৪৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল রিজার্ভ

অনলাইন ডেস্কঃ
প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের ওপর ভর করে মহামারীর মধ্যে বাংলাদেশের বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন ৪৫ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করল।

বৃহস্পতিবার দিন শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৫ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলার, যা অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি।

এই রিজার্ভ দিয়ে প্রতি মাসে চার বিলিয়ন ডলার হিসেবে ১১ মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের কাছে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ বিদেশি মুদ্রার মজুদ থাকতে হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে এক সপ্তাহের ব্যবধানে বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বেড়েছে ১২ কোটি ৬২ লাখ ডলার।

মহামারীর মধ্যেই গত ২৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৪ দশমিক ০২৮ বিলিয়ন ডলার।

এর আগে ২০২০ সালের ২৩ জুন রিজার্ভে ছিল ৩৫ দশমিক শূন্য ৯ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, গত এক বছরে রিজার্ভ বেড়েছে ১০ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন ডলার।

মূলত প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের কারণে রিজার্ভে এই উল্লম্ফন।

চলতি বছরের ১১ মাসে অর্থাত্ ২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২১ সালের মে মাস পর‌্যন্ত প্রবাসীরা ২২ দশমিক ৮৪ বিলিয়ন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন, যা গতবছরের একই সময়ের চেয়ে ৩৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ বেশি।

মহামারীর মধ্যে চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ২ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের রেমিটেন্স এসেছিল দেশে, যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ।

রপ্তানি আয়ের প্রভাবও রয়েছে রিজার্ভে।

চলতি বছরের ১১ মাসে জুলাই-মে সময়ে পণ্য রপ্তানি থেকে ৩৫ দশমিক ১৮ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে বাংলাদেশ, যা গত বছরের একই সময়ের ১৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ বেশি।

সূত্র: বিডিনিউজ