পেকুয়ায় দুর্গা পূজাকে ঘিরে পুলিশের তিন স্তরের নিরাপত্তা

নিজস্ব প্রতিনিধি, পেকুয়া:
পেকুয়া উপজেলার সদর এলাকাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের ৬টি মন্ডপে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজাকে নির্বিঘেœ উৎযাপন করতে থানা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া হচ্ছে ব্যাপক নিরাপত্তা।

উপজেলার প্রত্যেকটি মন্ডপে পুলিশ, ব্যাটিলিয়ান ও আনসারসহ তিন স্তরের নিরাপত্তা বাহিনী রয়েছে।

সার্বক্ষণিক রয়েছে দু’জন করে পুলিশ সদস্য। এছাড়াও পেকুয়া থানা পুলিশের তিনটি মোবাইল টিম সার্বক্ষণিক নজরদারি করছেন প্রত্যেকটি পূজা মন্ডপ। পূজা মন্ডপ এলাকায় সন্দেহজনক ব্যক্তিদের করা হচ্ছে তল্লাশি। বসানো হয়েছে অস্থায়ী তল্লাশি চৌকি।

এদিকে দুর্গোৎসবকে ঘিরে নানা আয়োজনে ব্যস্ত হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন। শুক্রবার (৭অক্টোবর) থেকে মঙ্গলবার (১১অক্টোবর) বিজয়া দশমীর মধ্যে দিয়ে এই মহোৎসবের ইতি ঘটবে। পেকুয়া ৬টি মন্ডপের দেবী দুর্গাকে কেন্দ্র করে বর্ণিল সাজে সজ্জিত করা হয়েছে। পূজাকে ঘিরে আনন্দে মেতে উঠেছে পেকুয়ার সর্বস্তরের সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

উপজেলার ছয়টি পূজা মন্ডপগুলো হচ্ছে- পেকুয়া সদরের বিশ্বাস পাড়ার কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দির, সুশীল পাড়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, শীলখালী হরি মন্দির, শীলখালী বিষ্ণু মন্দির, বারবাকিয়া লোকনাথ মন্দির, উত্তর বারবাকিয়া নাথ পাড়া হরি মন্দির। এছাড়াও, পেকুয়া সদরের বিশ্বাস পাড়ায় দুটি ও বারবাকিয়া দুর্গা মন্দিরে একটি ঘট পূজা পালন হচ্ছে।

পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়া মোঃ মোস্তাফিজ ভূঁইয়া আমাদের রামু কে বলেন, দুর্গোৎসব নির্বিঘ্নে উদযাপন করতে আমরা (প্রশাসন) কঠোর অবস্থানে রয়েছি।

পেকুয়া উপজেলা পূজা উৎযাপন পরিষদের সভাপতি সুমন বিশ্বাস আমাদের রামু কে বলেন, দুর্গোৎসবকে ঘিরে পেকুয়া থানা পুলিশ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা দিচ্ছে। তাই পেকুয়া উপজেলার হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।