সৌদি আরব গেলেন খালেদা

হজ পালনে সৌদি আরবে গেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, সেখানে ছেলে তারেক রহমানের সঙ্গে মিলিত হবেন তিনি।

বুধবার বিকাল ৫টায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে সৌদি এয়াবিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে জেদ্দা রওনা হন খালেদা। খবর বিডিনিউজের।

বিমানে ওঠার পর নিজের খোলা টুইটার একাউন্টে এক টুইটে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।

খালেদা জিয়ার সঙ্গে একই বিমানে গেছেন তার উপদেষ্টা পরিষদের সদস‌্য এনামুল হক চৌধুরী, বিএনপির তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শরীফ শাহ কামাল তাজ, তার একান্ত সচিব আবদুস সাত্তার, আলোকচিত্রী নুরুউদ্দিন আহমেদ এবং গৃহকর্মী ফাতেমা বেগম।

তারেক রহমান তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যায় লন্ডন থেকে জেদ্দায় রওনা হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান।

আট বছর ধরে লন্ডনে থাকা তারেক ২০১৪ সালের জুলাই মাসে উমরাহ পালনে গিয়ে সৌদি আরবে মায়ের সঙ্গে মিলিত হয়েছিলেন।
শায়রুল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের আমন্ত্রণে রাজকীয় অতিথি হিসেবে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, জ‌্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পরিবারের সদস্যরা পবিত্র হজ করতে সৌদি আরব যাচ্ছেন।”

শাহজালাল বিমানবন্দরে ভিআইপি টার্মিনালের সড়কের সামনে দাঁড়িয়ে দলীয় নেত্রীকে বিদায় জানান স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জ্যেষ্ঠ নেতা আবদুল্লাহ আল নোমান, সেলিমা রহমান, মোহাম্মদ শাহজাহান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, নিতাই রায় চৌধুরী, খায়রুল কবীর খোকন, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শামা ওবায়েদ, তাইফুল ইসলাম টিপু, বেলাল আহমেদ, শিরিন সুলতানা, হেলেন জেরিন খান, শাম্মী আখতার, সাইফুল আলম নিরব, মীর সরফত আলী সপু, রাজীব আহসান প্রমুখ।

লন্ডনে থেকে তারেকের সঙ্গে যাচ্ছেন স্ত্রী জোবাইদা রহমান, মেয়ে জাইমা রহমান। মালয়েশিয়া থেকে খালেদার ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শামিলা রহমান সিঁথিও বুধবার জেদ্দায় যাচ্ছেন।

এদিকে তারেক রহমানের শ্বাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানু, তার বড় মেয়ে শাহিনা খান জামান বিন্দু ও স্বামী সৈয়দ শফিউজ্জামান মঙ্গলবার জেদ্দা পৌঁছেছেন। তারাও হজে খালেদা জিয়ার সঙ্গে থাকবেন।

খালেদা জিয়ার এটি তৃতীয় হজ। ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে একবার এবং ১৯৯৭ সালে বিরোধী দলে থাকাকালে খালেদা জিয়া দুই বার হজ করেছেন। এছাড়া প্রায় প্রতিবছরই রমজান তিনি উমরাহ পালন করছেন।