সর্বশেষ সংবাদঃ

কবিতা

নঈম আল ইস্পাহানের কবিতা

সময় তোমার আমার সময় তোমার,আমার দুজনকে,দুজন ভালোবাসার। সময় পাশাপাশি থাকার, মিষ্টি প্রণয় বার,বার। সময় বিরতিহীন তোমাকে দেখার অপরূপ তোমাতে মুগ্ধ হবার। কপোলে ছোট্র লাল টিপ তোমার এলোমেলো চুলে দাম্ভিকতার প্রহার সময় হৃদয়ে কাঁপুনি ধরার সামান্য মৃদু স্পর্শে কাতরতার। তুমি আমার,শুধুই আমার; কাটুক যুগের পর যুগ হাজার!  

বিস্তারিত »

নঈম আল ইস্পাহানের কবিতা

যা বলছি,এই বারেই শেষ: যা বলছি,এই বারেই শেষ, ভালোবাসার নেই কোন আর,রেশ। তুমি থাকো,তোমার মতো করে; আমায় ভুলে,অন্যের সংসারে। সুখ পাখিরা খাঁচায় থাকুক বন্দী, তোমায় পেতে আঁটবোনা কোন ফন্দি। রাতজাগাময় সময়গুলো সব শেষ। নিকোটিনের ধোয়া গিলে আছি, বেশ। শখ করেও তোমায় আমি ভাবিনা, কে তুমি? তোমায় তো এখন চিনিনা; সব মেয়েদের প্রেমে পড়ি,যারা যারা সুন্দরী। তোমার মতো অনেকেই আছে,ইচ্ছে করে ...

বিস্তারিত »

নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কবিতা

পীযূষ কুমার ভট্টাচার্য্য: নজরুল সেনা জীবনে প্রবেশ করেন ১৯১৭ সালের অক্টোবর মাসে। তিনি ব্রিটিশ ভারতীয় সেনা বাহিনীর ৪৯ নম্বর বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদানের মাধ্যমে সেনা পরিবারের সদস্য হন। নজরুল ১৯২০ সালের মার্চ মাস অবধি করাচি সেনা নিবাসে সৈনিক জীবন যাপন করেন। তাঁকে সৈনিক জীবন স্থিরভাবে কাব্য ও জ্ঞান চর্চার সুযোগ এনে দিয়েছিল। নজরুলের করাচির সৈনিক জীবনকে তাঁর প্রতিভার সাজঘর বলা হয়। ...

বিস্তারিত »

আলী প্রয়াসের কবিতা

জনকের লাশ: মধ্য আগস্টে মৃত্যুক্ষুধা নিয়ে ভেঙে পড়ে বাংলার আকাশ নেমে আসে অজানা অগ্নিছায়া কতিপয় হায়েনার ক্ষুধার্ত নখ আঁচড় কাটে জাতির হৃৎপিণ্ডে! সিঁড়িতে জনকের লাশ; লাশ নয়, এ যেন পড়ে থাকা রক্তাক্ত-বিধ্বস্ত বাংলাদেশ বাংলার বুকে ধারণ করা সবচেয়ে ভারী ও বিশ্বস্ত―এ লাশ বঙ্গবন্ধুর; আমাদের ভৌগলিক অস্থিত্বের সবচেয়ে উদ্দীপক উপস্থিতি―এ লাশ শেখ মুজিবের; ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল জুড়ে পড়ে থাকা যেন এক ...

বিস্তারিত »

জয়ন্ত জিল্লুর কবিতা

কিশোর কবিতা: ******************** আমার এখন মন খারাপের দিন স্বপ্ন আমার আকাশে উড্ডীন। বুকের ভেতর সাতশ তের সুর চোখের পাতায় নেমেছে রোদ্দুর। হাতের কাছে ঘুম হারানোর রাত নাইতে নেমে স্বপ্নে কুপোকাত। আরো দূরে ফড়িং জামার বিল মন খারাপের অসুখ-লাগা দিল। হলদে হয়ে পড়ে থাকা ভোর লাগিয়ে মুখে পা ফেলেছি দূর। আমার এখন সামনে ভীষণ পথ মন খারাপে উলটো হাঁটা রথ। সোহাগ ...

বিস্তারিত »

তাপস মল্লিকের কবিতা

কেবল মানুষ: মানুষ ভাঙ্গার স্বপ্ন শুনি, পাথর ভাঙ্গার শব্দে ভাঙছে সমাজ, অক্সিজেন ঋণগ্রস্থ মানুষের, বিবেকের প্রেম ও প্রতিদানে লজ্জিত বৃক্ষ, মেকি আলোয় ঝলমল সভ্যতা, মদের গেলাসে আটক সমাজ বাস্তবতা, মূলত বাস্তবতার কোন যাদু থাকেনা, খড়ের ঘরের বয়েসি চালায় পাকা লউ, সাজ বেলায় গরুর হাম্বা-হাম্বা ডাক, ভোর মোরগের চিৎকার, আজো গ্রামের প্রতীক। সংখ্যায় লক্ষ-কোটি-একটি শব্দে নামকরণ মানুষ, মানুষ দেশ বানায় রাষ্ট্র ...

বিস্তারিত »

তাপস মল্লিকের কবিতা

লও শপথ মাথার উপরে অর্ধেক চাঁদ অপেক্ষা করুন, একদিন চাঁদ পুরোটা হবে, রাষ্ট্র বুঝবে জনতার ভাষা, অপেক্ষা করুন রাষ্ট্র একদিন জনতার হবে। মানুষ মিলবে মানুষের সাথে ঝড় বাদল-শ্লোগান মিছিল মালিক কাঁপবে, দীপ্ত কন্ঠে দিনমজুর ভাঙবে বাঁধা রাষ্ট্রযন্ত্র এই মিছিল। হাসি আর গান ক্ষুধামুক্ত প্রাণ মানুষের জয় হবে নিশ্চয় সাম্যের গান-মুখরিত প্রাণ- লও শপথ লও শপথ লও শপথ লও শপথ। সামনে ...

বিস্তারিত »

শিপ্ত বড়ুয়ার কবিতা

মৃত্যু আমাকে,তোদেরকে,তোমাদেরকে,আপনাদেরকে মৃত্যুর স্পর্শগুলো চরম স্পর্ধা দেখালো। ন্যানো সেকেন্ড মিনিট হয়ে উঠবে না, শব্দ, বাক্যগুলো লাইন হয়ে আর আসবে না। নেই নেই করা গল্পের আগেই আমি লাশ, শত্রুর বুলেট অথবা ধারালো চাপাতির আঘাত। সবার মোবাইল আর্তনাদধ্বনিতে বেজে উঠছে, একে অপরকে জানাচ্ছে, আমার বেঁচে যাওয়া। মানুষের মুখে মুখে আমার ভালো-খারাপের অক্ষরগুলো চরিত্র হয়ে উঠবে। হয়ত কেউ গল্প রটাবে, কিন্তু আমি শুধুই ...

বিস্তারিত »

মোঃ দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়ার কবিতা

মৃত্যুর পর শূন্য হাত দুনিয়ার বুকে স্থাপিত সকল কিছুর দাবিদার, মৃত্যুর পর কোন কিছু থাকবেনা যে তার ৷ অাছে যত ধন-দৌলত অট্টালিকা রাজ প্রাসাদ, পরকালে শূন্য হাত থাকবেনা কিছু তার ৷ মৃত্যুর অাগে বলে মানুষ সকল কিছুই তার, অাখিরাতে অামল ছাড়া থাকবেনা কোন কিছু অার ৷ মিছে এই দুনিয়া মিছে মায়া কোথায় পাবো শান্তির ছায়া, এতো শক্তি সম্পদ অট্টালিকা খাড়া ...

বিস্তারিত »

ভাগ্যধন বড়ুয়ার কবিতা

পটাচারা সুখপর্ব সুখের লাগিয়া ঘর ছেড়েছি আষাঢ়ে শ্রাবস্তী নগর ফেলে কুঠিরে বাসর অজানা চুম্বক টানে প্রণয়ের পথে হেসে খেলে রোদে-শীতে মধুকাল পার শোকপর্ব অবশেষে শূন্য হাত চোখে শূন্য ঘর পটাচারা খরস্রোতে বানে ভাসা খড় শোকের প্রাবল্য বুকে, বাজপাখির টোকা বাকিটা কেড়েছে নদী; পাঁজরের পাড়

বিস্তারিত »