চকরিয়ায় তামাক চাষ বন্ধের দাবিতে ২০কি.মি. মানববন্ধন

এ.এম হোবাইব সজীব,চকরিয়া:
‘আর নই তামাক চাষ, সুস্থ থাকবো বার মাস” গাছ পালা কাটবো না তামাক চাষ করবো না’ তামাককে না বলুন বিভিন্ন ধরনের স্লোাগান লেখা প্লে-কার্ড হাতে রাস্তায় দাঁড়িয়ে মানববন্ধন করেছে কক্সবাজারের চকরিয়ার বিভিন্ন স্কুলের হাজার হাজার শিক্ষক-শিক্ষার্থী। এসময় তারা তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতামূলক বিভিন্ন স্লোগান ও বক্তব্য দেন।

২০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত কক্সবাজারের চকরিয়ায় পরিবেশ বিধ্বংসি তামাক চাষের বিরুদ্ধে উপজেলার লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের জিদ্দাবাজার এলাকা থেকে সুরাজপুর-মানিকপুর পর্যন্ত দীর্ঘ ২০ কিলোমিটার অভ্যন্তরীণ সড়কে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে।

চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ও কাকারা, সুরাজপুর-মানিকপুর ইউপির চেয়ারম্যানদের সহযোগীতায় অনুষ্টিত মানববন্ধনে ওই এলাকার বিভিন্ন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাহেদুল ইসলামের উদ্বোধনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে উপজেলার লক্ষ্যারচর, কাকারা ও সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের তামাক চাষ অধ্যুষিত এলাকায় চাষ মৌসুম শুরুর আগে তামাক চাষীদের সচেতন করতে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

মানববন্ধনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাহেদুর ইসলাম বলেন, তামাক চাষে কোন ধরনের সার বরাদ্ধ দেয়া হবেনা। তামাকের বিকল্প চাষে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন পরিবেশবাদী এনজিওর মাধ্যমে গণসচেতনতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, সরকারি খাস জমিতে পরিবেশ বিধ্বংসী তামাক চাষ করতে দেয়া হবেনা। এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের তামাক চাষের ফলে কি কি রোগব্যাধি হতে পারে সে সম্পর্কে ধারণা দেন।

এসময় বক্তব্য রাখেন- চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মাহাবুবউল করিম, কাকারা ইউপি চেয়ারম্যান শওকত ওসমান ও সুরাজপুর মানিকপুর ইউপি চেয়ারম্যান আজিমুল হক আজিম, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খুরশিদুল আলম চৌধুরী, শাহ-ওমরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসিম উদ্দিন, ভুমি অফিসের নাজির তপন কান্তিপাল, উপজেলা টেকনিশিয়ান এরশাদুল হকসহ প্রমুখ।

মানববন্ধনে জিদ্দাবাজার চাইল্ডস মডার্ন স্কুল, শাহউমরাবাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, শাহ-ওমরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়, মাইজকাকারা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাকারা উচ্চ বিদ্যালয়, কাকারা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুরাজপুর-মানিকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছাড়াও সাধারণ জনগণ অংশগ্রহণ করেন।