রামুতে চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে প্রাণ হারালো যুবক, আহত ২

সোয়েব সাঈদঃ
কক্সবাজারের রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নে গনপিটুনিতে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত বাদশা মিয়া ওই ইউনিয়নের পূর্ব ধেছুয়াপালং এলাকার আবু তাহেরের ছেলে। শনিবার (৫ ডিসেম্বর) ভোরে এ ঘটনা ঘটে। এলাকার একাধিক জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন গণপিটুনিতে নিহত বাদশা মিয়া চিহ্নিত ও দুর্ধর্ষ চোর।

খুনিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মাবুদ জানিয়েছেন- শনিবার ভোরে বাদশা মিয়া কয়েকজন সহযোগিসহ ৫ নং ওয়ার্ডের সিকদারপাড়া তেলখোলা এলাকার আবুল কালামের বসত বাড়িতে চুরি করতে যায়। ওই বাড়িতে আসবাবপত্র ভেঙ্গে স্বর্ণালংকার চুরির সময় পরিবারের সদস্যরা দেখে ফেললে বাদশা মিয়া ও তাঁর সহযোগিকরা আবুল কালামের স্ত্রী ও মেয়েকে দা দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। এসময় আহত মা মেয়ের আর্তচিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে চিহ্নিত চোর বাদশা মিয়া ধরা পড়ে এবং সহযোগিরা পালিয়ে যায়। তাদের ধরার সাথে সাথে উত্তেজিত জনতা গনপিটুনি শুরু করে। এতে ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান বাদশা মিয়া।

খবর পেয়ে ভোরে রামু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজমিরুজ্জামান ঘটনাস্থলে যান। তিনি জানিয়েছেন-নিহত বাদশা মিয়া এলাকার চিহ্নিত চোর ছিলো। তার বিরুদ্ধে থাকায় একাধিক মামলা রয়েছে। তার মৃতদেহ ময়না তদন্ত শেষে স্বজনদের হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ইউপি সদস্য আবু তাহের ও আবদুল্লাহ বিদ্যুৎ জানিয়েছেন-বাদশা মিয়া চিহ্নিত চোর। চুরির সময় সে লোকজনকে মারধর এবং কুপিয়ে জখম করতো। একারনে এলাকার লোকজন তার উপর চরমভাবে ক্ষিপ্ত ছিলো। যে কারণে হাতেনাতে ধরার পড়ার পর তাকে জনরোষ থেকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

এদিকে চোর বাদশা ও তার সহযোগিদের দা এর হামলায় আহত গৃহকর্তার স্ত্রী ও মেয়েকে ঘটনার পর কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধিন রয়েছে বলে জানা গেছে।