হাজারো পর্যটকে মুখরিত বান্দরবান

ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে বান্দরবান। ঈদের প্রথম দিন থেকেই বিনোদনগুলোতে পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে।

অরণ্যে ঘেরা পাহাড়ের সঙ্গে মারমা, মুরুং, ত্রিপুরা, বম, তংচঙ্গ্যা, চাকমা, চাক, খেয়াং, খুমী, লুসাই, কুকি, পাংখোসহ মোট ১১টি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সরল জীবনযাপনের আবাসস্থল বান্দরবান ধীরে ধীরে হয়ে উঠছে পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।

জেলার পর্যটন কেন্দ্র নীলাচল, মেঘলা, প্রান্তিক লেক, শৈলপ্রপাত, নীলগীরি, চিম্বুক পাহাড়সহ প্রতিটি পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটকদের ভিড় বেড়েই চলেছে। নাগরিক জীবনের ছকে বাঁধা সময় থেকে বেরিয়ে যে কেউ এখানে হারিয়ে যেতে পারেন নীলাচলের মেঘে ঢাকা পাহাড়ে, মেঘলা লেকের জলে ভাসাতে পারেন ডিঙি নৌকা অথবা ঘুরে আসতে পারেন চিম্বুক পাহাড়ে। আর পা ফেললেই নীলগীরির অপরুপ শোভা দেখতে পারবেন।

ঢাকা থেকে বান্দরবান বেড়াতে আসা জাফর বলেন, ‘এই প্রথম বান্দরবান আসলাম। আর এসে সবুজ পাহাড় আর প্রকৃতির কাছাকাছি অপার সৌন্দর্যরে পর্যটন স্পট দেখে বিমোহিত হলাম।’

বান্দরবান হোটেল মোটেল মালিক সমিতির সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় প্রায় ৫০টি হোটেল-মোটেল এক সপ্তাহের জন্য বুক হয়ে আছে। ঈদের দিন থেকেই জমে উঠা পর্যটন ব্যবসা এক সপ্তাহ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

বান্দরবানের নতুন আবাসিক হোটেল হিলটনের ম্যানেজার শুভ দাশ জানান, ‘আমরা পর্যটকদের সেবার মান বাড়াতে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা বান্দরবানে বেড়াতে আসা পর্যটকদের আতিথেয়তায় কোন ক্রুটি রাখবো না।’

বান্দরবান হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘পর্যটকদের আমরা ভালো সার্ভিস দেওয়ার জন্য আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।’