এম সুলতান আহমদ মনিরীর কাব্য

কক্সবাজার নামের কাব্য, যেন স্বপ্নপুরী
এমন কোথা পাবে নাক, বিশ্ব ভূবন ঘুরি।
নয়তো তেমন দূরের নগর, পর্যটনে সূনাম
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ, কাব্য-তীর্থ ধাম।
সারা বিশ্বের দীর্ঘতম, রূপালী সৈকত
ঘুরলে সেথা মিলবে স্বাস্থ্য, হিরে জহরত।
লাবনীতে চৌকষ সার্ফিং, উত্তাল ঢেউয়ের তালে
হিমছড়িতে ঝর্ণা প্রপাত, আধ -পাহাড়ের ঢালে।
মর্ত্য -লোকে স্বর্গ -উদ্যান, লক্ষ ঝাউয়ের শাখায়
হানিমুনে নব যুগল, সূখের ভেলা ভাসায়।
উপকুলে ঢেউয়ের নাচন, পণ্য বাহী সাম্পান
সফেন সমুদ্র কুটছে মাথা, নিত্য আবহমান।
লাল কাঁকড়ার পিছু পিছু, খেলবে লুকুচুরি
মিষ্টি রোদে সমুদ্র স্নান, নেইকো সূখের জুড়ি।
দেশ-বিদেশের কত বরন, সৌখিন পর্যটক
নানা বরণ তন্বী -তরুন, মিটায় মনের শখ।
বেলাভূমে অগনিত, পদচিহ্ন আঁকা
সূর্যাস্তে মায়ার জগত, হয়তো লাগবে ফাঁকা।
পর প্রত্যুষে সোনার আলোয়, মন রাঙিয়ে নিও
পূর্বাচলে অরুণোদয়, প্যানোরেমিক ভিউ!
গঙ্গা চিলের পাখার ছায়া, পড়ে মোহনাতে
বাঁকখালী নদ, বঙ্গোপ -সাগর, মিলন যোজনাতে।
আকাশ- গিরি -অন্তরীক্ষ, নিত্য গুন্জরণ
মিঠা পানি-নোনা জলের, অপুর্ব রসায়ন।
উপকুলের সোনার সংসার,যতই ভাঙ্গা-গড়া
জল-জনপদ বাসির তবু উন্নত শির দাঁড়া।
দেশী -নৌকায় পাল খাটিয়ে, উচাটন মনে
প্রবাল শুভ্র সেন্ট মার্টিনে, যেও পর্যটনে।
মা’থিন কূপ পরিদর্শনে, টেকনাফ নয়তো দূরে
ভাঙ্গামনে লাগবে জোড়া আঁধার মানিক ঘুরে।
পুরাঃতাত্ত্বিক, নৃ -এথনিক, পূণ্য -তীর্থ গমন
মসজিদ, মন্দির, ক্যাং, দরগায়, রামু পরিভ্রমন।
মান -ভন্জনে আগ বাড়িও, প্রাণের পরশ দিও
হাত বড়িও একটুখানি, ভালবাসা নিও !