নাইক্ষ্যংছড়িতে শনিবার অধিকাংশ কর্মকর্তা কর্মস্থলে অনোপস্থিত ছিলেন

আব্দুল হামিদ, বাইশারী:

সরকারি নির্দেশনাকে অবজ্ঞা করে ২৪ সেপ্টেম্বর শনিবার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার অধিকাংশ কর্মকর্তা ও কর্মচারী অনোপস্থিত ছিলেন স্ব-স্ব কর্মস্থলে। সরকার অফিস-আদালত খোলা রাখার নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারী করলেও এক শ্রেণীর কর্মকর্তা বিনা ছুটিতে এ দিন অফিসে অনোপস্থিত ছিলেন। শনিবার সকাল ৯ টার পর আর দুপুর আড়াই টা থেকে সাড়ে তিনটা পর্যন্ত এক দল সাংবাদিক সরেজমিন পরিদর্শনে গেলে এ তথ্য বেরিয়ে আসে। আর এ বিষয়ে বান্দরবান জেলা প্রশাসক জানান, বিনা অনুমতিতে কেউ অনোপস্থিত কর্মস্থলে থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু শাফায়াত মো: শাহেদুল ইসলাম আমাদের রামু কে জানান, সরকার প্রজ্ঞাপন জারী করে শনিবার দিন অফিস করতে বলেছেন সরকারি অফিস আদালত। অথচ তার উপজেলার অধিকাংশ অফিসার কর্মস্থলে অনোপস্থিত। এভাবে তারা নিয়মিত অনোপস্থিত থাকে এখানে। তিনি আরো জানান, তাদের বিষয়ে প্রতিমাসে রিপোর্ট পাঠানো হলেও এ পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয়নি সংশ্লিষ্ট অথরিটি।
তিনি কী করবেন। এখন তিনি একা নিজেই একটি উপজেলা চালাচ্ছেন।

এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ২৪ সেপ্টেম্বর শনিবার যে সব অফিসে স্ব-স্ব কর্মকর্তাদের দেখা যায়নি তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন, সমবায় অফিসার জাহাঙ্গির আলম, হিসাবরক্ষণ অফিসার সুগত সেবক বড়ুয়া, প্রকল্প কর্মকর্তা মো: আবিদ হাসান, আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও উপজেলা খাদ্য অফিসার সহ অনেকেই ।

এ বিষয়ে বান্দরবান জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বনিক আমাদের রামু কে জানান, বিষয়টি তিনি খোঁজ নিয়ে দেখবেন। অফিস খোলার এ দিন যে সব কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মস্থলে অনোপস্থিত ছিলেন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। ছাড় নেই কারো।

উল্লেখ্য, সরকারের জন প্রশাসন মন্ত্রনালয় গত ২২ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার এক প্রজ্ঞাপন জারী করেন, ২৪ সেপ্টেম্বর শনিবার সরকারি অফিস-আদালত খোলা রাখার জন্যে। সরকারের এ তথ্য বিবরণী যথাযথভাবে পালনের জন্যে দেশের সকল সরকারি প্রতিষ্টানে নির্দেশও পাঠানো হয় এ সময় যথাযথ নিয়মে। অথচ নাইক্ষ্যংছড়িতে ছিল তার ব্যতিক্রম। আর বিষয়টি স্বীকার করে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রকৌশলী কমল কান্তি পাল আমাদের রামু কে জানান, যথা নিয়মে খবর পেয়ে তিনি শনিবার সকাল ৯ টা থেকে শেষ পর্যন্তই অফিস করেছেন। কেননা তিনি সরকারের চাকুরে।