কক্সবাজার ফিরেছেন করোনা বিজয়ী সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিঃ
দীর্ঘ দেড়মাস পর নিজ নির্বাচনী এলাকা কক্সবাজার (সদর-রামু) ফিরেছেন করোনা বিজয়ী আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি। শনিবার (১৯জুন) বিকালে তিনি কক্সবাজার পৌছেঁন।

সন্ধ্যায় এমপি কমল তাঁর মরহুম পিতা আলহাজ্ব ওসমান সরওয়ার আলম চৌধুরী ও মরহুমা মাতা রওশন সরওয়ার এর কবর জিয়ারত করেন|

পরে তিনি রামুস্থ বাসভবন ‘ওসমান ভবন’ এ পৌঁছলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও সহযোগি সংগঠনের কক্সবাজার সদর ও রামু উপজেলার নেতা-কর্মী, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বার, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এসময় হাজার হাজার নেতাকর্মীরা প্রিয় নেতাকে দেখতে ও শুভেচ্ছা জানাতে ভিড় জমান।

আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি গত ৫ মে বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) কোভিড বিভাগের ভিআইপি কেবিনে চিকিৎসা নেন। ১৭ মে করোনা নেগেটিভ হলেও শারীরিক দুর্বলতাসহ অন্যান্য রোগের কারনে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শে ঢাকা নাখালপাড়াস্থ এমপি হোস্টেলের বাসায় তিনি বিশ্রামে ছিলেন।

কক্সবাজার-৩(সদর-রামু) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল কক্সবাজার পৌঁছেই সাংবাদিকদের জানান, তাঁর প্রথম কাজ হবে পর্যটন শহর কক্সবজারে শতকোটি টাকা ব্যয়ে দৃষ্টিনন্দন ও বিশ্বমানের মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু করা। এ বিষয়ে এমপি কমল জেলাবাসির আন্তরিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। তিনি দীর্ঘ প্রায় দেড়মাস অসুস্থতাজনিত কারনে নির্বাচনী এলাকার বাইরে অবস্থান করায় এলাকার উন্নয়ন কাজসহ অনেকের ব্যক্তিগত কাজের সাময়িক বিঘ্নিত হওয়ায় আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেন। অসুস্থ সময়ে যারা সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়ে মসজিদ-মন্দিরে দোয়া ও প্রার্থনা করেছেন, খোজখবর নিয়েছেন, ঢাকায় দেখতে গিয়েছেন সকলের প্রতি এমপি কমল ধন্যবাদ জানিয়ে সুস্থ হয়ে জনতার মাঝে ফিরে আসতে পারায় মহান দয়াময় আল্লাহ’র কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি সকলকে সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনুরোধ জানান|
উল্লেখ্য যে, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই করোনা আক্রান্ত রোগীর সেবায় কখনো হাসপাতালে ও বাসায় চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের খাদ্য সরবরাহ এবং খবরা-খবর নেন, আবার কখনো করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া লাশ দাফনে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন। এছাড়াও তিনি করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের আইসিইউ, এইচডিইউ, রেডজোনসহ কোভিট বিভাগে চিকিৎসাধীন রোগীদের খবরা-খবর নিতে প্রায় সময় হাসপাতালে ছুটে যেতেন।

ঢাকা অবস্থান কালে গত ৪ মে শরীরে জ্বর অনুভূত হলে করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন। পরদিন ৫ মে সন্ধ্যায় তার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এলে ওই রাতেই তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) কোভিড বিভাগের ভিআইপি কেবিনে ভর্তি হন। দীর্ঘ দিন চিকিৎসায় ১৭ মে করোনা নেগেটিভ হলেও বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শে ঢাকাস্থ সরকারি বাসায় বিশ্রামে ছিলেন।