রামুর চাকমারকুলে মাদকের আস্তানায় চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে অভিযান, ২০ লিটার মদ উদ্ধার

রামু প্রতিনিধিঃ
রামুর চাকমারকুলে মাদকের আস্তানায় অভিযান চালিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সিকদার। বৃহষ্পতিবার (৩ মার্চ) দুপুরে চাকমারকুল ইউনিয়নে ৫ নং ওয়ার্ডের বণিকপাড়া এলাকায় পরিষদের কয়েকজন সদস্য ও সকল চৌকিদারদের নিয়ে তিনি এ অভিযান চালান। এসময় আস্তানায় থাকা মাদক ব্যবসায়ি ও সেবনকারিরা পালিয়ে যান। পরে টংঘরের আদলে নির্মিত ওই আস্তানাটি পুড়িয়ে দেয় জনতা। এসময় সেখান থেকে ২০ লিটার বাংলা মদ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ সেখানে গিয়ে এসব মদ উদ্ধার করে। অভিযানে চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সিকদার ছাড়াও রামু থানার এএসআই এমিলন বড়ুয়া, ইউপি সদস্য রাশেদুল হক রাসেল, মহিলা ইউপি সদন্য গুলজার বেগম এবং পরিষদের চৌকিদারগণ অংশ নেন।
চাকমারকুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সিকদার জানিয়েছেন- সম্প্রতি ওই এলাকার শাইর মোহাম্মদের ছেলে হাছান আলী প্রকাশ বাইট্টা হাছান একটি টংঘর বানিয়ে তাতে রমরমা মদের আসর ও বেচা-কেনা করে আসছিলো। এনিয়ে এলাকাবাসীর অভিযোগ পেয়ে তিনি পরিষদের মেম্বার ও চৌকিদারদের নিয়ে অভিযানে যান। অভিযান চলাকালে হাছান আলী সহ অন্যান্যরা সবার সামনে পালিয়ে যান।

তিনি আরো জানান- এ ঘটনার ২দিন আগে রামু থানা পুলিশ ওই এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হাছান আলীর ভাই ডেকোরেশন দোকান মালিক আবদু শুক্কুরকে ইয়াবা ও বিপুল পরিমান মদ সহ আটক করে। আটক আবদু শুক্কুর ওই এলাকার সাবেক মহিলা মেম্বার হাসিনা আকতারের স্বামী।

এলাকাবাসীর অভিযোগ- চাকমারকুল ইউনিয়নের ফারিকুল এলাকার শাইর মোহাম্মদের ছেলে হাছান আলী, আবদু শুক্কুর ও আবদুল জব্বার ইয়াবা ও মদ ব্যবসায় জড়িত। তাদের মাদক ব্যবসার কারণে বর্তমানে পুরো এলাকা মাদকের স্বর্গরাজ্যে পরিনত হয়েছে। অবশেষে ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সিকদারের সাহসী পদক্ষেপ এর ফলে এলাকাটি মাদকমুক্ত হবে, এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন এলাকাবাসী। পাশাপাশি পুলিশ সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীরও হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।