একজন বটবৃক্ষ সেলিনা হোসেন

ফারহানা রহমান :
সেলিনা হোসেন। যাকে আমরা সেলিনা আপা বলে ডাকি। যার মায়াবী, স্নিগ্ধ-শান্ত চেহারার দিকে তাকালে আমাদের স্নেহময়ী, মমতাময়ী চিরায়ত মাতৃত্বের রূপের কথা মনে পড়ে যায়। যার দৃঢ়, তেজি ও গতিময় কণ্ঠস্বর শুনলে রক্ত টগবগিয়ে ওঠে। অন্তত আমার তো তাই হয়। থেমে থেমে দৃঢ়টার সাথে জোর দিয়ে আপা যখন প্রতিটি শব্দ উচ্চারণ করেন তখন দর্শকসারিতে বসা প্রত্যেকেই স্তব্ধ হয়ে তাঁকে শুনতে হয়। আমি যতবার সেলিনা আপার কথা শুনেছি, বিস্ময়বিমূঢ় হয়ে ভেবেছি একজন লেখক, একজন মানুষ বা একজন নারীর ভেতর কতটা মনবল, কতটা সাধনা, কতটা দৃঢ়তা থাকলে এভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা একনাগাড়ে বিরতিহীন কথা বলা সম্ভব। আমি নিজে যেহেতু মাইক্রোফোনের সামনে গেলে জড়তায় কুঁকড়ে যাই ফলে আপাকে লেখক হিসেবে নিজের আইডল ভাবতে সত্যি খুব ভালোবাসি।

সেলিনা আপার এই যে এত লেখার ভান্ডার তার পিছনে আসলে কী গোপন রহস্য লুকিয়ে আছে? নানা সময় সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে এই প্রশ্নের উত্তর তিনি নিজেই দিয়েছেন। তিনি পাঠকদের উদ্দেশ্যে জানিয়েছেন যে তিনি সজ্ঞানে কখনো তাঁর সময় নষ্ট করেননি। সারা দিনের কর্মব্যস্ততার মাঝে তিনি যখনই একটু সময় পেয়েছেন তখনই লিখতে বসে গেছেন। তাঁর নিজের ভাষায় তিনি বলেছেন, ‘চাকরি, সন্তান, সংসার সামলিয়ে প্রতিদিন অন্তত কিছু না কিছু অবশ্যই লিখেছি। কখনো একদম সময় না পেলেও অন্তত দুই পৃষ্ঠা হলেও লিখেছি।’ এ সম্পর্কে তিনি আরও বলেন শুধু একটু বেশি সময় লিখতে চাওয়ার জন্য তিনি বহু সামাজিক অনুষ্ঠান থেকে নিজেকে বিরত রেখেছেন। এমনকি কোনো অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য তিনি কখনো কোনো প্রসাধন ব্যাবহার করেননি। আপার এই কথাটি শোনার পর আমার তাঁর প্রতি শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে গিয়েছিল। আমি ব্যক্তিগতভাবে জানি একজন নারীর প্রসাধনের প্রতি কতটা দুর্বলতা থাকতে পারে আর তার পেছনে একজন নারীর কত দীর্ঘসময় নষ্ট হতে পারে।

সেলিনা হোসেন লেখালিখির জগতে নিজেকে একজন সৌভাগ্যবান মানুষ মনে করেন। যিনি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই লেখার ব্যাপারে প্রত্যেকের সহযোগিতা পেয়েছেন। একদিকে যেমন তিনি বেড়ে উঠেছেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত পরিবেশে যা হয়েছে তাঁর লেখার রসদ, তেমনই তাঁর সংস্কৃতমনা পিতা-মাতাও তাঁকে তাঁর লেখক হওয়ার পিছনে যথাসম্ভব সাহায্য সহযোগিতা করেছিলেন। এরপর তিনি পেয়েছেন এমনই এক জীবনসঙ্গী যিনি তাঁকে সংসারের সমূহ ঝামেলা থেকে, রান্নাবান্নার ঝামেলা থেকে তাঁকে মুক্ত করে তাঁকে লেখার সমস্ত পরিবেশ গড়ে দিয়ে সাহায্য করেছেন। লেখার প্রয়োজনে আপাকে অনেক সময় দূরবর্তী স্থানে ভ্রমণে যেতে হয়েছে। আপা যখন একা একা সেসব জায়গায় যেতে প্রায়ই সংকোচ বোধ করতেন। সেইসব ক্ষেত্রে তাঁর স্বামী আনোয়ার হোসেন ভ্রমণসঙ্গী হিসেবে সবসময় তাঁর পাশেই থেকেছেন। একইভাবে আপা তাঁর সন্তানদের কাছে থেকেও সবরকম সহযোগিতা পেয়েছেন। কিন্তু এতকিছুর পরও, লেখালিখির এই আনন্দদায়ক ভ্রমণের পথেই তাঁকে জীবনের অনেককিছুই ছাড় দিতে হয়েছে। এমনকি তাঁকে পেতে হয়েছে প্রিয়তম সন্তান ফারিয়া হোসেন লারা’র মৃত্যুর মতো এক ভয়াবহ পাহাড়সমান বেদনা।

অতি মেধাবী, সংবেদনশীল, মানবিক গুণসম্পন্ন এই কন্যাটি সম্পর্কে বলতে গিয়ে আপা বলেছেন যে ইউনিভার্সিটিতে পড়াকালীন সময়ে তিনি বরিস পাস্তারনাকের বিখ্যাত উপন্যাস ‘ডক্টর জিভাগো’ বইটি পড়েন। সেসময় তিনি উপন্যাসের নায়িকার ‘লারা’ নামটির প্রেমে পড়ে যান। তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে তাঁর একটি কন্যাসন্তান হলে মেয়েটির নাম রাখবেন ‘লারা।’ ফলে ১৯৭০ সালের ১৬ এপ্রিল যখন তাঁর এই দ্বিতীয় কন্যাটি ভূমিষ্ঠ হোলো তখন তিনি শিশুটির নাম রাখেন ‘লারা’। লারা আপাকে নিয়ে নানাদেশ ভ্রমণ করে। সে হিরোশিমা দিবসে মাকে নিয়ে রওনা দেয় জাপান ভ্রমণের উদ্দেশে। আবার পৃথিবীর স্বর্গ সুইজারল্যান্ডে নিয়ে যায় একটি দেশের ভুবন ভোলানো সৌন্দর্য যুক্তরাষ্ট্রে। বৃহৎ রাষ্ট্র দেখাতে নিয়ে যায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। নানা কাজের সাথে জড়িত থাকা দুঃসাহসী লারা একসময় সিদ্ধান্ত নেয় প্রাইভেট বৈমানিক হওয়ার। সেসময় সেলিনা আপা তাঁদের আর্থিক সীমাবদ্ধতার কথা প্রকাশ করলে লারা তার নিজের দায়িত্ব নিজেই নেওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করে। ১৫ই সেপ্টেম্বর ১৯৯৬ সালে সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অফ বাংলাদেশের কাছ থেকে প্রাইভেট পাইলটের লাইসেন্স অর্জন করে সে। এবং ১৯৯৮ সালের ১৯ মার্চ বাণিজ্যিক পাইলট লাইসেন্স লাভ করে। এরপরই লারা পাইলটদের প্রশিক্ষক হওয়ার প্রশিক্ষণ নিতে শুরু করে। লারাই হয়েছিল বাংলাদেশের প্রথম নারী পাইলট প্রশিক্ষক। ফলে সে পাইলট হতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেওয়ার পাশাপাশি উড্ডয়নের প্রশিক্ষণ নিতে শুরু করে। প্রশিক্ষক হওয়ার জন্য ২০০ ঘণ্টা প্রশিক্ষণের শেষ পঞ্চাশ ঘণ্টার এই প্রশিক্ষণের দিনটিতে ২৭ সেপ্টেম্বর ১৯৯৮ সালে এক ভয়ানক বিমান দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়ে মৃত্যুর মুখে পতিত হয়। আর এরই মাধ্যমে শেষ হয়ে যায় এক সম্ভাবনাময় মেধাবী নারীর জীবন।

বৈমানিকদের প্রশিক্ষক হওয়ার পথে ট্রেনিংয়ের সময় একবার লারা সেলিনা আপাকে শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর ভ্রমণে নিয়ে গিয়েছিল। সেসময়টির কথা স্মরণ করতে গিয়ে আপা বলেন, ‘আমরা যখন শীতলক্ষ্যা নদীর উপরে চক্রাকারে ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম তখন নদীর উপর একটি ছইনৌকা ভেসে ছিল। লারা নৌকাটি দেখে বলেছিল আমি ঐ নৌকাটির ছইয়ের ওপর এই বিমানটি ল্যান্ড করতে চাই। তখন আমি জানতে চেয়েছিলাম তুমি কেন নৌকাটির ছইয়ের ওপর নামতে চাও। তখন লারা বলেছিল, আমি দেখলাম নৌকাটির মাঝিটি কী ভীষণ বিষণ্ণ হয়ে বসে আছে। হয়তো বা সে দুপুরে কিছুই খায়নি। আমি চাই সেই মাঝিটিকে প্লেনে নিয়ে আকাশ ভ্রমণ করে দেখাতে। তাহলে নিশ্চয়ই মাঝিটি খুব খুশি হবে।’ লারার এই মানবিক গুণাবলিতে সম্মান জানাতে তার মৃত্যুর পর সেলিনা আপা নারীদের শিক্ষা প্রসারের উদ্দেশে ‘লারা ফাউন্ডেশন’ নামক একটি মানবিক সংস্থা তৈরি করেন। আর সৃষ্টি করেন মৃত আত্মজাকে নিয়ে তাঁর ব্যাতিক্রমধর্মী আত্মজৈবনিক উপন্যাস ‘লারা’। লারা’র কথা আলোচনায় আসলেই আপা বলেন যে তিনি লারাকে সবসময় তাঁর নিজের ভেতরেই বয়ে বেড়ান। কারণ তিনি জীবনের এই পর্যায়ে এসে বুঝতে পেরেছেন যে লারা আসলে তাঁর শুধু আত্মজাই ছিল না বরং সে ছিল আপার একজন শিক্ষকও বটে।

সেলিনা হোসেনের লেখালিখির সাথে আমার পরিচয় হয়েছিল সম্ভবত ১৯৮৫/৮৬ সালের দিকে। তখন আমি ক্লাস নাইন কিংবা টেনে পড়ি। সেসময় আমাদের জীবনে বিনোদন বলতে ছিল একমাত্র বই পড়া। সেলিনা আপার প্রথম যে উপন্যাসটি পড়েছিলাম সেটি হচ্ছে ‘নীল ময়ূরের যৌবন’ নামক একটি উপন্যাস। এরপর একে একে আরও অনেক গল্প-উপন্যাস পড়া হয়েছে। সেসব আলোচনা করতে গেলে লেখাটি অনেক দীর্ঘ হয়ে যাবে। ফলে শুধু প্রথম পাঠ নিয়ে একটু আলোচনা করছি।

‘নীল ময়ূরের যৌবন’ উপন্যাসটি মূল চরিত্র হচ্ছে বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদের কবিদের মধ্যকার একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি কাহ্নুপাদ। উপন্যাসটিতে আমরা দেখতে পাই রাজার মিথ্যা প্রশস্তি রচনায় অস্বীকৃতি জানানোর অপরাধে কাহ্নুপার হাত কেটে ফেলা হয়। তিনি সেসময় রাজসভার সংস্কৃত ভাষায় গীত রচনার নির্দেশ প্রত্যাখ্যান করেন। ফলে ক্ষিপ্ত রাজার নির্দেশে কাহ্নুপাদের জনবসতি পর্যন্ত পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এতকিছুর পরেও কাহ্নুপা নিরাশ না হয়ে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেন। যেখানে জনগণের এবং রাজদরবারের ভাষা হবে একই ভাষা। একটা ছোট সবুজ, শ্যামল আর পলিমাটি ভরা ভূখণ্ডের স্বপ্ন দেখে সে সেসময়। সে ভূখণ্ডের দক্ষিণে থাকবে একটা সুন্দর বিরাট বন আর তার পাশ দিয়ে বয়ে যাবে সাগর।’ ঠিক যেমনটি আমাদের এই বাংলাদেশ। আসলে আপা প্রায় এক হাজার বছর আগের কাহ্নুপা’র স্বপ্ন দিয়ে সৃষ্টি হওয়া বাংলা ভাষার দেশ এই বাংলাদেশের কথাই বলেছেন।

পাঠক হিসেবে লেখার অনুপ্রেরণা সম্পর্কে জানতে চাইলে সেলিনা হোসেন বলেন, শুধু বই পড়ে নয় বরং শৈশব-কৈশোরে দেখা বাংলাদেশের প্রকৃতির যে অগাধ সৌন্দর্য দেখে তিনি বেড়ে উঠেছেন সেটাই হয়েছে তাঁর লেখার মূল প্রেরণা। মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্কের গভীরতা, নানা জটিলতা ও মানবজীবনের বিচিত্র সব মনস্তাত্ত্বিক সংকট, নারীর ব্যক্তিক সংকট, ইত্যাদি বিষয়গুলোই হয়েছে তাঁর মূল উপজীব্য বিষয়।

সেলিনা হোসেন মূলত বাংলাদেশের মানুষ, তার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে নিয়েই লিখতে চেয়েছেন। তিনি তাঁর লেখাকে কখনোই শুধু ব্যক্তিপ্রেমের উপাখ্যান করতে চাননি। তাঁর লেখায় প্রতিফলিত হয়েছে সমকালীন সময় ও যাপিত জীবন। তিনি তাঁর লেখায় তুলে ধরেছেন সামাজিক ও রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব-সংকটের সামগ্রিকতা। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময় এবং তারও পরবর্তীকালের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটকে উপজীব্য করেই তিনি লেখাকে সমৃদ্ধ করে তুলেছেন।

বর্তমানে বাংলা একাডেমির সভাপতি হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। শতাধিক গ্রন্থের লেখক সেলিনা হোসেনের লেখা ইংরজি, হিন্দি, মারাঠি, কানাড়ি, রুশ, মালে, মালয়ালাম, ফরাসি, জাপানি, ফিনিস, কোরিয়ান প্রভৃতি ভাষার অনূদিত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে সেলিনা হোসেন রচিত ‘যাপিত জীবন’ এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি’ উপন্যাস পাঠ্যসূচিভুক্ত। শিলচরে আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫টি উপন্যাস এম. ফিল গবেষণাভুক্ত। বাংলাদেশের মোট ১১ জন শিক্ষার্থী তাঁর লেখার ওপর পিএইচডি করেছেন। ২০০৫ সাল থেকে শিকাগোর ওকটন কলেজের সাহিত্য বিভাগ দক্ষিণ এশিয়ার সাহিত্য কোর্সে তাঁর ‘হাঙ্গর নদী গ্রেনেড’ উপন্যাসটি পাঠ্যসূচিভুক্ত হয়। তিনি ড. মুহম্মদ এনামুল হক স্বর্ণপদক (১৯৬৯), বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮০), আলাওল সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮১), কমর মুশতারি স্মৃতি পুরস্কার (১৯৮৭), ফিলিপস্ সাহিত্য পুরস্কার (১৯৯৪), অনন্যা ও অলক্ত সাহিত্য পুরস্কার (১৯৯৪), রবীন্দ্রস্মৃতি পুরস্কার (২০১০)। এছাড়াও তিনি ১৯৯৪-৯৫ সালে ফোর্ড ফাউন্ডেশন ফেলোশিপ পান। ১৯৯৬ ও ১৯৯৭ সালে শ্রেষ্ঠ কাহিনিকার হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।

সেলিনা আপা জন্মেছেন ১৯৪৭ সালের ১৪ জুন। আজ তার ৭৬তম জন্মদিন। গল্প লিখে তিনি প্রথম পুরস্কার পান ১৯৬৪ সালে, আর এ কারণেই ৬৪ সালকেই তিনি তাঁর লেখালিখির সূচনাকাল মনে করেন। এরপর কলেজজীবন শেষ করে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে ভর্তি হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। তখন থেকেই তিনি নিরন্তন লিখে চলেছেন। তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘উৎস থেকে নিরন্তর’ প্রকাশিত হয় ১৯৬৯ সালে। প্রায় ৫৪-৫৫ বছর ধরে তাঁর এই বিরামহীন লেখালিখির যে সাধনা তিনি নিরন্তন করে চলেছেন, তাঁর সেই সাধনার যোগফল নিয়ে কোনো একটি লেখার ভেতর বর্ণনা করা, এককথায় অসম্ভব। সেলিনা হোসেনেই এই বিস্তৃত নিরলস সময়কালে তাঁর ৪৭টি উপন্যাস, অসংখ্য গল্প, প্রবন্ধ, সম্পাদনা ও শিশু-কিশোর গ্রন্থ প্রকাশ হয়েছে। ফলে অল্প পরিসরে তাঁর বিপুল সংখ্যক লেখালিখি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করাও বাতুলতা। তবে তাঁর লেখকজীবন চলার পথের দিকে তাকিয়ে আমরা তাঁকে বোঝার কিছুটা চেষ্টা অন্তত করতে পারি।

সেলিনা আপাকে জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা।

সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন