রামুর দূর্গম জনপদে ‘ডাকভাঙ্গা বাংলাদেশ’ এর খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

রামু প্রতিনিধিঃ
রামুর দূর্গম জনপদে দরিদ্র জনধারণের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ডাকভাঙ্গা বাংলাদেশ। উপজেলার ডাকভাঙ্গা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মৈষকুম ওসমান সরওয়ার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফুড এইড প্রকল্ডের আওতায় এতিম, দরিদ্র-প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের পরিবারে এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

সোমবার (৭ ফেব্রæয়ারি) দুপুরে কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের মৈষকুম ওসমান সরওয়ার প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন- ডাকভাঙ্গা বাংলাদেশ এর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ মাসুদ বিল্লাহ খান।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন- ডাকভাঙ্গা বাংলাদেশ এর প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর মোঃ জুয়েল তালুকদার, দৈনিক আমাদের সময় ও দৈনিক কক্সবাজার এর প্রতিনিধি সোয়েব সাঈদ, মৈষকুম ওসমান সরওয়ার প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবদু শুক্কুর, মৈষকুম ওসমান সরওয়ার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম, সমাজসেবক নুরুল আবছার প্রমূখ।
এছাড়াও ডাকভাঙ্গা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মৈষকুম ওসমান সরওয়ার প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য, অভিভাবক, শিক্ষকবৃন্দ এবং এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রতিটি পরিবারকে চাল, ডাল, চিনি, সয়াবিন তেল, পেয়াজ, লবন, সাবান বিতরণ করা হয়। ডাকভাঙ্গা বাংলাদেশ এর ফুড এইড প্রকল্পের আওতায় এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এরআগে চলতি বছর পবিত্র ঈদুল আযহায় এতিম, দরিদ্র-প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের ১০০ পরিবারকে কোরবানীর মাংস বিতরণ করা হয়।

জানা গেছে- ডাকভাঙ্গা বাংলাদেশ পরিচালিত ডাকভাঙ্গা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মৈষকুম ওসমান সরওয়ার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৫ জন এতিম শিক্ষার্থীকে মাসিক ১০০ টাকা করে অর্থ সহায়তা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। এসব শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে কোচিং করার মাধ্যমে শিক্ষা অর্জনের স্রোতধারায় এগিয়ে রাখারও প্রয়াস চলমান রয়েছে। এসব কর্মকান্ড এলাকায় প্রশংসনীয় হয়েছে।

ডাকভাঙ্গা বাংলাদেশ এর প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর মোঃ জুয়েল তালুকদার জানিয়েছেন-রামুর কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের দূর্গম এলাকা মইশকুম এবং কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের দূর্গম এলাকা ডাকভাঙ্গা গ্রামে ডাকভাঙ্গা বাংলাদেশ নামে একটি আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিষ্ঠিত দুটি বেরসকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে। এরফলে ওই গ্রাম দুটিতে অসহায় শিশুরা মানসম্মত শিক্ষা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছে। বিদ্যালয়ে পাঠদানের পাশাপাশি শিশুদের মানসিক বিকাশে নিয়মিত ক্রীড়া-সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি ফুড এইড প্রকল্ডের আওতায় বিদ্যালয়ের এতিম, দরিদ্র-প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের পরিবারে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ এবং কোরবানীর মাংস বিতরণ করা হয়েছে। এ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।