সন্ত্রাস দমনে ঢাকা-বেইজিং চুক্তি হচ্ছে

সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমে সহযোগিতা বাড়াবে বাংলাদেশ ও চীন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর সফরের সময়ে এ বিষয়ে দু’দেশ একটি সমঝোতা স্মারক সই করবে।

শি জিনপিং রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের আমন্ত্রণে আগামী ১৪ অক্টোবর দু’দিনের সফরে কম্বোডিয়া থেকে ঢাকা আসছেন এবং এখান থেকে তিনি ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে যাবেন।খবর বাংলাট্রিবিউনের।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, সন্ত্রাস এখন একটি বৈশ্বিক সমস্যা এবং এটি প্রতিটি দেশকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে।এ প্রেক্ষাপটে দু’দেশ একটি সমঝোতা স্মারক সই করবে বলে তিনি জানান।

তথ্য বিনিময়, সক্ষমতা বৃদ্ধি ও প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয় এ সমঝোতা স্মারকে থাকবে বলে তিনি জানান।তিনি বলেন, বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য চীনের সহযোগিতা চাওয়া হবে।

শি জিনপিং ১৩ অক্টোবর থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত কম্বোডিয়া, বাংলাদেশ ও ভারত সফর করবেন।

চীন বাংলাদেশ সফরকে একটি মাইলফলক সফর হিসাবে দেখছে। কারণ, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়া ও ভারত মহাসাগর অঞ্চলে চীনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।

গত ৩০ বছরে এটিই চীনের প্রেসিডেন্টের প্রথম ঢাকা সফর। এর আগে ১৯৮৬ সালে চীনের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট লি শিয়াননিয়ান ঢাকা সফর করেন।শি জিনপিং ২০১৪ সালে শ্রীলঙ্কা এবং ২০১৫ সালে পাকিস্তান সফর করেন।

প্রেসিডেন্টের সফরের সময়ে চীনের প্রস্তাবিত রোড ও বেল্ট উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য অনেকগুলো চুক্তি সই করা হবে।এ চুক্তিগুলোর লক্ষ্য হচ্ছে অবকাঠামো উন্নয়ন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, ঢাকা এ সফরকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখছে। কারণ, এ সময়ে কয়েক বিলিয়ন ডলারের কয়েকটি চুক্তি সইয়ের সম্ভাবনা আছে।

প্রসঙ্গত, এর আগে ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীন সফরে যান।