বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সনদ পেল বাংলাদেশ

মা ও নবজাতকের ধনুষ্টংকার প্রতিরোধে সাফল্যের জন্য বাংলাদেশকে বিশেষ সম্মাননা সনদ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

শ্রীলংকার রাজধানী কলম্বোতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক কার্যালয়ে সংস্থাটির মহাপরিচালক ড. মার্গারেট চ্যানের হাত থেকে মঙ্গলবার এ সম্মাননা সনদ গ্রহণ করেন বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ডব্লিউএইচওর আঞ্চলিক পরিচালক ড. পুনমক্ষেত্র পাল সিং এ সময় উপস্থিত ছিলেন। খবর রাইজিংবিডির।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক মা ও শিশুর স্বাস্থ্য উন্নয়নে এমডিজি অর্জনে বাংলাদেশের সাফল্যের জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সম্মেলনের অধিবেশনে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং পাঁচটি অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় অঞ্চলের ৬৯তম সম্মেলনে সংস্থার মহাসচিব ড. মার্গারেট চ্যান ও দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় আঞ্চলিক পরিচালক ড. পুনমক্ষেত্র পাল সিং এবং ১১টি সদস্য দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্যকর্মীরা সম্মেলনে যোগ দেন। পাঁচ দিনব্যাপী এই সম্মেলন ৫ সেপ্টেম্বর শ্রীলংকার রাজধানী কলম্বোতে শুরু হয়।

সম্মেলনে অসংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ও সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা প্রদান বিষয়ে মন্ত্রী পর্যায়ের দুটি সভা হয়। এতে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক অংশ নিয়ে অসংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের গৃহীত পদক্ষেপগুলো তুলে ধরেন।

এ বিষয়ে তিনি মানুষের মাঝে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস, শারীরিক পরিশ্রম, দুচিন্তামুক্ত থাকার বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

তিনি আরো উল্লেখ করেন, টেকসই উন্নয়নে স্বাস্থ্য বিষয়ক লক্ষ্যসমূহ অর্জন করতে না পারলে সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রদান সম্ভব হবে না। এ জন্য সীমিত সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে স্বাস্থ্যসেবা দিতে হবে। বাংলাদেশের উত্থাপিত প্রস্তাবগুলো সম্মেলনে সাদরে গৃহীত হয়।

শ্রীলংকার রাষ্ট্রপতি মাইথ্রিপালা সিরিসেনা সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী মন্ত্রীদের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করেন। তিনি স্বাস্থ্য খাতে বাংলাদেশ সরকারের সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বাংলাদেশ থেকে শ্রীলংকায় ওষুধ রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়ায় ধন্যবাদ জানান দেশটির রাষ্ট্রপতি।