শেখ রাসেল গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টে ফাইনালে উত্তীর্ণ চকরিয়া শেখ জামাল ক্লাব

খালেদ শহীদ, রামুঃ
রামুতে শেখ রাসেল গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টে প্রতিদ্বন্দীতাপূর্ণ সেমিফাইনাল খেলায় চকরিয়া শেখ জামাল ক্লাবের কাছে ৩-০ গোলে হেরেছে পেকুয়া সদর ফুটবল একাডেমি। টুর্ণামেন্টের সেমিফাইনালে জয় পেয়ে ফাইনালে খেলা নিশ্চিত করেছে চকরিয়া শেখ জামাল ক্লাব।

বুধবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪ টায় রামু ষ্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনাল ফুটবল খেলায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন, রামু উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল হক চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, সাবেক কৃতি ফুটবলার রামু এভারেস্ট টিচিং ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ রাজু বড়ুয়া।

খেলায় ম্যান অবদ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন, চকরিয়া শেখ জামাল ক্লাবের আক্রমণভাগের খেলোয়াড় আরিফ (জার্সি নং ১০)। সেরা খেলোয়াড় আরিফের হাতে ট্রফি তোলেন, অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি নুরুল হক চৌধুরী সহ অতিথিরা। এ সময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রামু ব্রাদার্স ইউনিয়নের সভাপতি মো. নবু আলম, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নীতিশ বড়ুয়া। টুর্ণামেন্টের প্রথম সেমিফাইনাল খেলায় সেরা খেলোয়াড় নির্বাচন করেন, সাবেক কৃতি ফুটবলার জিটু বড়ুয়া ও সুপন বড়ুয়া শিপন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন, ওমর ফারুক মাসুম।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে, কক্সবাজার সদর-রামু-ঈদগাঁহ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল এর প্রধান পৃষ্ঠপোষকতায় বুধবার বিকালে রামু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় শেখ রাসেল গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট ২০২১ এর প্রথম সেমিফাইনাল খেলা।

খেলার নির্ধারিত সময়ের প্রথমার্ধের ৮ মিনিটে গোল করে চকরিয়া শেখ জামাল ক্লাবকে ১-০ গোলে এগিয়ে নেয়, দলের আক্রমণ ভাগের ১০ নম্বর জার্সি পরিহিত খেলোয়াড় আরিফ-২। প্রথমার্ধের ২৪ মিনিটে চকরিয়া শেখ জামাল ক্লাবের মিডফিল্ডার ২২ নম্বর জার্সি পরিহিত খেলোয়াড় সৈনিক গোল করে, দলকে ২-০ গোলে এগিয়ে নেয়। দুটো গোল নিজেদের গোলপোস্টে প্রবেশ করায়, গোল পরিশোধে মরিয়া হয়ে উঠে পেকুয়া সদর ফুটবল একাডেমি। দ্বিতীয়ার্ধের ১০ মিনিটে চকরিয়া শেখ জামাল ক্লাবের আরিফ-২ (১০ নং জার্সি) আরও একটি গোল করে, দলকে ৩-০ গোলে এগিয়ে নিয়ে বিজয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়। নির্ধারিত সময়ের শেষ বাঁশি পর্যন্ত আক্রমণের পর আক্রমণে খেলেও গোল করতে ব্যর্থ হয় পেকুয়া সদর ফুটবল একাডেমি। এ খেলায় বিজয় নিয়ে ফাইনালে খেলার যোগ্য দল হিসেবে জানান দিয়ে, মাঠ ছাড়ে চকরিয়া শেখ জামাল ক্লাব। দর্শক নন্দিত সেমিফাইনাল খেলা পরিচালনায় আবুল কাসেম কুতুবি রেফারী, কামরুল হাসান সোহেল, মিল্টন দত্ত ও আবদুল মজিদ খাঁন সহকারি রেফারীর দায়িত্ব পালন করেন।

চকরিয়া শেখ জামাল ক্লাব: রফিক (অধিনায়ক), শামীম (গোলরক্ষক), আরিফ-১, ওবাইদুল্লাহ, রাফু, সালাহ উদ্দিন, বিজয়, আইয়ুব আলী, সৈনিক, পলাশ, আরিফ-২। অতিরিক্ত খেলোয়াড় ছিলেন, শাহিন, সৌরভ। পেকুয়া সদর ফুটবল একাডেমি: রাসেদ (অধিনায়ক), কুতুব (গোলরক্ষক), রাসেল, সোহাগ, বুলেট, আমজাদ, রিফাত, মামুন, মহিউদ্দিন, রাসেদ-২, সালাহ উদ্দিন। অতিরিক্ত খেলোয়াড়: জুয়েল, মেহেদী। হলুদ কার্ড: চকরিয়া শেখ জামাল ক্লাবের আরিফ-১ (জার্সি নং ১৪)।