সর্বশেষ সংবাদঃ

কবিতা

মোঃ দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়ার কবিতা

মৃত্যুর পর শূন্য হাত দুনিয়ার বুকে স্থাপিত সকল কিছুর দাবিদার, মৃত্যুর পর কোন কিছু থাকবেনা যে তার ৷ অাছে যত ধন-দৌলত অট্টালিকা রাজ প্রাসাদ, পরকালে শূন্য হাত থাকবেনা কিছু তার ৷ মৃত্যুর অাগে বলে মানুষ সকল কিছুই তার, অাখিরাতে অামল ছাড়া থাকবেনা কোন কিছু অার ৷ মিছে এই দুনিয়া মিছে মায়া কোথায় পাবো শান্তির ছায়া, এতো শক্তি সম্পদ অট্টালিকা খাড়া ...

বিস্তারিত »

ভাগ্যধন বড়ুয়ার কবিতা

পটাচারা সুখপর্ব সুখের লাগিয়া ঘর ছেড়েছি আষাঢ়ে শ্রাবস্তী নগর ফেলে কুঠিরে বাসর অজানা চুম্বক টানে প্রণয়ের পথে হেসে খেলে রোদে-শীতে মধুকাল পার শোকপর্ব অবশেষে শূন্য হাত চোখে শূন্য ঘর পটাচারা খরস্রোতে বানে ভাসা খড় শোকের প্রাবল্য বুকে, বাজপাখির টোকা বাকিটা কেড়েছে নদী; পাঁজরের পাড়

বিস্তারিত »

রুবেল সরকারের কবিতা

সমীকরণ তোমাকে তোমার কাছে রেখে সাঁতরে গিয়েছে ব্যথা-সময় অকারণ ডুবের খেয়ালে, কথা ঘুম-কথা জেগে রয়। কী এক শ্বাসের তরবারি হাওয়ার মিনতি কাটে রোজ! আমাকে আমার মাঝে রেখে ক’রে যাই দ্বিঘাতের খোঁজ। এবার ঝুমুর হ’য়ে বাজো আর’বার উড়ে যেও রাধা; তোমাকে আমার কাছে রেখে পাবে দেখো ঘাটে নদী বাধা।

বিস্তারিত »

প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষুর কবিতা

মার্চ ও বঙ্গবন্ধু আকাশে-বাতাসে ভেসে বেড়ায় আজো তোমার সেই বজ্রধ্বনি, আমরা খোঁজে পাই প্রতিবাদের ভাষা তুমি আজো আমাদের চলার পথের দিশারী। লোকে তোমায় বলতে শুনি তুমি জাতির পিতা তুমি বঙ্গবন্ধু, আমি শুধু একটা কথাই বুঝি বাংলাদেশের অপর নাম শেখ মুজিবুর রহমান। উত্তাল মার্চ অগ্নিঝরা মার্চ বিশ্ববিবেক নাড়ানো গণহত্যার একটি মাস, মার্চ শেখায় আজো যদি লড়তে পার সকল অন্যায়-অবিচার শোষণ-বঞ্চনার হবেই ...

বিস্তারিত »

লিটন বড়ুয়ার দু’টি কবিতা

মৃত্যু মানুষের গর্ভে জন্ম নিয়ে বুঝেছি কতখানি মৃত্যু বিলাসী আমি। বিস্তৃত পৃথিবী জুড়ে মৃত্যুর বিস্তৃত দুর্গ। দুর্গম পাহাড়ের খাঁদে দাঁড়িয়ে কোন প্রাণী টের পাই না মৃত্যুর পূর্ব-পশ্চিম কিংবা উত্তর-দক্ষিণ । অথচ জল-পোঁকার মতন আমি হেঁটে বেড়াই মৃত্যু-নদীর জলে অথচ নিঃসঙ্গ শৈবালের মতন আমি ডুবে থাকি মৃত্যুর তলদেশে। একদিন ঘরে ফিরে দেখি- প্রিয়তমার পাশে শুয়ে আছে মৃত্যু ঘুমন্ত সন্তানের পাশে শুয়ে ...

বিস্তারিত »

প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষুর কবিতা

স্বাধীনতা কারে বলে? এখনও কেউ সত্য বললে তাকে গলা টিপে মারতে চায় সত্য লিখলে হাতের কব্জি কেটে নিতে উদ্যত হয়। এ কেমন স্বাধীনতা ? এখনও অনেকের নুন আনতে পান্তা ফুরায় হাসপাতালে দালালী থানায় দালালী আদালতে দালালী শিক্ষালয়ে দালালী সবখানে দালালের উৎপাত এ কেমন স্বাধীনতা ? এখনও শিক্ষাঙ্গনে লাশ পড়ে রাজপথ রক্তে রঞ্জিত হয় দিবানিশি কাটে প্রাণ সংকটে এ কেমন স্বাধীনতা ...

বিস্তারিত »

মোঃ দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়ার কবিতা

মহান একুশে একুশ অামার অহংকার বাংলা অামার মায়ের ভাষা, একুশ অামার শ্রদ্ধা ভক্তি বাংলা অামার মিটায় অাশা ৷ বরকত,সালাম,রফিক,জব্বারের রক্ত ঝরা শহীদ হওয়ার ফল, দিয়ে গেলো স্বাধিকার অান্দোলনে নতুন মাত্রা পেলো সেথায় বল ৷ শহীদের অাত্মত্যাগে অাজ অামরা পেয়েছি ভাষা, বাংলা ভাষায় কথা বলে পূর্ণ হল তৃপ্তি অাশা ৷ রাজপথে নেমেছিল তখন অন্দোলনের ঢল, বাংলা কথা বলতে পারা অাজ পেল ...

বিস্তারিত »

এম.এরশাদুর রহমানের কবিতা

প্রভাতফেরী জাতীয় চেতনার অস্তিত্বের প্রতীক শহীদ মিনারকে জানি, প্রভাতফেরীর র‌্যালিতে যেতে তা করে আমায় হাতছানি । অকুতোভয় সাহসী বাঙালী ইতিহাস করেছে সৃজন, ভাষার তরে প্রাণ দিয়ে উন্নয়নের করছে পণ । বাঙালীর রক্ত কণিকায় ভাষার তরে প্রেম আছে, বিশ্ববাসী তাদের স্মরে ফেব্রুয়ারি যখন আসে ।

বিস্তারিত »

মোঃ জাফর ইকবালের কবিতা

একুশ মানে একুশ মানে রক্তরাঙা কৃষ্ণচূড়ার বন, একুশ মানে বাংলা মায়ের আঁচল ছেঁড়া ধন। একুশ মানে ফুলের হাসি অবুঝ শিশুর মুখে, একুশ মানে স্বপ্ন আঁকা স্বাধীনতার সুখে

বিস্তারিত »

স্বাক্ষর শুভ’র কবিতা

বাতাস আমাদের নিয়ে যাবে আমার পোড়া ঘরে যদি জ ন্মায় মৃত্ গাঁদাফুল আমি খুব দুঃখ পাবো, পৃথিবীর সর্বশেষ ফুলও যদি পুড়িয়ে দেয়া হয় ধর্মের নামে তাও আমি ভয় পাবো না। ধর্মের নামে যে আগুন জ্বলে সে আগুন থোড়াই আগুন জীবনের নামে যে মৃত ফুল নৈবদ্য পায় চুপিচুপি কেউ টের পাবে না সে ফুলে বাতাস বয়ে আনে ফাগুন। * আমার জন্ম ...

বিস্তারিত »