদঘুটে নগরীতে, নাছোড়বান্দা প্রেমিক কোন তনয়ার পিছু পথের পর পথে। সবাই অস্বীকার করবে,আমি নব্য সভ্যতার বাইরের কেউ, প্রাণনাশক বঙ্গোপসাগরে হিংস্র কাল বৈশাখী ডেউ। বিশ্বাশলেষী এক মুখ ডেকে রাখা সাধু পর্যবেক্ষক, ব্যর্থ প্রেমের কাব্য শিক্ষাদানকারী এক শিক্ষক। আমি তোমাকে ...

বিস্তারিত »

নঈম আল ইস্পাহানের কবিতা

তোমাকে ছাড়া একদিন: তোমাকে ছাড়া একদিন ও আমি থাকতে পারিনা, মনে হয় আমি বেঁচে নেই,নেই অস্তিত্বের ঠিকানা। তোমাকে ছাড়া অর্ধেক দিন ও থাকতে কষ্ট হয়, এই বুঝি মারা যাবো,সারাক্ষণ সে ভয় আর সংশয়। তোমাকে ছাড়া একটি ঘন্টাও আমার কাটেনা; বুকে চিন চিন করে খুব কষ্ট হয়,মন মানেনা। তুমি আমাকে বুঝোনা,বুঝোনা হৃদয়ের তরঙ্গমালা, চাঁদেরকণার সাথে ঘনিষ্ঠ কথোপকথন,করি খেলা। তোমাকে কতোটা ভালোবাসি ...

বিস্তারিত »

নঈম আল ইস্পাহানের কবিতা

তোমার জন্য ভালোবাসা: তোমায় ভেবে হাজারো নিদ্রা নির্ঘুম থাকতে পারি, বিশ্রামগ্রহণ করবোনা কখনো,তবুও চোখের পলক নাড়ি। মনের সাথে মন মিলিয়ে মাইলফলক ছোতে পারি, ভালোবাসি খুব,সহজ,সরল তুমি রূপসী সুন্দরি নারী! তুমি আমার,শুধুই আমার বুকের অন্তরালে যার বাস, তোমাকে হারালে বাঁচবনা তা নই,হবে বিরাট সর্বনাশ। যেভাবেই হোক তোমায় পাবো,মানবোনা সামাজিক কোন বাধা, মৃত্যু আসুক বা ধবংস করে দিক যদিও কাফনের রঙ হবে ...

বিস্তারিত »

তৌহিদুল ইসলাম রবিনের কবিতা

সৌভাগ্য কড়া নাড়েনা দরজায়: দূর্ভাগার দুয়ারে সৌভাগ্যের কড়া নাড়ানো হয়নি কখনো! একবার তো একটা সাদা কবুতর বন্ধুকের গুলির আঘাতে রক্তাক্ত হয়ে আমার দরজায় এসে পড়েছিলো। আমি কড়া নাড়ার শব্দ ভেবে দৌঁড়ে গিয়ে দরজা খুললাম। তাজা লাল রক্ত দেখে নিজের বাকশক্তি হারিয়ে ফেললাম। এখন শব্দ পেলেই আতংকে কেঁপে উঠি। দূর্ভাগার দুয়ারে সৌভাগ্যের কড়া নাড়ানো হয়নি কখনো! এরপর অনেকবার দরজা খুলে বুক ...

বিস্তারিত »

মুহাম্মাদ আমানুল্লাহ-এর কবিতাগুচ্ছ

যমজআঁধার তোমার কোমল হাত ছুঁয়ে গেছে ভোরের বাতাস, দুপুরের রোদ―সন্তর্পণে একা, তোমার অলকদাম ছড়িয়েছে বৈধব্য বিষাদ গান, বেহালা বিজনসুর; বিপন্নবৈষ্ণব এক গেরুয়া আঁচল তার খুঁজে ফিরে মৃত্তিকার মুখ―সায়াহ্নে নদীর তীর দূর অরণ্যের বাঁয়ে দুই চোখ তার। কী মধুর সুরে যাদুর ছোঁয়ায় এঁকে গেছো তুমি দিন ও রাতের মুখ, কেউ কি দেখেছে এই রুপোর চাঁদোয়া―বনপোড়া হরিণীর আদিমঅভিসার! আমিও মানুষ―ইচ্ছের ফানুসে উড়ে ...

বিস্তারিত »

শহিদ রাসেলের কবিতা

জনপ্রিয়তা! ভাড়া করা দলবলে করতালি জোর পদক-সম্মাননায় হয়ে থাকে ঘোর রাতভর নির্ঘুমে, দুর্নীতির খসড়া কষে বেলা করেই শুরু হয় জনদরদি নেতার(!) ভোর হাতের দু’পাশে তার ভক্ত-তোষামুদে চলার পথে-রথে, ঠিক করা লোক থাকে তারা দেয় ফুল, ধরে স্লোগান, বলে ‘ভাইকে দিয়েই কেবল হবে’ দখলে-টেন্ডারে, গুলাগুলির হিড়িক পড়ে ভাইয়ের জন্য প্রাণ দিতে তৈরি প্লাটুন ন্যুনতম ক্ষমতার অনন্য প্রয়োগে সাধারণের সর্বস্ব লুটে একধাপ ...

বিস্তারিত »

জয়ন্ত জিল্লু’র গুচ্ছ কবিতা

স্বীকারোক্তি তেপান্ন পৃষ্ঠার গল্পকে সেদিন আমি উপন্যাস বলেছি, কবির কথাকে বলেছি কবিতা। আজ দেহের নদীকে বলেছি চোখ। ছিয়াশি সালের শিশুটিকে এখন জিল্লুই ভাবি। বাল্যবিবাহের শিকার শিরিন আক্তারকে বলি মা। যা কিছু দিয়ে হাঁটি তাকে গতকালও তো পা বলেছি। দেহের কালো রঙের পাহাড়কে বলেছি চুল। নিতান্ত বেঁচে থাকাকেই জীবন বলেছি, বাকিটুকু হয়তো মৃত্যু। যা খেয়ে এসেছি তাকে খাদ্য বলেছি, ছেড়ে দেওয়াটাকে ...

বিস্তারিত »

কালাম আজাদ’র কবিতাগুচ্ছ

  মনোনগর: নদী ও নারী এক হতে দেখি না আর, নগর ও নারী গেড়েছে ঐকিক সভ্যতা। নগরে ঘ্রাণ নেই, থাকবে কী আর নারীর মনোনগর হতে ওই দু’নিয়ামককে তালাক দিয়েছি বহু আগেই তাই, এক বাক্যে বলতে পারি বিষাদীয় শূণ্যতার মাঝেও আছি বেশ এভাবে কাটাবো চিরায়ত সময়-মহাকাল একদিন নারী ও নগরীর নগ্নতা নস্যাৎ করে ঠিকই বিনির্মাণ করবো সুন্দর প্রাণময় বিশ্বায়ন বিশ্ববুকে এঁকে ...

বিস্তারিত »