বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন: সভাপতি নুরুল আলম,সম্পাদক ইকবাল বদরী

এ.এম হোবাইব সজীব:
বৃহৎ সমবায় প্রতিষ্ঠান চকরিয়ার বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির নির্বাচন ৫ অক্টোবর অধিক ঝাকজমকপূর্ণ পরিবেশে সম্পন হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পযন্ত চলে একটানা ভোট গ্রহণ।

নির্বাচনের সমিতির ১৪৮৪জন সদস্যের মধ্যে প্রায় ১৩০০জন সদস্য তাদের স্ব স্ব ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

নির্বাচনে সভাপতি পদে ‘চেয়ার’ প্রতীক নিয়ে পূণরায় নির্বাচিত হয়েছেন আলহাজ্ব নুরুল আমিন সিকদার, তার প্রাপ্ত ৮৬৫।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধীতা সাবেক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী চৌধুরী বিএ ‘হারিকেন’ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩০৭ ভোট।

সম্পাদক পদে আনারস প্রতীক নিয়ে পূণরায় নির্বাচিত হয়েছেন মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক একে এম ইকবাল বদরী, তার প্রাপ্ত ভোট ৪৮৩।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী নুরুল আমিন (জনি) ‘চাকা’ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৫৭ ভোট এবং অপর প্রতিদ্বন্ধী এম ওয়াইজ উদ্দিন ‘গোলাপ ফুল’ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৪২ ভোট।

সহ-সভাপতি পদে ‘মই প্রতীক’ নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন আলী আজম বাহাদুর, তার প্রাপ্ত ভোট ৫৮৪, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী আলী মোঃ কাজল ‘বাই সাইকেল’ প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ৪০৭ ভোট এবং অপর প্রার্থী ছালেহ আহমদ ‘কলসি’ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৮৩ ভোট।

রাত সাড়ে ৮টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সমিতির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মো: মাহবুব উল করিম।

এছাড়াও সমিতির ৯টি সদস্য (পরিচালক) পদে প্রতিদ্বন্ধীতা করেছেন ৩৩জন প্রার্থী। এ রিপোর্ট লেখা পযর্ন্ত ৯টি সদস্য পদের ভোট গণনা চলছে।

এদিকে দিনব্যাপী নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ও কেন্দ্র পরিদর্শন করেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আবদুর রহমান, চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: সাহেদুল ইসলাম, কক্সবাজারের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল-চকরিয়া) কাজী মো: মতিউল ইসলাম, চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জহিরুল ইসলাম খান, থানার ওসি (তদন্ত) মো: কামরুল আজম, কক্সবাজার উপকূলীয় সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি স.ম. ইকবাল বাহার চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এ.এম হোবাইব সজীব, চকরিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবদুল মজিদ সহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: সাহেদুল ইসলাম আমাদের রামু কে জানান, নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে ভোট কেন্দ্রে পযার্প্ত পরিমাণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারী ছিল চোখে পড়ার মতো। তাই কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে।