সরাসরি ২০১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ?

২০১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সরাসরি খেলার সুযোগ থাকছে বলেই জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। ফতুল্লায় মঙ্গলবার বিসিবি সভাপতি জানান, র‌্যাংকিংয়ের বর্তমান যে অবস্থা তাতে করে বাংলাদেশের ৮ এর নিচে নামার সম্ভাবনা একেবারেই কম। তাই বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী বিসিবি। খবর বাংলাট্রিবিউনের।

তিনি ফতুল্লায় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে র‌্যাংকিংয়ে সেরা আটে থাকার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী আমরা। আমি মনে করি এর মধ্যে আমাদের নিচে নামার কোনও সুযোগ নেই। বরং আমরা আরও উপরে উঠতে পারি।’

মূলত কোনও ইভেন্টের যোগ্যতা বিচারের জন্য সর্বশেষ দুই বছরের ফলাফলের ওপর ভিত্তিতে করে র‌্যাংকিং করা হয়। আর সেই লক্ষ্যে দলগুলোর সর্বশেষ অবস্থা জানাতে এই র‌্যাংকিং চিত্র আইসিসি তার সদস্য বোর্ডগুলোকে আগেই জানিয়ে দেয়। সেই বিষয়টিই জানান পাপন, ‘আমাদের ক্যালকুলেশন অনুযায়ী আমরা নিচে নামছি না। কেননা আইসিসির প্রকাশিত ফিউচার ট্যুর প্রোগ্রামের অধীনে যেসব টুর্নামেন্ট রয়েছে। সেই হিসেবে বাংলাদেশ সরাসরিই খেলবে। সেখানে যদি বাংলাদেশ খুব খারাপ করে তাহলে হয়তো একটু ঝুঁকি থাকবে। তবে আমার মনে হয় বাংলাদেশ যেভাবে খেলছে তাতে করে আমার আশা করতেই পারি।’

ভবিষ্যত সফর সূচি এফটিপি অনুযায়ী ইংল্যান্ড সিরিজের পর ডিসেম্বরে নিউজিল্যান্ড সফরে যাবে বাংলাদেশ। এরপর শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলার কথা রয়েছে। সঙ্গে মে মাসে আয়ারল্যান্ডে নিউজিল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের সঙ্গেও তিন জাতির সিরিজ রয়েছে। এছাড়া জুনে রয়েছে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। এসময় অন্যদেশগুলো এফটিপির বাইরে সিরিজ খেলার আয়োজন করলে কোনও প্রভাব পড়বে কিনা- এমন প্রশ্নে বিসিবি সভাপতি বলেছেন, ‘না। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরের আগে বাকিদের নিজেদের মধ্যে টুর্নামেন্ট আয়োজন করার সম্ভবনা খুব কম। এজন্যই আমরা আশাবাদী।’

আর আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরে প্রকাশিতব্য র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ আট দল সরাসরি খেলবে ২০১৯ বিশ্বকাপে। বাকি দুটি দলকে খেলতে হবে বাছাইপর্ব। আর বর্তমানে র‌্যাংকিংয়ে ৭ নম্বরে বাংলাদেশ। তাই অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু না হলে সরাসরিই খেলছে বাংলাদেশ।