রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিনামূল্যে নমুনা পরীক্ষা শুরু হয়েছে

প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষুঃ
সারাদেশের মত কক্সবাজারের রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিনামূল্যে নমুনা পরীক্ষা শুরু কার্যক্রম হয়েছে। ৩ জুলাই শনিবার থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়।

সারাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেজজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় দরিদ্র মানুষের কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষা বিনামূল্যে করার নির্দেশ দেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তবে বিনামূল্যে পরীক্ষা শুধু জুলাই মাসে করা হবে বলে জানায় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ। তারপরে আবার নির্ধারিত মূল্যে পরীক্ষা করাতে হবে বলেও জানায়।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উপসচিব কে বিলকিস বেগমের স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দেশের সকল জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে পৌছে দেওয়া হয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে একটি চিঠি দিয়ে বলা হয়, সারাদেশের করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় কোভিডের নমুনা পরীক্ষার প্রয়োজনীয় দেখা দিয়েছে। পরীক্ষার ফি দিয়ে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর একই পরিবারের একাধিক সদস্যের করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ পরীক্ষা কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে।

“এমতাবস্থায় কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও মোকাবেলায় দেশের দরিদ্র জনগণের কোভিড-১৯ শনাক্তকরণ পরীক্ষা শুধু জুলাই মাসের জন্য বিনামূল্যে করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকল সরকারি প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদানের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হল।”

বিশেষজ্ঞরা আগে থেকে বলে আসছেন, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে পরীক্ষা বাড়িয়ে আক্রান্তদের শনাক্ত করে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো জরুরি। সরকারের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ মূলত সে পথেই একপা এগিয়ে গেল।

উল্লেখ্য, কোভিড-১৯ শনাক্তে দেশে সরকারি হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষার ফি ১০০ টাকা। বেসরকারিভাবে নমুনা পরীক্ষা করালে অন্তত ৩ হাজার টাকা খরচ হয়।

সরকারিভাবে আরটিপিসিআর পদ্ধতিতে নমুনা পরীক্ষা হয়। পাশাপাশি অ্যান্টিজেন পরীক্ষাও হয়। বেসরকারিভাবে অ্যান্টিজেন পরীক্ষার ফি ৭০০ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। প্রতিটি নমুনা পরীক্ষায় সরকারিভাবে এখন ১০০ টাকা নেওয়া হলেও ২৭০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হয়।

এদিকে বিনামূল্যে কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষার বিষয়ে জানতে চাইলে রামু উপজেলার প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ নোবেল কুমার বড়ুয়া আমাদের রামু ডটকম কে বলেন, শনিবার প্রথম দিন বিনামূল্যে মাত্র ৫জন নমুনা পরীক্ষা করেছে। তবে হাসপাতালে আগের মতই রোগীর সংখ্যা আছে । নমুনা পরীক্ষার সংখ্যাও আগের মত।