হার্ট অ্যাটাক ঠেকাতে এড়িয়ে চলুন ৫ খাবার

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ
বিশ্ব জুড়ে হৃদরোগে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। আসলে অনিদ্রা, অনিয়মিত ঘুম, সময়মতো না খাওয়া, ফাস্ট ফুড আসক্তি ইত্যাদি কারণেই হার্টের নানা সমস্যা দেখা দেয়। অনেকেরই ধারণা, ধূমপান বন্ধ করলেই হার্টকে অনেকটা সুস্থ রাখা যায়। তবে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ধূমপান হৃদরোগ ডেকে আনার অন্যতম কারণ, তাতে কোনও সন্দেহই নেই। নিকোটিনের প্রভাবে হৃদযন্ত্র, ফুসফুসের প্রভূত ক্ষতি হয়। কিন্তু ধূমপান ছাড়াও আমাদেরই নানা খাদ্যাভ্যাস হার্টের ক্ষতি করে। তাই সাডেন হার্ট অ্যাটাক ঠেকাতে আজ থেকেই সাবধান হোন সে সবে।

প্রতি দিনের খাদ্যতালিকার দিকে নজর দিলেই দেখা যাবে, এমন কিছু খাবার আকছার খেয়ে থাকি আমরা, যা হার্টের জন্য একেবারেই ভাল নয়। প্রতি দিন এ সব খাবারে অভ্যস্ত হতে হতে অজান্তেই হার্টের ক্ষতি করে চলেছি আমরা। দেখে নিন চিকিৎসকদের মতে সাডেন হার্ট অ্যাটাক রুখতে ও হার্টকে সুস্থ রাখতে কোন কোন খাবারে না বলা জরুরি।

ঠাণ্ডা পানীয়

তৃষ্ণার্ত হলেই বা নিছক শখেও বোতল বোতল ঠাণ্ডা পানীয় খেয়ে চলেন? এবার সাবধান হোন। কোল্ড ড্রিঙ্কের অতিরিক্ত সুগার ও সোডা ধমনীর উপর চাপ ফেলে। এ ছাড়াও শরীরে পানির পরিমাণ কমিয়ে ভিতর থেকে শুকনো করে দেয় এই সব পানীয়।

চিপ্‌স

শিশু থেকে বৃদ্ধ, চিপ্‌স পছন্দ করেন অনেকেই। মাঝে মাঝে কয়েক টুকরা চিপ্‌সে অতটা সমস্যা হয় না, কিন্তু চিপ্‌স খাওয়া অভ্যাসে পরিণত হলে তা থেকেই হানা দেবে হার্টের বিপত্তি। চিপ্‌সের ট্রান্স ফ্যাট ও অতিরিক্ত লবণ হার্টের উপর চাপ দেয়। দিনের পর দিন শরীরে জমতে থাকা অতিরিক্ত সোডিয়াম ডেকে আনে হার্ট অ্যাটাককে।

জাঙ্ক ফুড

পিৎজা, বার্গারসহ চাইনিজ খাবারে রাশ টানুন। নানা চাইনিজ সসে প্রিজারভেটিভের পরিমাণ এতটাই যে তা থেকে শরীরের নানা ক্ষতি হয়। বাদ পড়ে না হার্টও। পিৎজা-বার্গারের সোডিয়াম ও অতিরিক্ত ফ্যাট ওবেসিটি বাড়িয়ে হার্টের উপর চাপ ফেলে। এ ছাড়া জাঙ্ক ফুডে ব্যবহৃত তেলও শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

প্রক্রিয়াজাত মাছ-মাংস

যে কোনও প্রক্রিয়াজাত খাবারেই লবণ ও চিনির মাত্রা অনেক বেশি থাকে। সংরক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয় নানা রাসায়নিকও। এগুলোর কোনওটাই হার্টের জন্য ভাল নয়। কেবল ওবেসিটিই নয়, সাডেন হার্ট অ্যাটাকের পিছনেও এমন কিছু খাদ্যাভ্যাস দায়ী। এ সব খাবারে হৃদযন্ত্র দুর্বল হয় সহজে।

কফি

যখন তখন কফি খান? তাহলে এই অভ্যাস নিয়ন্ত্রণ করুন আজই। ব্লেন্ডেড কফিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি এবং ফ্যাট জাতীয় উপাদান থাকে। এ ছাড়া কফির ক্যাফিন রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে হার্টকে বিপদে ফেলে।

সূত্র: আনন্দবাজার