সেন্টমার্টিন থেকে ফেরত এসেছে আটকাপড়া ২৩৫ পর্যটক

গিয়াস উদ্দিন ভুলু , টেকনাফ:
গত ৩ দিন ধরে সাগর উত্তাল, বৈরী আবহাওয়া, ৩ নং সর্তক সংকেত থাকার কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সাগর পাড়ি দিয়ে প্রবাল দ্বীপ সেন্টমাটিনে বেড়াতে আসা প্রায় ২৫০ জন দেশী-বিদেশী পর্যটক আটকা পড়ে যায়। আবহাওয়ার পরিস্থিতি খারাপ থাকায় টেকনাফ উপজেলা ও জেলা প্রশাসন জাহাজ চলাচল ও নৌকা চলাচলে নিষেদ্ধাঞ্জা জারি করে। এতে সেন্টমাটিন দ্বীপ থেকে আসতে না পেরে আটকা পড়ে যায় ২৫০ জন দেশী-বিদেশী পর্যটক।

অবশেষে ১৩ অক্টোবর জাহাজ কর্তৃপক্ষ প্রশাসনের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে আটকা পড়া যাত্রীদের ফেরত আনার জন্য দুপুর ২ টার দিকে কেয়ারী গ্রুপের দুইটি জাহাজ সেন্টমাটিনের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। পরে সন্ধ্যা ৬ টার দিকে আটকা পড়া যাত্রীদের নিয়ে টেকনাফে পৌছে দুই জাহাজ।

উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর সকালে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা টেকনাফ থেকে তিনটি জাহাজে করে প্রায় দুই হাজার দেশী-বিদেশী পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণে যায়। ওইদিন বিকেলে সেন্টমাটিন ভ্রমন করে প্রায় ১৬-১৭ শত পর্যটক ফিরে আসে টেকনাফ জেটি ঘাটে। কিন্তু প্রায় ২৫০ জন দ্বীপের বিভিন্ন হোটেলে থেকে যায়। পরের দিন সাগর উত্তাল, বৈরী আবহাওয়া ও সর্তক সংকেত থাকার কারনে বন্ধ হয়ে যায় জাহাজ ও নৌ-চলাচল। এর পর থেকে সেন্টমার্টিনে অবস্থান করা পর্যটকেরা টেকনাফে ফিরে আসতে পারেনি।

টেকনাফ টু সেন্টমাটিন কেয়ারী সিন্দাবাদ গ্রুপের ব্যবস্থাপক মো. শাহ আলম আমাদের রামু কে বলেন, সাগর ও নাফনদীর প্রচন্ড উত্তাল থাকায় গত ৩ দিন ধরে কোনো জাহাজ টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন উদ্দেশ্যে ছেড়ে যেতে পারেনি। অবশেষে ১৩ অক্টোরব উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে দুপুর ২টার দিকে আটকা পড়া পর্যটকদের ফিরিয়ে আনতে টেকনাফ থেকে ২ টি জাহাজ সেন্টমার্টিনে উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। পরে সন্ধ্যা ৬টার দিকে পর্যটকবাহী দুইটি জাহাজ আটকা পড়া যাত্রীদের নিয়ে টেকনাফ জেটি ঘাটে ফিরে আসতে সক্ষম হয়।