হার্ট অ্যাটাকের পরে যে ৫ পরিবর্তন জরুরি

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর প্রায় ১৭ মিলিয়ন লোক হৃদরোগজনিত কারণে মারা যায়। এর মধ্যে স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাকসহ কার্ডিওভাসকুলার রোগে ৩ মিলিয়ন মানুষ মারা যায়। সাম্প্রতিক তথ্য থেকে দেখা যায় যে, বিশ্বব্যাপী হার্ট অ্যাটাকে তরুণরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। ভাগ্যক্রমে হার্ট অ্যাটাকের পরে বেঁচে যাওয়া মানুষের জন্য পরবর্তীতে কিছু করণীয় রয়েছে। সেটাই প্রকাশ করেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

শারীরিক ক্রিয়াকলাপ
হার্ট অ্যাটাকের পরে স্বাস্থ্য এবং শক্তি পুনরুদ্ধারে শরীরচর্চা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি কোনো উদ্বিগ্নতা বা হতাশা নিয়ন্ত্রণ করে এবং ভালো ঘুমে সাহায্য করে। প্রতিবেদন অনুসারে, প্রতি সপ্তাহে মোট অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি মাপের শারীরিক ক্রিয়াকলাপ করা উচিত। এর মধ্যে থাকতে পারে হাঁটা, ব্যাডমিন্টন বা টেনিস খেলা। আপনি এক সপ্তাহে ৭৫ মিনিটের তীব্র শারীরিক ক্রিয়াকলাপটিও বেছে নিতে পারেন।

আপনার পছন্দ মতো একটি ক্রিয়াকলাপ খুঁজে নেয়া গুরুত্বপূর্ণ। এটি আপনাকে আপনার অনুশীলনের রুটিনের সাথে সামঞ্জস্য রাখতে সহায়তা করবে।

ডায়েট পরিবর্তন করুন
আরও ফলমূল, শাকসবজি, বাদাম, আস্ত শস্য এবং লেবু খাওয়া শুরু করুন। আপনার ডায়েটে মাছ, চর্বিযুক্ত প্রোটিন এবং কম ফ্যাটযুক্ত দুগ্ধজাতীয় খাবারও অন্তর্ভুক্ত করুন। গবেষণায় দেখা গেছে যে, যখন আপনার প্রতিদিনের ডায়েটে অস্বাস্থ্যকর খাবারের বদলে এই খাবারগেুলো খাওয়া হয় তখন হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে।

ধূমপান না বলুন
আমরা সবাই জানি ধূমপান স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক, এমনকি পরোক্ষ ধূমপানও। ধূমপান আপনার রক্তে ক্লট তৈরির প্রবণতা তৈরি করে যা হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম কারণ হতে পারে।

স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ করতে শিখুন
আমরা সবাই জানি যে কীভাবে স্ট্রেস আমাদের রক্তচাপ বাড়িয়ে তুলতে পারে, যা আমাদের হৃদযন্ত্রের পক্ষে ভালো নয়। সুতরাং, আপনার স্ট্রেস এবং উদ্বেগ নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করতে পারে এমন উপায়গুলো খুঁজে পাওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনার প্রতিদিনের কিছু না কিছু করার একটি রুটিন তৈরি করুন। ভালো ঘুমও হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য পরিচালনায় সহায়তা করে।

হৃদরোগ এবং আপনার ঝুঁকি সম্পর্কে জানুন
আপনি যখন সঠিকভাবে এটি সম্পর্কে জানবেন তখন কোনো সমস্যা মোকাবেলা করা সহজ হবে। আপনার পক্ষে কী ভালো এবং কী ভালো নয় তা সম্পর্কে জেনে নেয়া যেকোনো সমস্যা মোকাবেলার জন্য সর্বোত্তম পন্থা।

সূত্রঃ বিডিনিউজ