টিকা আসছে আজ

অনলাইন ডেস্কঃ
করোনাভাইরাসের টিকা নিয়ে অপেক্ষার পালা শেষ হচ্ছে দেশবাসীর। ভারত সরকারের উপহার হিসেবে পাঠানো অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার ২০ লাখ ডোজ এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিশেষ ফ্লাইটে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে ভারতের উপহারের টিকা গ্রহণ করবেন। সেখান থেকে টিকা নিয়ে রাখা হবে রাজধানীর তেজগাঁও সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) স্টোরেজে। একই সঙ্গে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে সরকারিভাবে কেনা অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার প্রথম চালানের ৫০ লাখ ডোজ আগামী ২৫ জানুয়ারি দেশে পৌঁছাবে। এদিকে গতকাল বুধবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের জানান, আজ বৃহস্পতিবার ভারত থেকে ৩৫ লাখ ডোজ টিকা আসছে। এর মধ্যে ২০ লাখ ডোজ উপহারের এবং ১৫ লাখ ডোজ কেনা টিকার প্রথম চালান।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ওই টিকা হাতে আসার পর আগামী ২৭ অথবা ২৮ জানুয়ারি রাজধানী ঢাকার একটি করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে আনুষ্ঠানিকভাবে পর্যবেক্ষণমূলক টিকাদান শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন। প্রথম দিন সরাসরি করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় যুক্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণিপেশার ২০ থেকে ২৫ জনকে টিকা দেওয়া হবে। ব্যাপক হারে টিকাদান কার্যক্রম শুরুর আগে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল এবং বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে চারশ থেকে পাঁচশজনকে টিকা দিয়ে সাত দিন পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। এরপর গণটিকাদান শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই টিকাদান কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। প্রতি মাসে দুই দিন দুই লাখ ডোজ করে প্রথম মাসে ৬০ লাখ ডোজ টিকা দেওয়া হবে।

সংশ্নিষ্টরা বলেছেন, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর অক্সফোর্ডের টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমতি দিলেও দেশে এই টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল হয়নি। এ কারণে গণটিকাদান শুরুর আগে পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হবে। টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগে সাফল্যের পর সরকার গণটিকাদান কার্যক্রম শুরু করতে চায়।

উপহারের টিকা আসছে আজ- স্বাস্থ্য সচিব :ভারত থেকে টিকা আসার প্রক্রিয়াসহ টিকাদান কর্মসূচির সার্বিক বিষয় সম্পর্কে অবহিত করতে গতকাল বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আবদুল মান্নান জানান, ভারত সরকারের উপহারের অক্সফোর্ডের টিকার ২০ লাখ ডোজ আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবে। একই সঙ্গে আগামী ২৫ জানুয়ারি সরকারের সঙ্গে চুক্তি অক্সফোর্ডের টিকার আরও ৫০ লাখ ডোজ আসবে। কেনা টিকার প্রথম চালান ও উপহারের টিকা মিলিয়ে প্রথম মাসে আসবে ৭০ লাখ ডোজ। প্রতিদিন দুই লাখ ডোজ হিসেবে প্রথম মাসে ৬০ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়া হবে।
টিকা বিতরণের পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরে সচিব বলেন, টিকা হাতে আসার পর ২৭ অথবা ২৮ জানুয়ারি ঢাকায় প্রথমে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু হবে। ব্যাপকভাবে টিকাদান শুরুর আগে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল ও বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে টিকা দিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রটোকল অনুযায়ী তাদের সাত দিন পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। এরপর টিকা দেওয়া হবে সারাদেশে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।
টিকাগ্রহীতাকে অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধিত হতে হবে জানিয়ে আবদুল মান্নান বলেন, গণটিকাদান শুরুর আগে অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন শুরু হবে। স্বাস্থ্যকর্মীসহ মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামনের সারিতে থাকা কর্মীরা সবার আগে টিকা পাবেন। প্রথম টিকা দেওয়ার আট সপ্তাহ পর দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়া হবে। টিকার প্রাপ্যতা অনুযায়ী মাসভিত্তিক একটি বিতরণ তালিকা ইতোমধ্যে তৈরি করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক জয়েনা আজিজ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব এন এম জিয়াউল আলম এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম উপস্থিত ছিলেন।
কোন ধাপে কারা টিকা পাবেন :খসড়া পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশের প্রায় ১৪ কোটি মানুষ করোনাভাইরাস টিকার আওতায় আসবে। তিন পর্যায়ের পাঁচটি ধাপে ১৩ কোটি ৮২ লাখ ৪৭ হাজার মানুষকে টিকার আওতায় আনা হবে। প্রথম পর্যায়ের প্রথম ধাপে মোট জনগোষ্ঠীর ৩ শতাংশ বা ৫১ লাখ ৮৪ হাজার ২৮২ জনকে টিকা দেওয়া হবে। এই তিন শতাংশের মধ্যে রয়েছেন চিকিৎসক, নার্স এবং মিডওয়াইফারি পেশায় নিয়োজিত কর্মী, মেডিকেল ও প্যাথলজি ল্যাব কর্মী, পেশাদার স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নকর্মী, সাইকোথেরাপির সঙ্গে সংশ্নিষ্টরা, মেডিসিন পারসনেল, কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মী, অ্যাম্বুলেন্স চালক মিলে তিন লাখ ৩২ হাজার জন। সরকারি-বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা কর্মী যারা স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন ধাপে কাজ করলেও সরাসরি কভিড-১৯ মোকাবিলার সঙ্গে যুক্ত নন যেমন স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কর্মী, বাণিজ্য কর্মী, ক্লারিক, লন্ড্রিকর্মী, অ্যাম্বুলেন্সের পাশাপাশি অন্যান্য গাড়ি চালক- এমন এক লাখ ২০ হাজার জনকে টিকা দেওয়া হবে। এছাড়া ২ লাখ ১০ হাজার মুক্তিযোদ্ধা, ৫ লাখ ৪৬ হাজারের বেশি ফ্রন্ট লাইনে কাজ করা পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ, আনসার, ভিডিপিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী, বিজিবি, র?্যাব, কোস্ট গার্ড ও প্রেসিডেন্ট গার্ডের তিন লাখ ৬০ হাজার সদস্য, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ৫০ হাজার কর্মকর্তা, ফ্রন্ট লাইনে কাজ করা সাংবাদিক, মিডিয়াকর্মী ৫০ হাজার জনকে টিকার আওতায় আনা হবে। এর বাইরে এই ধাপে জনপ্রতিনিধি, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার কর্মী, ধর্মীয় নেতা, দাফন ও সৎকারে নিয়োজিত কর্মী, ওয়াসা, ডেসা, তিতাস ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মী, স্থল, সমুদ্র ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, প্রবাসী শ্রমিক, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মী, ব্যাংক কর্মী, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কম এমন রোগী, রোহিঙ্গা, বাফার, জরুরি ও মহামারি ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত কর্মীরা টিকার আওতায় আসবেন। প্রথম পর্যায়ের দ্বিতীয় ধাপে টিকা দেওয়া হবে ৬০ বছর বা এর চেয়ে বেশি বয়স্ক নাগরিকদের। এই ধাপে ৭ শতাংশ বা এক কোটি ২০ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৭ জন টিকা পাবেন।

দ্বিতীয় পর্যায়ের একটি ধাপে ১১ থেকে ২০ শতাংশ বা এক কোটি ৭২ লাখ ৮০ হাজার মানুষ টিকা পাবেন। এই পর্যায়ে ৫৫ বছর বা তার চেয়ে বেশি বয়সী নাগরিক, বয়স্ক এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে থাকা মানুষ, শিক্ষক, সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মী, প্রথম পর্যায়ে বাদ পড়া গণমাধ্যমকর্মী, দুর্গম এলাকায় বসবাসকারী মানুষ, আদিবাসী সম্প্রদায়ের সদস্য, গণপরিবহন কর্মী, হোটেল, রেস্তোরাঁ, ওষুধের দোকানের কর্মী, গার্মেন্টস শ্রমিক, যৌনকর্মী ও তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যরা টিকার আওতায় আসবেন।

তৃতীয় ও সর্বশেষ পর্যায়ে মোট দুটি ধাপে টিকা দেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ২১ থেকে ৪০ শতাংশ বা ৩ কোটি ৪৫ লাখ ৬১ হাজার এবং দ্বিতীয় ধাপে ৪১ থেকে ৫০ শতাংশ বা ৬ কোটি ৯১ লাখ ২৩ হাজার মানুষকে টিকা দেওয়া হবে। তৃতীয় পর্যায়ের প্রথম ধাপে দেওয়া হবে দ্বিতীয় ধাপে যারা টিকা পাননি এমন শিক্ষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মচারী, প্রসূতি, অন্যান্য সরকারি কর্মচারী, অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী কর্মী, অন্যান্য স্বায়ত্তশাসিত ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী, রপ্তানি ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কর্মী, বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র ও বন্দরকর্মী, কয়েদি ও জেলকর্মী, শহরের বস্তিবাসী বা ভাসমান জনগোষ্ঠী, কৃষি ও খাদ্য সরবরাহের কাজে নিয়োজিত কর্মী, ডরমিটরির বাসিন্দা, গৃহহীন জনগোষ্ঠী, অন্যান্য শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কর্মী, বাদপড়া গণপরিবহন কর্মী, বাদপড়া ৫০ থেকে ৫৪ বছর বয়সী নাগরিক, জরুরি ও মহামারি ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত কর্মীরা।
তৃতীয় পর্যায়ের দ্বিতীয় ধাপে অর্থাৎ সর্বশেষ ধাপে টিকা পাবেন বাদপড়া যুব জনগোষ্ঠী, শিশু ও স্কুলগামী শিক্ষার্থী এবং আগের বাদপড়া সব জনগোষ্ঠী।

টিকা পেতে নিবন্ধন করতে হবে অ্যাপে :স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএস, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ এই অ্যাপটি তৈরির কাজ শেষ করে এনেছে। এখন শেষ মুহূর্তে এটি রূপান্তরের কাজ চলছে। টিকা পেতে ‘সুরক্ষা’ নামে অ্যাপে ভোটার আইডি কার্ড দিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। এই কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত সংশ্নিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অ্যাপটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। স্মার্ট মোবাইল ফোনে অ্যাপটি ডাউনলোড করে প্রত্যেক ব্যক্তি নিজ থেকেই নিবন্ধন করতে পারবেন। নিবন্ধনের জন্য ফোন নম্বর ও জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, নাম, জন্মতারিখ, অন্য কোনো শারীরিক জটিলতা আছে কিনা, পেশা ইত্যাদি বিস্তারিত তথ্য প্রদান করতে হবে। প্রত্যেক ব্যক্তি করোনাভাইরাসের দুই ডোজ করে টিকা পাবেন। প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের বিস্তারিত তথ্য অ্যাপের মাধ্যমে জানা যাবে। ভারতসহ অনেক দেশ টিকাদানে এ ধরনের অ্যাপ প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। কারা আগে টিকা পাবেন, সেই অগ্রাধিকারের তালিকাটি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন থেকেও সংগ্রহ করা যাবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সমকালকে বলেন, অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনার মূল্য লক্ষ্য হলো সব তথ্য সার্ভারে সংরক্ষণ করে রাখা যাবে। কারা কোন সময়ে টিকা পাবেন তাও অ্যাপের মাধ্যমে জানা যাবে। একই সঙ্গে প্রথম ডোজ টিকা নেওয়ার পর পরবর্তী ডোজ কত দিন পরে পাওয়া যাবে সে সম্পর্কিত তথ্যও এসএমএসে জানিয়ে দেওয়া হবে। কারণ কোটি কোটি মানুষ যখন টিকা কর্মসূচির আওতায় আসবে, তাদের সুশৃঙ্খল রাখতে হলে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ছাড়া বিকল্প নেই। অ্যানালগ পদ্ধতিতে এটি সম্ভব নয়। বিশ্বের অনেক দেশেই অ্যাপের মাধ্যমে টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করছে। বাংলাদেশও এই প্রক্রিয়ায় টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করবে বলে জানান তিনি।

টিকা প্রদানে সরকারি প্রস্তুতি :স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তৈরি গাইডলাইন মেনে টিকাদান কর্মসূচির সার্বিক প্রস্তুতি চলছে। টিকা বণ্টনের জন্য সারাদেশে তিন স্তরে কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানে টিকা বিতরণের জন্য ১৫ ধরনের প্রায় ছয় হাজার ৩০০টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল, জেলা সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল, ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র, ১০ ও ২০ শয্যার হাসপাতাল, মা ও শিশু হাসপাতাল, পুলিশ হাসপাতাল, জাতীয় সংসদ স্বাস্থ্যকেন্দ্র, সচিবালয় ক্লিনিক ও সিটি করপোরেশন হাসপাতাল। এসব প্রতিষ্ঠানে টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করার প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সমকালকে বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন ও টিকাদান কার্যক্রম নিয়ে গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির মতামতের আলোকে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। টিকাদান কার্যক্রম শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করার জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রথমে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী অর্থাৎ করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় সরাসরি যুক্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের এবং পরে অন্যদের পর্যায়ক্রমে টিকার আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।

সূত্রঃ সমকাল